|
বাংলাদেশে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে নির্বাচন
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বাংলাদেশে তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ফখরুদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন, এ বছর ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহের যে কোন দিন
দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৻ এরপর এ নিয়ে সকল সংশয়ের অবসান হবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্বাচন
কমিশন ঘোষণা করবে৻
জাতির উদ্দেশ্যে রেডিও-টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, আগামি ২২শে মে থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সরকারের আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু হবে৻ উপরোক্ত দুটি ছাড়াও তার ভাষণে আরো তিনটি মূল বক্তব্য তুলে ধরেন ডঃ ফখরুদ্দিন আহমদ৻ তিনি বলেন, আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে দেশে ঘরোয়া রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে, নির্বাচনের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী জরুরি আইন এবং বিধিবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা যথাসময়ে স্থগিত বা শিথিল করা হবে, এবং নির্বাচনের পূর্বেই সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি জাতীয় সনদ প্রণয়নের প্রয়াস নেয়া হবে৻ এই ভাষণের আগেই সরকারি এক ঘোষণায় ঘরোয়া রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা শর্তসাপেক্ষে শিথিল করা হয়৻ প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে উল্লেখ করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার নির্বাচন এবং সম্ভব হলে উপজেলা নির্বাচন করার পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশন ঘোষনা করেছে৻ প্রাক-সংলাপ আলোচনায় অংশ নেয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিরা নির্বাচন কবে হবে তার সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ
ঘোষণার জন্য দাবি জানিয়েছিলেন৻
এই ভাষণের পর প্রতিক্রিয়ায় প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অন্যতম বিএনপির একাংশের মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেন, তার ভাষণ হতাশ করেছে৻ দু‘নেত্রীর মুক্তি বিষয়ে কিছু বলা হয়নি৻ মিঃ হোসেন বলেন, জাতীয সনদ বা ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা - এসব বিষয় সংসদে করা যেতে পারে৻ তার আগে কে এই চুক্তি করতে যাবে যে কি করা হবে৻ মিঃ হোসেন বলেন, সরকার তার লক্ষ্য পূরণের জন্য সংলাপ করতে চায় এমনটাই মনে হচ্ছে৻ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করার লক্ষ্যে তারা সংলাপকে জরুরি মনে করছে - এমন ভাবার অবকাশ তিনি দেখছেন না বলে মিঃ হোসেন উল্লেখ করেন৻ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, এই ভাষণ জাতিকে হতাশ করেছে৻ শেখ হাসিনা সহ রাজবন্দীদের মুক্তির ব্যাপারে কোন কথা নেই, জরুরি অবস্থা কিভাবে প্রত্যাহার করা হবে তারও কোন কথা নেই৻ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা একটি কথাও বলেননি৻ |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||