|
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীতে সমাবেশ
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলো যারা , যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের বিচারের দাবী জানানোর মধ্য দিয়ে শুক্রবার পালন করা
হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস৻
মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিতকার মাধ্যমে দিনটির সূচনা হয়৻ রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ এবং প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমেদ সকালে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন৻ দেশটির মুক্তিযোদ্ধাদের সেক্টর কমান্ডারদের আহ্বানে বিকালে পালিত হয় দুই মিনিটের নীরবতা৻ তাঁরা বিকালে রায়েরবাজারের বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধে একটি সমাবেশও আয়োজন করেন৻ রায়েরবজার স্মৃতিসৌধের সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউল্লাহ বলেন যে ছত্রিশ বছর পর কোন অপরাধের বিচার সম্ভব নয় – এমন কথা একেবারেই অযৌক্তিক৻ তিনি দাবী করেন যে রাষ্ট্রকেই এই উদ্যোগ নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে৻ মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক, অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খোন্দকার বলেন যে কোন ব্যাক্তি এককভাবে মামলা করলে তার পক্ষে ৩৬ বছর পর স্বাক্ষ্যপ্রমাণ যথাযথভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভব নাও হতে পারে৻ কিন্তু, রাষ্ট্র এই দায়িত্ব নিলে সুবিচার সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন৻ ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর , বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক –– সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবিদের অনেককেই পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সহযোগীরা ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছিলো৻ এদিন সকালে, মিরপুর এবং রায়েরবাজারের স্মৃতিসৌধ দুটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাধিক্ষেত্রগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও
সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়৻ |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||