BBC navigation

হরতাল রোখার ডাক রায়েরবাজার থেকে

সর্বশেষ আপডেট শনিবার, 23 ফেব্রুয়ারি, 2013 16:50 GMT 22:50 বাংলাদেশ সময়
rayerbajar_shahbag

রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শনিবারের সমাবেশ (ছবি :ফোকাসবাংলা)

বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আন্দোলনরত শাহবাগের বিক্ষোভকারীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী শনিবার বিকেলে ঢাকার রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতি সৌধে সমাবেশ করেছে।

এই আন্দোলনকারীরা বলছেন যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তারা এখনো অনড়। এছাড়া তারা আরও দাবি করেছেন কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান নয়।

শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের উদ্যোক্তাদের আয়োজনে শাহবাগের বাইরে এটিই ছিল প্রথম সমাবেশ।

বিকেল তিনটায় সমাবেশের কথা থাকলেও বেশ আগে থেকেই হাতে পতাকা নিয়ে মিছিল করে দলে দলে লোক আসতে থাকে রায়ের বাজারের বধ্য ভূমিতে। হাজারো মানুষের ভিড়ে চলে প্রতিবাদী গান, কবিতা আর স্লোগান।

স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই হাজার হাজার মানুষের সমাগমে পরিপূর্ন হয়ে পড়ে বধ্যভূমি স্মৃতি সৌধ চত্বর।

শাহবাগের আন্দোলনের যোগ দেওয়া বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাদের বক্তব্যের পর সমাবেশের বক্তৃতায় ব্লগার্স অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার আগামিকাল রবিবার বিভিন্ন ইসলামী দলের ডাকা হরতাল প্রতিহত করার আহবান করেন।

"কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অবস্থান নেই। বরং ধর্ম ব্যবসায়ী জামায়াত শিবিরের অপরাজনীতি বন্ধেই আমাদের এই সংগ্রাম"

ইমরান এইচ সরকার, শাহবাগ আন্দোলনের অন্যতম আয়োজক

মি সরকার সেখানে বলেন, ‘‘প্রতিটি গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও পাড়া মহল্লায় আপনারা জামায়াত শিবিরের হরতাল বিরোধী মিছিল নিয়ে নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। জামায়াত শিবিরকে এক ইঞ্চিও জায়গা ছেড়ে দেবেন না। ’’

মি সরকার আরও বলেন শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ঢাকা-সহ সারা দেশে যে তান্ডব হয়েছে তার জন্য দায়ী তারাই যারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চায়। কিন্তু শাহবাগের আন্দোলন কোনও ধর্মের বিরেুদ্ধে নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তাঁর কথায়, ‘‘এই গণজাগরণ মঞ্চ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অনড়। কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অবস্থান নেই। বরং ধর্ম ব্যবসায়ী জামায়াত শিবিরের অপরাজনীতি বন্ধেই আমাদের এই সংগ্রাম।’’

ঠিক এ কারণেই দেশের সব ধর্মপ্রাণ মানুষ তাদের আন্দোলনে যোগ দিয়ে সংহতি প্রকাশ করেছেন বলে সংগঠকরা দাবি করেন।

সমাবেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি আদায় না-হওয়া পর্যন্ত ঘরে না ফেরার শপথ পড়ানো হয়।

এছাড়া শুক্রবার মসজিদ থেকে যারা সংঘর্ষের সূত্রপাত করেন তাদের শরিয়া আইনে বিচারেরও দাবি তোলা হয়।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻