|
সাজা নগণ্য,তাই দূষণ বন্ধ হচ্ছে না
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একটি কমিটি বলছে যে পরিবেশ দূষণকারীদের সাজার পরিমাণ এতোই নগণ্য যে তার কোন কার্য্যকারীতা নেইএবং তাই
তাঁরা আইন কঠোর করার সুপারিশ করছেন৻
কমিটি বলছে, প্রচলিত আইনে দূষণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জরিমানার পরিমাণ এত নগণ্য যে, এই আইন আর কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারছে না। এ বিষয়ে সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে সুপারিশগুলো খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তরফ থেকে এক বৈঠকের পর বলা হয়েছে রাজধানী ঢাকার দূষণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কমিটি মনে করে এ অবস্থা চলতে থাকলে ঢাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। সে কারণেই দূষণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধ আইনগত ব্যবস্থা আরো জোরদার করার সুপারিশ করেছেন। কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন তালুকদার বলেছেন যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যত বেশি দূষণ করবে, তার বিরুদ্ধে তত বেশি জরিমানা করা হবে। এ বিষয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী হাসান মাহমুদ বলেছেন তিনি এ ব্যাপারে একমত এবং পরিবেশ দূষণ রোধে যে আইন করার কথা রয়েছে তাতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কমিটি বলেছে, দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেওয়ার পেছনে যুক্তি হলো, কলকারখানাগুলো বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট রাখছে না, প্ল্যান্ট থাকলেও সেটি ব্যবহার করছে না। এ কারণে নদীগুলো মারাত্মক দূষণের শিকার হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন যে টঙ্গী খালের পানি এতটাই দূষিত যে, সেখানে এমনকি মশারও প্রজণন বন্ধ রয়েছে। সরকারের তরফ থেকে বহুদিন ধরেই কলকারখানাগুলোকে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেওয়া হলেও কোন অগ্রগতি নেই কেন এমন প্রশ্নে মি: হাসান জানিয়েছেন, তাঁরা বৃহস্পতিবারেই প্রথম কয়েকটি কারখানাকে জরিমানা করেছেন এবং মামলা করেছেন। |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||