“সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যাবহারের প্রমাণ মিললে পরিণতি ভয়াবহ”

  • ২৫ অগাস্ট ২০১৩
130823104554_syria_chemical_304x171_reuters_nocredit.jpg

রাজধানী দামেস্কের কাছে হাউদা নামে শহরে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যাবহারের ঘটনার পর, যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন হুমকি দিয়েছে, যদি এই হামলার পেছনে সরকারের হাত রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়, তার পরিণত হবে ভয়াবহ।

প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্যামরন গতকাল ৪০ মিনিট ধরে টেলিফোনে কথা বলেছে।

তার আগে গতকালই প্রেসিডেন্ট ওবামা পরামর্শের জন্য তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সাথে বৈঠক করেছেন।

এর পরপরই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী চাক হেগেল বলেন যে কোন পরিস্থিতির জন্য পেন্টাগন প্রস্তুত

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন যে কোন জরুরী পরিস্থিতির জন্য নানা বিকল্প নিয়ে প্রস্তুত থাকতে প্রেসিডেন্ট ওবামা তার দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এসব বিকল্পের যে কোনটি প্রেসিডেন্ট যদি বাস্তবায়ন করতে বলেন, আমরা প্রস্তুত।

কিন্তু পাল্টা হুমকি শোনা গেছে সিরিয়ার সরকার এবং সিরিয়ার প্রধান মিত্র ইরানের কাছ থেকে।

লেবাননের এক টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে সিরিয়ার তথ্যমন্ত্রী ওমরান জোয়াবি সাবধান করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কোন ধরনের সামরিক ব্যবস্থা নিলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

তিনি বলেন, এর ফলে পুরো অঞ্চলে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।

আর ইরানের সেনাবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কম্যান্ডার বলেছেন, সিরিয়াতে যদি আমেরিকা, তার ভাষায়, লাল লাইন অতিক্রম করে, তার পরিণতি হবে ভয়ঙ্কর।

সিরিয়ায় যে রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যাবহার হয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক আর কেউ এখন করছে না।

কিন্তু বিতর্ক হচ্ছে কে সেটা করেছে তা নিয়ে।

সিরিয়ার সরকার এবং বিদ্রোহীরা পরস্পর পরস্পরকে দায়ী করছে।

সরকার বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে লড়াইতে হারতে হারতে মরিয়া হয়ে বিদ্রোহীরা রাসায়নিক অস্ত্র ব্যাবহার করেছে।

রাশিয়াও এই বক্তব্যকে সমর্থন করছে।

আর লেবানন থেকে বিবিসির জিম মিউয়ার বলছেন, মুখে হুমকি ধামকি দিলেও, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে জড়ানোর ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা এখনও খুব উৎসাহী নন।