|
ঘুর্ণিঝড়ে দুর্গতদের নিয়ে উদ্বেগ
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে বার্মায় ঘুর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকায় যদি দ্রুত আরো ত্রাণ সামগ্রী না পৌঁছোয়
তাহলে বহু দুর্গত মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে৻
দাতব্য সংস্থা অক্সফ্যাম বলছে অবিলম্বে পরিষ্কার জল এবং পয়-নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা গেলে পনেরো লক্ষ মানুষ বিপদে পড়বেন৻ অন্যদিকে, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা জানিয়েছে বার্মার সামরিক সরকার রেঙ্গুন বিমানবন্দরে যে আটত্রিশ টন খাদ্য সামগ্রী আটকে রেখেছিলো, তা বিলি-বন্টন করার অনুমতি তারা পেয়েছে৻ ঘুর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে যারা বেঁচে আছেন তাদের অনেকে এখন ধীরে ধীরে সাময়িক আশ্রয় শিবিরে আসা শুরু করেছেন৻ যারা আসছেন তাদের অনেকে জলের অভাবে ভুগছেন আর বিশেষ করে শিশুরা ডায়রিয়ায় ভুগছে৻ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে বার্মার সরকার যদি বিদেশী সংস্থাগুলোকে ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ এবং বিতরণ করতে না দেয় তবে যারা বেঁচে আছেন তাদের অনেকেই মারা যেতে পারেন৻ এখন অনুমান করা হচ্ছে সম্ভবত: নিহতের সংখ্যা এক লক্ষ৻ বার্মার সরকার অবশ্য বলে মৃতের সংখ্যা ২৩ হাজারের কিছু বেশী৻ জাতিসংঘ বলেছে দুর্গত লোকজনের মধ্যে মাত্র এক চতুর্থাংশ কিছু সাহায্য পেয়েছেন৻ জাতিসংঘ ১৮,৭০,০০,০০০ ডলার সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে৻ |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||