|
বিএনপির টিপাইমুখ তথ্য উপস্থাপন
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি আজ ভারতের প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধের প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত আনুষ্ঠানিকভাবে
উপস্থাপন করেছে।
রাজধানীতে আয়োজিত এ সম্পর্কিত একটি অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া একদিকে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্প বাতিলের আহবান জানিয়েছেন, অন্যদিকে সরকারকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। ঢাকা থেকে সংবাদদাতা শেখ সাবিহা আলম জানাচ্ছেন যে সূচনা বক্তব্যেই বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেন, তাঁরা জানতে পেরেছেন সরকারের কাছে ভারতের প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই, তাই দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে তাঁরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করছেন। বিএনপি র তরফ থেকে প্রকৌশলী আনহ আখতার হুসেন টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বলেন এর ফলে সুরমা, কুশিয়ারাসহ পুরো মেঘনার জল শুকিয়ে যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি আরো বলেন, ভূমিকম্পপ্রবণ ওই এলাকায় বাঁধটি যদি একবার ধ্বসে পড়ে তাহলৈ ভাটিতে অর্থাৎ বাংলাদেশে সুনামির মত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। সূচনা বক্তব্যেও খালেদা জিয়া পরিবেশের ওপর টিপাইমুখ বাঁধের প্রভাবকে পরিবেশ-বিনাশী বলে উল্লেখ করেছেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে এই প্রকল্প আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিলের আহবান জানিয়েছেন।
পাশাপাশি তিনি সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন, বলেছেন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতের অমিল থাকতেই পারে কিন্তু জাতীয় স্বার্থে তাঁরা সরকারকে সহযোগিতা করতে চান। কিন্তু ঠিক কি উপায়ে বিএনপি সহযোগিতা করতে চায় সে বিষয়ে বিএনপির বিশেষজ্ঞ ও সাবেক মন্ত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেল সুনির্দিষ্ট কোন উত্তর দেননি। সাবেক পানিমন্ত্রী হাফিজুদ্দীন আহমদ প্রশ্নের জবাবে বলছিলেন রাজনৈতিকভাবে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। কিন্তু সংসদীয় প্রতিনিধিদলে নাম প্রস্তাব না করা প্রসঙ্গে বলেন, সাংসদরা এ সম্পর্কে কিছু জানেন না। উল্লেখ করা যেতে পারে, টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পস্থল পরিদর্শনের জন্য বিএনপি বিশেষজ্ঞ কমিটির নাম প্রস্তাব করে, পরে খালেদা জিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহস সিংকে উদ্বেগ প্রকাশ করে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিশেষজ্ঞ দলের নাম দিয়ে চিঠি পাঠান। কিন্তু সংসদীয় যে কমিটির প্রকল্পস্থল দেখতে যাওয়ার কথা রয়েছে সেখানে বিএনপিকে অনুরোধ জানানো হলেও তাঁরা নানান যুক্তি দেখিয়ে নাম প্রস্তাব করা থেকে বিরত রয়েছেন। এর আগে খালেদা জিয়া ব্যক্তিগতভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর কাছে তাঁর উদ্বেগ জানিয়ে চিঠি পাঠান। |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||