BBCBengali.com
BBCHindi.com
BBCNepali.com
BBCSinhala.com
BBCTamil.com
BBCUrdu.com
 
সর্বশেষ আপডেট: 01 জুন, 2006 - প্রকাশের সময় 18:22 GMT
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন ছাপার উপযোগী সংস্করণ
অবরুদ্ধ পুণ্যভূমি ৫ - ইহুদি বসতি তেকোয়া
 

 
 
jewish settlements
শান্তির পথে সবচে বড় বাঁধা এ সব ইহুদি বসতি
ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীরে গত তিন দশকে গজিয়ে উঠেছে কয়েক’শ ইহুদি বসতি৷ ফিলিস্তিনীদের বক্তব্য দখলদারিত্ব স্থায়ী করার ইসরাইলী কৌশল এসব বসতি৷ অন্যদিকে বসতির মানুষের কথা এ জমি স্বয়ং ইশ্বর ইহুদিদের দিয়েছেন ৷

জেরুজালেম থেকে নাবলুস যাওয়ার পথে জেরুসালেমের ফিলিস্তিনী ট্যাক্সিচালক মোস্তফা দেখাচিছলেন মহাসড়কে যে গাড়ী চলছে দু চারটি বাদে সবই ইহুদি বসতির লোকজনের ৷ একেকটি করে বসতি যত বেড়েছে, স্থানীয়দের অর্থাৎ ফিলিস্তিনীদের চলাচল তত নিয়ন্ত্রতি হয়েছে ৷

এক ঘন্টার রাস্তায় কয়েকবার তার নমুনা দেখলাম৷ রাস্তার ওপর সৈন্যদের অস্থায়ী রোডব্লকে তল্লাশির অপেক্ষায় সারি দেয়া ফিলিস্তিনীদের বাস, ট্যাক্সি, কার, ট্রাক ৷ পাশ দিয়ে হুশ হুশ করে বেরিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলী নম্বর প্লেট লাগানো বসতির লোকজনের গাড়ী৷

রাস্তার দুপাশে কিছুক্ষন পর পর ছোট-বড় ইহুদি বসতি দেখাতে দেখাতে মোস্তফা বললেন
কিভাবে দু চার মাসে ফিলিস্তিনী কোন গ্রাম বা শহরের পাশে গজিয়ে যায় এক ইহুদি
বসতি ৷
Settlement map

“প্রথমে দেখবেন হঠাৎ কোত্থেকে দশ বারটি কারাভান এসে এক পাহাড়ের ঢালে ঘাঁটি গেড়ে বসল৷ তারপর দু চার মাস পরে দেখলেন সেখানে ঘর উঠে গেছে ৷ তারপর দাবী করল এ জমি তাদের৻“

কিছুক্ষন পরে সত্যিই দেখলাম পাশের এক পাহাড়ের ওপর সাদা কয়েকটি কারাভান৷ “ঐ দেখুন ওটা শুরু ৷ তারপর শুধু ঐ কয়েকটি কারাভানে পৌছুতে রাস্তা তৈরীর জন্য তারা আশেপাশের কয়েকটি পাহাড় দখল করবে৷ তাদের নিরাপত্তার জন্য ইসরাইলী সৈন্য চলে আসবে,“ বললেন মোস্তফা৻

স্থানীয় ফিলিস্তিনীরা তারপর দেখেন পৃথিবীর নানা দেশ থেকে আসা অজানা অচেনা মানুষ তাদের প্রতিবেশী ৷ বসতি ঘিরে তৈরী হয় কাঁটাতারের বেড়া৻ বেড়ে যায় সৈন্যদের আনাগোনা৻ স্থানীয়দের চলাফেরার ওপর বসতে থাকে নতুন নতুন বিধিনিষেধ ৷ রাস্তায় বসে চেকপয়েন্ট, রোড ব্লক ৷ শুরু হয় স্থানীয় আর বসতির লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা, হামলা, প্রতিহামলা, ধরপাকড় ৷

ইহুদি বসতি তেকোয়া

জেরুসালেম থেকে হেবরন যাওয়ার পথে বেথলেহেমের উপকন্ঠে প্রত্যন্ত এক ইহুদি বসতি তেকোয়া ৷ অনেক যোগাযোগ, অনুরোধের পর সেখানে ঢোকার অনুমতি মিলল ৷ চারপাশে ফিলিস্তিনী গ্রাম৷ বসতির চারদিকে দু পর্দার কাটাতারের বেড়া ৷ চারদিকে পর্যবেক্ষন চৌকি৷ প্রবেশের পথে পাহারায় সৈন্য ৷ একেবারে দূর্গের মত৷ তারপরেও বেশ কয়েকবার এ বসতিতে, বসতির বাসিন্দাদের ওপর ফিলিস্তিনী জঙ্গীরা হামলা করেছে ৷

 আমার ছেলে তার জীবন দিয়ে বলে গেছে ইহুদিরা যেন এ দেশে বসবাস করতে পারে
 
তেকোয়ার বাসিন্দা শেথ ম্যান্ডেল

এরকম এক হামলার শিকার আমেরিকার বস্টন থেকে আসা অভিবাসী শেথ ও শেরি ম্যান্ডেল ৷ ২০০১ এর ৮ই মে ফিলিস্তিনী জঙ্গীদের হাতে নিহত হয় তাদের ১৩ বছরের ছেলে কোবি ৷

বসতির ভেতর লাল টালির ছাদ দেয়া বাঙ্গলো আকৃতির বাড়ীতে বসে শেথ ম্যান্ডেল বললেন তার ছেলের মৃত্যুর কাহিনী ৷ কোবি আর তার বন্ধু ইউসেফ ইসরান সেদিন সকালে হাঁটতে বেরিয়েছিল ৷ বাড়ী থেকে বড় জোর পাঁচশ মিটারের মত দুরে একটি গুহার মত জায়গায় ৪/৫ জন ফিলিস্তিনী জঙ্গী তাদের ঘরে ফেলে ৷
sheri & seth mandel
তেকোয়ার এই দম্পতি ছেলেকে হারিয়েছেন

“পাথর দিয়ে থেতলে মেরেছিল ওদের দুজনকে ৷ চেহারা চেনার উপায় ছিলনা ৷ দাঁত দেখে লাশ সনাক্ত করতে হয়েছিল,“ বললেন শেথ ম্যান্ডেল ৷ বাসে বসা তার স্ত্রীর চোখ দিয়ে পানি ঝরছিল ৷

একসময় তাদের জিজ্ঞেস করলাম বস্টনের নিরাপদ জীবন ছেড়ে এই প্রত্যন্ত বসতিতে এসে ছেলেকে হারানো নিয়ে কোন অনুতাপ হয় কিনা ? দুজনেই বললেন না ৷

শেথ ম্যান্ডেল বললেন কোবির মৃত্যুতে এই মাটির সাথে তাদের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে ৷ “আমার এখন মনে হয় আমার ছেলে তার জীবন দিয়ে বলে গেছে ইহুদিরা যেন এ দেশে বসবাস করতে পারে“৷

ইশ্বরের প্রতিশ্রুত ভূমি

১৯৭২ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সারা পশ্চিম তীর জুড়ে কিনে নেয়া, দখল করা, বাজেয়াপ্ত করা ফিলিস্তিনী জমিতে শ দুয়েক ইহুদি বসতি উঠেছে ৷ এ সব বসতির জনসংখ্যা এখন প্রায় চার লাখ৷

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব বসতিতে কট্টর মনোভাবের প্রাধান্য স্পষ্ট ৷ অধিকৃত এলাকা, বসতি এসব শব্দগুলোতেই তাদের ঘোর আপত্তি ৷ পশ্চিম তীর বলা হচ্ছে যাকে সেটা তাদের কাছে আদি বাইবেলে বর্ণিত জুদেয়া আর সামারিয়া, যে ভূমি স্বয়ং ইশ্বর তাদের দিয়েছেন বলে ইহুদিদের বিশ্বাস৷

 এটা আমার দেশ৷ ইশ্বর আমাকে এই দেশ দিয়েছেন
 
তেকোয়া বসতির এক বাসিন্দা

ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব পুরিমের আবহ সারা তেকোয়াতে সেদিন৷ সবার গায়ে রঙচঙে পোশাক৷ বিভিন্ন বাড়ী থেকে উচু আওয়াজে গান ভেসে আসছে৷ এক বাড়ীর সামনের চত্বরে দেখলাম বেশ কজন তরুন হল্লা করছে৷ ভেতর থেকে ঢোলের সাথে গানের শব্দ৷ তাদের বেশভুসায় বোঝা যায় কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনের ভেতর দিয়ে তারা বড় হচ্ছে ৷ বেনি করা ঝোলানো জুলপি কানের দুপাশে৷ মাথার তালুতে ক্লিপ দিয়ে আটকানো ছোট্ট টুপি ৷

সাংবাদিক শুনে প্রথমে তাদের একটু সন্দিহান মনে হল৷ পরে পুরিম নিয়ে আগ্রহ দেখালে কিছুটা সহজ হল তারা ৷ একজন পুরিমের ইতিহাস শুনিয়ে দিল ৷ ইহুদি ধর্মের গোড়ার দিকে কোন এক শাসক ইহুদিদের নির্মূল করার জন্য যুদ্ধ ঘোষনা করেছিলেন ৷ কিনতু ইশ্বর ইহুদিদের সেই বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলেন ৷ তারই উদযাপন করছে তারা ৷

ধীরে ধীরে ফিলিস্তিনীদের সাথে সংঘাত, এই বসতি নিয়ে বিতর্ক--ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হল তাদের সাথে ৷ অধিকাংশই আমেরিকা থেকে আসা অভিবাসী পরিবারের, একজন বললেল আর্জেন্টিনা থেকে৷

জিজ্ঞেস করলাম প্রধানমন্ত্রী ওলমার্ট বেশ কিছু প্রত্যন্ত ইহুদি বসতি গোটানোর পরিকল্পনা করছেন৷ তেকোয়া তাদের মধ্যে একটি ৷ তারা কি মেনে নেবে ?
purim celebration in tekoa
তেকোয়াতে পুরিম উৎসব

সাথে সাথে একজন তরুন বলে উঠলেন কোনদিন মানব না ৷ “এটা আমার দেশ ৷ ইশ্বর আমাকে এই দেশ দিয়েছেন ৷ অনেক জাতিই অন্যের কাছ থেকে দখল করে তাদের দেশ বানিয়েছে ৷ কিনতু আমাদের এ দেশ ইশ্বরের দেয়া“৷

অন্য একজন বললেন জমি ছাড়ার কোন মানেই হয়না ৷ তার বক্তব্য এখনও সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে আমাদের ওপর ৷ আরো ছাড় দিলে পেয়ে বসবে ফিলিস্তিনীরা ৷

“মনে হচ্ছে আমেরিকার চাপে, আর্ন্তজাতিক চাপে কাদিমা (প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টের দল) জমি ছাড়ার কথা ভাবছে৷ কিন্তু ইসরাইলের উচিত নিজের স্বার্থ দেখা ৷ পৃথিবীর কে কি মনে করল, কি চাইল তাকে গুরুত্ব দিলে চলবে না,“ ঐ তরুন বললেন ৷

জিজ্ঞেস করলাম ফিলিস্তিনীদের সাথে বিরোধ সমাধানে কি ভাবেন তারা ?

প্রথম যে তরুন কথা শুরু করেছিল বলল দেখুন এটা অত্যন্ত জটিল বিষয় ৷ এ বিরোধের সাথে কঠোর ধর্মীয় বিশ্বাসের যোগ রয়েছে ৷ আমাদের প্রজেন্ম এর কোন সমাধান দেখছি না ৷

আর্জেন্টিনা থেকে আসা অভিবাসী তরুনটি বলল সমস্যার গোড়ায় জেরুসালেম ৷ ফিলিস্তিনীরা জেরুসালেমের দাবী ছাড়বে না ৷ আমরাও ছাড়বনা ৷ ফলে সেখানে কিছু হবে বলে মনে হয়না ৷

আমেরিকা থেকে আসা আরেক অভিবাসী তরুন পাশ থেকে বললেন কোন সমাধান নেই৷ “আমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে৷ দেয়াল দিয়েও কোন লাভ হবে না ৷ ফিলিস্তিনীরা দেয়ালের ওপর দিয়ে গুলি চালাবে ৷ কোনভাবেই কিছু হবার নয়৷“

রাবাই ফ্রুম্যান

এই তেকোয়াতেই বসবাস করেন ইসরাইলের একজন সুপরিচিত ধর্মীয় নেতা, রাবাই ফ্রুম্যান ৷ যদিও তিনি বিশ্বাস করেন পশ্চিম তীর ইশ্বর প্রদত্ত ইহুদি ভূমি, তারপরও ফিলিস্তিনীদের সাথে সহাবস্থানে বিশ্বাসী তিনি৷
rabbi fruman in tekoa settlement
রাবাই ফ্রুমান

তার বাড়ীর সামনে দাড়িয়ে সৌম্য মূর্তির এই রাবাই বললেন একবার গাজায় গিয়ে নিহত হামাস নেতা শেখ ইয়াসিনের সাথেও দেখা করেছেন তিনি৷ “আমি সবসময় বলি শান্তির জন্য ইহুদিদের বাড়িয়ে দেয়া হাতের আঙ্গুলগুলো হচ্ছে এ সব বসতি৷“

তাকে বললাম তেকোয়ার মত এসব বসতি যেখানে ফিলিস্তিনীদের দখল করা জমির ওপর তৈরী, সেখানে সহাবস্থান কিভাবে সম্ভব ৷

রাবাই ফ্রুম্যান বললের দেখুন তেকোয়ার মানুষও মনে করে আরবরাই একসময় তাদের জমি দখল করেছিল ৷ তারা বিশ্বাস করে এ জমি ইসরাইলের ৷

“সে কারনেই দুপক্ষের মধ্যে কথা হওয়া উচিত ৷ দুপক্ষকেই মানতে হবে এ জমি কারো নয়, ইশ্বরের ৷ সেটাই শান্তি আর সহাবস্থানের ভিত্তি হতে পারে ৷“

রাবাই ফ্রুম্যান বললেন তিনি বিশ্বাস করেন এ বিরোধের মূলে ধর্ম শক্তভাবে গাড়া এবং ধর্মের ভেতরেই এর সমাধান নিহিত ৷ তার কথা, ধর্মকে সম্মান না করলে কোনদিন শান্তি আসবে না ৷ রাজনীতিকরা সেটা ভুলে যান ৷

 এ বিরোধের মূলে ধর্ম শক্তভাবে গাড়া এবং ধর্মের ভেতরেই এর সমাধান
 
রাবাই ফ্রুমান

রাবাই ফ্রুম্যানের প্রতিবেশী শাইনী সাংগুতস ৷ ৩৫ বছর আগে নিউইয়র্ক থেকে ইসরাইলে আসেন ৷ ২৫ বছর ধরে তেকোয়াতে ৷ কেন নিউইয়র্কের বৈভব ছেড়ে এই যুদ্ধ বিগ্রহের ভেতর এলেন তিনি ? এমনভাবে হাসলেন যেন এ প্রশ্ন তিনি বহুবার শুনেছেন৷

“কারণ আমি একজন ধার্মিক ইহুদি হিসেবে বড় হয়েছি ৷ আমার শিক্ষাই ছিল একজন ইহুদির আসল ঠিকানা হচ্ছে ইশ্বরের দেয়া এই ভূমি৷“

“ছোট থেকেই আমি তাই স্বপ্ন লালন করেছি একজন ইহুদি হিসেবে আমি জীবন যাপন করব ইশ্বরের দেয়া এই ভূমিতে, এখানেই আমার পরিবার হবে, সন্তানেরা বড় হবে৷“

তিনিও কোনভাবেই মানতে রাজী নন এ সব বসতি ফিলিস্তিনীদের সাথে মীমাংসার সামনে বড় একটা সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে ৷

“জমি কোন সমস্যা নয় ৷ তাকিয়ে দেখুন জুদেয়া পাহাড়ে এখনও অনেক ফাঁকা জমি ৷ ফিলিস্তিনী, ইহুদি সবার জন্য তা যথেষ্ট ৷ মূল সমস্যা মূল্যবোধের তফাত ৷ মুসলমানরা কোথায় কার সাথে থাকতে পারছে বলুন ?“

জবরদখল

তেকোয়ার ইহুদিদের কাছে যে ভূমি ইশ্বরের প্রতিশ্রুত, ফিলিস্তিনীদের কাছে তা অন্যায় জবরদস্তি, অবৈধ দখল৷
Plaestinian village
তেকোয়া বসতির পাশের ফিলিস্তিনী গ্রাম

তেকোয়া বসতির ফটক পেরিয়ে একটু এগুলোই ফিলিস্তিনী গ্রাম ৷ এ গ্রামের নামও তেকোয়া৷ এক দোকানের সামনে দাঁড়াতে কৌতুহলী কজন ভীড় করলেন ৷ বসতির কথা তুলতেই কন্ঠে রাজ্যের ক্ষোভ ঢেলে দিলেন৷

স্থানীয় স্কুলের ইংরিজির শিক্ষক আলী বললেন এই সড়কে দুটো স্কুল ৷ বসতির লোকজন এই রাস্তা ব্যাবহার করে ৷ ফলে সারাক্ষন ইসরাইলী সৈন্যদের আনাগোনা, টহল ৷ মাঝে মধ্যে ছাত্রদের সাথে বসতির লোকজনের গন্ডগোল লেগে যায় ৷ নিত্যদিন অশান্তি ৷

প্রৌঢ় ব্যাবসায়ী ইসমাইল বললেন ছোট থেকেই দেখে আসছেন এ পাহাড়ে গ্রামের কৃষকরা চাষবাস করত, ভেড়া চরাত ৷ হঠাৎ একদিন তা দখল হয়ে গেল ৷ বললেন এ বসতি হওয়ার পর তেকোয়ার মানুষের স্বাধীনতা শেষ৷ ৷

 আমাদের সম্পদের, আমাদের পানির, মহাসড়কের মূল নিয়ন্তা এখন বসতির লোকজন
 
মাগদি আব্দুল হাদি, ফিলিস্তিনী বুদ্ধিজীবি

“আপনি ধরুন দোকানে এসেছেন, হঠাৎ সৈন্যরা এসে বলবে এখানে কি? কে বসতির দিকে ঢিল ছুড়েছে বল৷ অবান্তর সব প্রশ্ন ৷ সৈন্যদের না পেরিয়ে এ গ্রাম থেকে পাশের গ্রামে যাওয়া যায়না ৷ কোন স্বাধীনতা নেই৻“

পূর্ব জেরুজালেমের শীর্ষ একজন ফিলিস্তিনী বুদ্ধিজীবী মাগদি আবদুল হাদির কথা ফিলিস্তিনী পশ্চিম তীরের প্রাণশক্তি নষ্ট করা হয়েছে এসব বসতি উঠিয়ে ৷

“পচিশ লাখ ফিলিস্তিনীর মাঝে এখন চার লাখ ইহুদি,“ বললেন মাহদি আব্দুল হাদি৷ “এসব বসতি রক্ষায় প্রতিটি শহর, গ্রাম দেয়াল দিয়ে ঘিরে আমাদের যেন জেলখানায় ভরে ফেলা হচ্ছে ৷“

“আমাদের সম্পদের, আমাদের পানির, মহাসড়কের মূল নিয়ন্তা এখন বসতির লোকজন৷ তাদের রক্ষায় সেখানে সৈন্যরা ৷ তাদের আইন সেখানে ৷ আর ফিলিস্তিনীরা যেন সেখানে একসময়কার দক্ষিণ আফ্রিকার সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠি“৷

 
 
স্থানীয় লিংকস্
সর্বশেষ সংবাদ
 
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন ছাপার উপযোগী সংস্করণ
 
  RSS News Feed
 
BBC Copyright Logo ^^ পাতার শুরুতে
 
  প্রথম পাতা | বিশেষ আয়োজন | অনুষ্ঠান| বেতার তরঙ্গ | আবহাওয়া
 
  BBC News >> | BBC Sport >> | BBC Weather >> | BBC World Service >> | BBC Languages >>
 
  আমাদের সম্পর্কে | যোগাযোগ | সাহায্যের বোতাম | গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিবৃতি