BBC navigation

ক্রিকেটের সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আইসিসির সভা

সর্বশেষ আপডেট মঙ্গলবার, 28 জানুয়ারি, 2014 11:42 GMT 17:42 বাংলাদেশ সময়
icc

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কাঠামোতে সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন আনার জন্য আইসিসিতে নতুন যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তা নিয়ে আজ দুবাইতে আইসিসির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়েছে।

এই সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, কারণ এতে টেস্ট ক্রিকেট খেলে এমন দেশগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব আছে - যার ফলে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে সহযোগী দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে টেস্ট খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

তবে ভারত, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া এই তিনটি দেশের টেস্ট মর্যাদা স্থায়ী থাকবে, তাদের কখনো রেলিগেশন হবে না। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের নতুন ক্ষমতা কাঠামোতে এই তিনটি দেশের থাকবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা, কারণ তারাই ক্রিকেট থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ আয় করে।

তবে এই প্রস্তারগুলো পাস করার জন্য আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১০টির মধ্যে অন্তত সাতটি দেশের ভোট পেতে হবে। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী চারটি দেশ - শ্রীলংকা, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং বাংলাদেশ - স্পষ্টতই এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই চারটি দেশের ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধিরা প্রস্তাবগুলো নিয়ে আরো আলোচনার কথা বলছেন।

ক্রিকিনফো এবং জিও নিউজ জানাচ্ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের জাকা আশরাফ কয়েকটি টিভি চ্যানেলকে বলেছেন, চারটি দেশ এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

টেস্ট ক্রিকেট

টেস্ট ক্রিকেট

টেস্ট ক্রিকেটের কাঠামোগত সংস্কার করার যে প্রস্তাব করা হয়েছে তাতে বলা হচ্ছে, আইসিসির পূর্ণ সদস্যপদ ১০টি হলেও টেস্ট ক্রিকেট খেলবে মূলত আটটি দেশ।

বাকি দুটি দেশ টেস্ট খেলতে পারবে তবে সে সুযোগ পেতে হলে তাকে সহযোগী সদস্য দেশগুলোর সাথে একটি চারদিনের ক্রিকেটের টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। বলা যায় টেস্ট ক্রিকেটে চালু হচ্ছে রেলিগেশন প্রথা ।

ফলে সংশয় দেখা দিয়েছে - নতুন ব্যবস্থা অনুমোদিত হলে র‍্যাংকিংএর ৯ আর ১০ নম্বরে থাকা বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে আদৌ টেস্ট খেলতে পারবে কিনা।

প্রস্তাবগুলোতে আরো আছে যে আইসিসির নতুন নির্বাহী কমিটির তিনটি স্থায়ী সদস্য হবে ভারত, অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির যে কোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাদের ক্ষমতাই হবে সবচাইতে বেশি। এই তিনটি দেশের থাকবে ভেটো ক্ষমতা এবং স্থায়ী টেস্ট মর্যাদা।

আন্তজাতিক কিকেট সিরিজগুলোর সময়সুচিও আর আইসিসি তৈরি করবে না। সময়সুচি ঠিত করবে দেশগুলো নিজেরাই, দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে।

অর্থাৎ বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের সাথে অন্য কোন দেশ টেস্ট খেলতে না চাইলে তারা টেস্ট খেলার সুযোগ পাবে না। ৫০ ও ২০ ওভারের আন্তজাতিক ক্রিকেট খেলেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে তাদের।

বাংলাদেশে আর জিম্বাবুয়েকে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে হলে সহয্গেী দেশগুলোর সাথে একটি টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়ে সে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

আইসিসির অর্থ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি ওয়ার্কিং গ্রুপের তৈরি এই প্রস্তাবগুলো সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হবার পরই ক্রিকেট বিশ্বে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻