BBC navigation

রাজবাড়িতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যা

সর্বশেষ আপডেট সোমবার, 14 জানুয়ারি, 2013 16:07 GMT 22:07 বাংলাদেশ সময়
মানচিত্র: রাজবাড়ি জেলা, বাংলাদেশ

মানচিত্র: রাজবাড়ি জেলা, বাংলাদেশ

বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলীয় জেলা শহর রাজবাড়িতে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েই একজন তরুণ একই শিশুকে ধর্ষণ এবং হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ বলছে, পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলায় একজন তরুণ জেলে গিয়েছিলো ।

ছয় মাসের মতো জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেয়ে ঐ তরুণ একই শিশুকে এবার ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

দিনমজুর বাবার সংসারে শিশু কন্যাটি স্কুলে যাওয়া শুরু করেছিল মাত্র। ঐ সংসারে আরেকটি শিশু সন্তানের এখনও স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়নি।

তাদের মামা ওয়াহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরই এলাকার মানুষ তার ভাগ্নিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। একইসাথে ঐ তরুণ ধরা পড়ে এলাকার মানুষের হাতে।

মি. ইসলাম বিবিসিকে বলেন, ''তার বোন, অর্থ্যাৎ শিশুটির মা, প্রতিদিন স্কুলে আনা নেওয়া করতো। ঘটনার দিন রোববার সকালে মা তার মেয়েকে স্কুলে দিয়ে এসেছিলেন। সকাল ১০টার দিকে স্কুল ছুটির সময় মা স্কুলে যেতে দেরি করেছিলেন।

কিন্তু শিশুটিকে কোথাও পাওয়া না গেলে খোঁজাখুজি শুরু হয়। তখন গ্রামের মানুষ বাঁশঝাড় থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং ধরে ফেলে ঐ তরুণকে।

ধর্ষণসহ নানা ধরনের নারী নির্যাতনে বিরুদ্ধে বিক্ষোভ গাইবান্ধায়

ধর্ষণসহ নানা ধরনের নারী নির্যাতনে বিরুদ্ধে বিক্ষোভ গাইবান্ধায়

পুলিশ ঐ তরুণকে তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আদালতে হাজির করা হলে বিচারকদের কাছে ঐ তরুণ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

এই তরুণের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আগের মামলা রয়েছেই। এখন নতুন করে ধর্ষণ এবং হত্যা মামলা করা হয়েছে।

রাজবাড়ী শহরের থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এবং ছেলেটিও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তা থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ১৮ বছর বয়সী তরুণ ঐ শিশুকে বাঁশঝাড়ে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং তারপর শ্বাসরোধ করে হত্যাকান্ড ঘটায়।

শিশুটির মৃতদেহের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হয়েছে।

এলাকাটিতে বিক্ষুব্ধ মানুষ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে এই ঘটনার আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে স্থানীয় লোকেদের অনেকে জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻