বাংলাদেশে মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ, গ্রেনেড উদ্ধার, চারজন আটক

  • ৭ অক্টোবর ২০১৩
পুলিশের বিশেষজ্ঞ দল গ্রেনেড বানানোর প্রচুর সরঞ্জাম উদ্ধার করে

বাংলাদেশে পুলিশ বলছে, তারা চট্টগ্রামের এক মাদ্রাসায় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি তাজা গ্রেনেড এবং গ্রেনেড তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।

চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় অবস্থিত জামিয়াতুল উলুম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসায় সোমবার সকালে এক বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

পুলিশ অনির্দিষ্টকালের জন্য মাদ্রাসাটি বন্ধ করে ছাত্রাবাস খালি করে দেবার নির্দেশ দিয়েছে।

বিস্ফোরণের পর পুলিশ মাদ্রাসাটি ঘিরে ফেলে সেখানে তল্লাশি চালায় এবং বিস্ফোরকের সন্ধান পায়।

বিস্ফোরণে আহত দু’জনসহ পুলিশ চারজনকে আটক করেছে।

সোমবার রাত পর্যন্ত তল্লাশি অব্যাহত ছিল, এবং পুলিশ ধারনা করছে এই ঘটনার সাথে নাশকতার পরিকল্পনা জড়িত থাকতে পারে।

‘’আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতার পরিকল্পনা হয়ে থাকতে পারে। অন্যান্য মাদ্রাসায় যাতে এরকম কিছু না হয়, সেদিকে নজর রাখা হবে’’, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান পুলিশের উপ-কমিশনার হারুন-উর রশিদ হাজারি বিবিসি বাংলাকে বলেন।

তিনি বলেন মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি ইজাহারুল ইসলামকে খোঁজ করা হচ্ছে। মুফতি ইজাহার নেজামে ইসলাম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির।

তবে মুফতি ইজাহারের পুত্র মুফতি হারুন ইজাহার বার্তা সংস্থা বিডিনিউজ২৪ডটকমকে বলেছেন, একটি ইউপিএস-এ বিস্ফোরণ হয়েছিলো বলে তিনি শুনেছেন।

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ এবং আটকের ঘটনা আসে ঢাকায় পুলিশ অভিযানে চারজন সন্দেহভাজন লোককে আটকের পর।

পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব বলছে, তারা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হারকাতুল জিহাদের চারজন সদস্যকে ঢাকার কাছে আটক করেছে।

আটকদের মধ্যে ২০০৫ সালের ১৭ই অগাস্ট বোমা হামলার একজন পলাতক আসামী রয়েছেন বলে র‍্যাব জানিয়েছে।

রোববার রাতে অস্ত্র এবং বিস্ফোরকসহ দু’জনকে ঢাকার উত্তরা থেকে আটক করা হয়। অন্য দু’জনকে ধরা হয় আশুলিয়া থেকে।

র‍্যাবের একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে, আটক চারজনের কাছ থেকে এসএমজির ১,১০০ রাউন্ড গুলি, পিস্তলের ৩২টি গুলি এবং এক কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।