http://www.bbcbengali.com

19 নভেম্বর, 2008 - প্রকাশের সময় 15:21 GMT

কঙ্গোতে ইইউ সৈন্য মোতায়েনের আবেদন

আফ্রিকার দেশ গনতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের সামাজিক সংগঠনগুলো আবেদন জানিয়েছে সেদেশের পূর্বাঞ্চলে সহিংসতা বন্ধে যেন ইউরোপীয় সৈন্যদের মোতায়েন করা হয়৻

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং বিশ্ব নেতাদের কাছে পাঠানো এক আবেগঘন বিবৃতিতে ৪৪টি সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী সেখানে ক্ষমতাহীন এবং অতি দ্রুত সেখানে ইউরোপীয় বাহিনী পাঠানো দরকার৻

এই চিঠিটিতে স্বাক্ষর করেছে অন্তত ৪৪টি নাগরিক গোষ্ঠী৻ যাতে আছে নারী সংগঠন থেকে শুরু করে গীর্জায় প্রার্থনায় যোগ দিতে আসা মানুষ পর্যন্ত৻

আবেদনে বলা হয়, লরাঁ এনকুন্ডার নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাবালকদের যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াই করতে বাধ্য করছে, আর সরকারী বাহিনী বিদ্রোহীদের অগ্রাভিযানের মুখে হত্যা, লুটপাট এবং ধর্ষণের মতো কর্মকান্ড চালাচ্ছে৻

চিঠিটিতে বলা হয় তারা উদ্বিগ্ন এবং সম্পূর্ণ আতঙ্কগ্রস্ত, তারা বুঝতে পারছেন না যে কার কাছে প্রার্থনা করতে হবে৻ তাই তারা ইতিমধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আবেদন করেছেন৻

চিঠিটিতে আরো বলা হয়েছে যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরা যারা সেখানে মোতায়েন আছে – তারা অসহায়ভাবে নৃশংসতা প্রত্যক্ষ করে যাচ্ছে, এবং জনগণকে রক্ষা করার ব্যাপারে তাদের ওপর এখন আর নির্ভর করা যায় না৻

চিঠিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সৈন্য মোতায়েন এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা বাড়ানো এবং কিভাবে তারা পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে সে ব্যাপারেও সুনির্দিষ্ট অবস্থান নেবার দাবি জানানো হয়৻

অন্যদিকে বিবিসির সংবাদদাতা মার্ক ডয়েল প্রত্যক্ষদর্শীকে উদ্ধৃত করে জানাচ্ছেন যে বিদ্রোহীরা তাদের আগেকার অবস্থান কিভু প্রদেশের কানিয়াবায়োঙ্গা শহরের আশপাশ থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দক্ষিণে মাবেঙ্গা নামে একটি গ্রামের একটি কৌশলগত সেতুর কাছে সরে গেছে৻

সেখানে টহলরত জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা বলছে তারা অন্যান্য জায়গা থেকেও বিদ্রোহীদের সরে যেতে দেখেছে৻

এর আগে অবশ্য বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে জাতিসংঘের দূত সাবেক নাইজেরিয়ান প্রেসিডেন্ট ওলুসেগুন ওবাসাঞ্জোর আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটা প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল যে সরকারি বাহিনী আক্রমণ বন্ধ করলে তারা তাদের সৈন্যদের প্রত্যাহার করে নিতে পারে৻