|
বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০ বছর
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালা শহরের পূব দিকে গেটসেমানে গীর্জায় এক প্রার্থনার মধ্য দিয়ে
শুরু হয়েছে৻ এই দেওয়াল খুলে দেওয়ার আগে যেসব জায়গা থেকে বিক্ষোভ পরিচালিত হতো এই গীর্জা ছিলো তারই একটি৻
ওই রাতে ইউরোপজুড়ে বদলে গিয়েছিলো লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন৻ পূর্ব জার্মানীর কর্তৃপক্ষ পশ্চিম বার্লিনে যাবার ব্যাপারে বিধিনিষেধ শিথিল করার কথা ঘোষণা করার পরই উল্লসিত জনতা সীমান্ত রক্ষীদের পাশ কাটিয়ে তৎকালীন ইউরোপের সবচেয়ে সুরক্ষিত সীমান্ত অতিক্রম করতে শুরু করে৻ পূর্ব জার্মানীর কমিউনিস্ট কর্তৃপক্ষ দেড়শো কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ এই কংক্রিটের দেওয়াল তৈরী করে ১৯৬১ সালে যাতে সেখানকার নাগরিকরা পুঁজিবাদী পশ্চিমে পালিয়ে যেতে না পারে৻ মনে করা হয় ওই দেওয়াল অতিক্রম করতে গিয়ে একশোর মতো মানুষ প্রাণ হরিয়েছেন৻ বার্লিনের নানান অনুষ্ঠানে এই নিহতদের তাদের স্মরণ করা হচ্ছে৻ এই ঘটনার মধ্য দিয়ে কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটে, দুই জার্মানী এক হয় এবং শীতল যুদ্ধের অবসান ঘটে৻ এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিশ্ব নেতারা জার্মান চ্যান্সেলর আংগেলা ম্যার্কেল ও সাবেক সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভের সাথে যোগ দিয়েছেন৻ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিন্টন বলেছেন, ১৯৮৯ সালে ওই দেওয়াল ধংসের মধ্যে দিয়ে শীতল যুদ্ধের যে প্রতীকী অবসান ঘটেছিলো তারপরেও অনেক কাজ বাকী রয়ে গেছে৻ তবে জার্মানীতে বিশ্ব নেতারা যখন বার্লিন দেওয়াল তথা কম্যুনিজমের পতনের ২০তম বার্ষিকী উদযাপন করছেন, তখনই বিশ্বের সাতাশটি দেশে বিবিসির চালানো এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, কেবল ১১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট, আর ২৫ শতাংশ মনে করছেন এই ব্যবস্থায় মৌলিক কিছু খামতি রয়েছে এবং এতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন৻ আর তাই শীতল যুদ্ধের প্রতীকী অবসানের এবং কম্যুনিজমের পতনের বিশ বছর পরে এই জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বেশীরভাগই চাইছেন ব্যবসার ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ন্ত্রণ আরো বাড়ানো হোক৻ |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||