BBC navigation

শাওনকে হুমকির অভিযোগে ডাক্তার আটক

সর্বশেষ আপডেট সোমবার, 15 অক্টোবর, 2012 16:11 GMT 22:11 বাংলাদেশ সময়
হুমায়ূন আহমেদ

হুমায়ূন আহমেদ

বাংলাদেশের প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমাযুন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে ফেসবুকে হুমকি দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকায় একজনকে আটক করেছে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‍্যাব।

ফেসবুকে একটি গ্রুপ তৈরি করে গত প্রায় তিন মাস ধরে শাওন ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে কুরুচিপুর্ন মন্তব্য করার অভিযোগও করেছেন অভিনেত্রী শাওন।

''এধরনের ঘটনার যারা ঘটিয়েছেন তারা অপরাধ করছেন'' উল্লেখ করে র‍্যাবের মুখপাত্র এম সোহায়েল তাদের বিরুদ্ধে আইসিটি আইন ২০০৬ এর আওতায় মামলা করার কথা জানান।

ফেসবুকের যে গ্রুপটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই গ্রুপের ওয়াল গিয়ে দেখা যায় তার নামটিই মেহের আফরোজ শাওনের বিরুদ্ধাচরণ করে লেখা হয়েছে।

এ খবর লেখা পর্যন্ত ওই পেজটিতে ১৪শর বেশি সদস্য ছিলেন যারা সবাই পেজের লাইক বাটন চেপে গ্রুপের সদস্য হয়েছেন। ফেসবুক পেজটিতে প্রচুর মন্তব্যও করেছেন তারা।

সোমবার সন্ধ্যার পর পর করা বেশ কয়েকটি মন্তব্য দেখা যায় গ্রুপ সদস্যদের ওই পেজের সব কিছু নিজের কাছে একটি কপি করে রাখতে বলা হয়েছে এবং আগামীতে ওসব দিয়ে নিজেদের একটি করে পেজ তৈরিরও অনুরোধ করা হয়েছে।

দলের একজন মডারেটরকে র‍্যাব আটক করেছে সে বিষয়ে বাংলাদেশের একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের খবর সেখানে শেয়ার করা হয় ঐ ওয়ালে।

এছাড়াও পেজটি ভর্তি ছিল প্রয়াত লেখক হুমায়ুন আহমেদ এবং তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনের অসংখ্য ছবিতে যেগুলোর অধিকাংশই তাদের পারিবারিক অ্যালবামের ছবি বলেই মনে হয়েছে। এসব ছবির সাথে অধিকাংশ মন্তব্য বেশ আক্রমনাত্মক। এ গ্রুপটি তৈরি করা হয়েছে চলতি বছর ২৪শে জুলাই তারিখে।

ফেসবুক গ্রুপটির অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মেহের আফরোজ শাওনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকায় একজন ডাক্তারকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। সোমবার র‍্যাবের এক সংবাদ সম্মেলনে শাওন উপস্থিত হন, এবং সাংবাদিকদের জানান, এ গ্রুপটির মাধ্যমে তাকে হুমকিও দেয়া হয়েছে।

স্বামীর সাথে মেহের আফরোজ শাওন

স্বামীর সাথে মেহের আফরোজ শাওন

র‍্যাবের মুখপাত্র এম. সোহায়েল জানান, ফেসবুকে এধরনের হুমকি দেয়ার বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতাও বেড়েছে।

তিনি এর আগে পাওয়ার বেশ কিছু অভিযোগের ব্যাপারের তাদের আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার কথাও জানান।

মি. সোহায়েল জানান, সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ যদি কারো থাকে তাহলে তিনি নিকটস্থ থানা অথবা র‍্যাব অফিসে অভিযোগ জানালে তারা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা বিটিআরসির বেশ ক'জন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশে এধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মোট তিনটি আইন রয়েছে -- টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন আইন ২০০১, আইসিটি অ্যাক্ট ২০০৬ এবং পর্নোগ্রাফি আইন ২০১২।

এসব আইনে ইন্টারনেট এবং ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে হুমকি দেয়া, অশ্লীলতার প্রচার বা কারো বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচার অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

একই ধরনের খবর

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻