BBC navigation

পশ্চিম তীরে ছয় বছর পর নির্বাচন

সর্বশেষ আপডেট রবিবার, 21 অক্টোবর, 2012 02:26 GMT 08:26 বাংলাদেশ সময়

পশ্চিম তীরের এই নির্বাচনটি নির্ধারিত সময়ের দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

west bank election

পশ্চিম তীরের ভোট গ্রহণ

আর সেটি শুধুমাত্র পশ্চিম তীরেই অনুষ্ঠিত‌ হচ্ছে, গাজাতে হচ্ছে না।

প্রধান দুটি দলের মধ্যে একটি দল, হামাস এই নির্বাচনে অংশগ্রহন করছে না।

ভোটের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে মূল সমস্যাটি হচ্ছে পশ্চীম তীরের ক্ষমতায় থাকা ফাতাহ আর গাজার ক্ষমতায় থাকা হামাসের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্বের কারণে।

যদিও অনেকদিন যাবতই দল দুটি নিজেদের মধ্যকার বিভেদ মিটিয়ে ফেলার কথা বলছে।

কিন্তু সেটি এখনো হয়নি।

তবে এ নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েন ফিলিস্তিনী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

তিনি বলছিলেন এটা একটা খুশির দিন।

১৯৯৬ সাল থেকে যে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রয়েছে সেটাই ফিলিস্তিন আবার নিশ্চিত করলো।

এবং আমি আশা করছি এই নির্বাচনটি কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়া সুষ্ঠ ও স্বচ্ছতার সাথে অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে হামাস এই নির্বাচনকে বর্জন করেছে।

দলটি বলছে নির্বাচন হওয়ার আগে প্রথমে রাজনৈতিক সমন্বয়সাধন করা দরকার।

তবে কিছু এলাকার ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী।

রামাল্লার একজন ভোটার বলছিলেন স্থানীয় নির্বাচন হল একটি কমিউনিটি তৈরি করার প্রথম ধাপ।

তাই আমাদের যদি একটা ভাল মেয়র থাকে তাহলে আমরা ভাল শহর তৈরি করতে পারবো ।

আর এভাবেই ধাপে ধাপে দেশের উন্নতি হবে।

খবরে বলা হচ্ছে অর্ধেকের বেশি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী না থাকায় কোন ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

অনেক শহর এবং গ্রামে ফাতাহ একমাত্র দল যারা ভোটে দাঁড়িয়েছে।

আর তাই পশ্চিম তীরের অধিবাসীদের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে কোনও উচ্ছ্বাস নেই।

তাদের অনেকেই এ নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থার একটি নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

২০০৭ সালে ফিলিস্তিনের সাধারণ নির্বাচনে জিতে গাজার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে হামাস।

২০০৫ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেয় ইসরায়েল, কিন্তু এলাকাটির চারদিক ঘিরে রেখেছে তারা।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻