বাংলাদেশেও হতে পারে আইপিএল, বিসিবি প্রস্তুত

  • ১২ মার্চ ২০১৪
ipl
ঢাকায় আইপিএল হলে মাঠে দেখা যেতে পারে শাহরুখ খানের মত বলিউড তারকাদের (ফাইল ফটো)

ভারতে লোকসভা নির্বাচনের কারণে ক্রিকেটের সবচেয়ে দামী টুর্নামেন্ট আইপিএলের বেশ কিছু ম্যাচ ভারতের বাইরে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিসিআই আজ (বুধবার) জানিয়েছে আইপিএল শুরু হবে ১৬ই এপ্রিল। উদ্বোধন সহ প্রথম দিকের ১৬টি ম্যাচ হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত।

বিসিসিআই আজ জানিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের কারণে সবগুলো ম্যাচের নিরাপত্তা দিতে সরকারের অপারগতার কারণে কিছু ম্যাচ দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বোর্ড আরও জানিয়েছে, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না পেলে পহেলা মে থেকে পরের বারো দিনের ম্যাচগুলো বাংলাদেশে করার কথা বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

তবে তার পরের দিকের ম্যাচগুলি অর্থাৎ ১৩ই মে থেকে আইপিএল ভারতে হবে।

এর আগেও নির্বাচনের কারণেই আইপিএল দক্ষিণ আফ্রিকায় সরিয়ে নিতে হয়েছিল।

পহেলা মে থেকে ঢাকায় আইপিএল?

বিসিসিআই চাইছে পুরো ভোটপর্ব শেষ না হলেও পহেলা মে থেকে আইপিএল ভারতে ফিরিয়ে আনতে। যে সব রাজ্যে ভোট ততদিনে হয়ে যাবে, সেসব জায়গায় ম্যাচগুলির আয়োজন করতে চাইছে তারা।

তবে ভোট পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত আইপিএলের জন্য নিরাপত্তা দেওয়া যাবে কি না সে ব্যাপারে ভারতীয় বোর্ডকে এখনো নিশ্চয়তা দেয়নি সেদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিসিসিআই এর সচিব সঞ্জয় প্যাটেল জানিয়েছেন সেই নিশ্চয়তা না পেলে পহেলা মে থেকে পরের বারো দিন আইপিএল বাংলাদেশে করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি এ ব্যাপারে অনেক আগে থেকেই আগ্রহ জানিয়ে আসছে। বিসিবি এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিসিসিআইয়ের এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে।

বিসিবি কর্মকর্তারা ভারতীয় বোর্ডকে জানিয়েছেন, এশিয়া কাপ এবং টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের কারণে বাংলাদেশের অবকাঠামো আইপিএলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে।

এর আগেও ২০০৯ সালের জাতীয় নির্বাচনের জন্যই আইপিএল সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়।

এবারের মত সরকার তখনও বলেছিল ভোটপর্ব চলাকালীন আইপিএলের জন্য প্রয়োজনীয় বিশাল সংখ্যক নিরাপত্তারক্ষীর ব্যবস্থা করা সম্ভব না।

ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলির মালিক এবং বিজ্ঞাপনদাতারা অখুশি হলেও আইপিএল তখন সরাতে হয়েছিল।

এবারেও দলের মালিকরা বা বিজ্ঞাপনদাতার বলছেন, ভারত থেকে টুর্নামেন্ট কিছুটাও যদি সরে যায় তাহলে আর্থিক ক্ষতি হবে।

জানা গেছে বিদেশী খেলোয়াড়দের নিশ্চিত করতে আইপিএল পিছিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।