BBC navigation

উপকূলীয় ঝড়ে নিহত ২৩

সর্বশেষ আপডেট বৃহষ্পতিবার, 11 অক্টোবর, 2012 17:05 GMT 23:05 বাংলাদেশ সময়
চরফ্যাশনে ঝড়ের তান্ডব।

চরফ্যাশনে ঝড়ের তান্ডব।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় তিনটি জেলায় বৃহস্পতিবার সকালে এক আকস্মিক ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭শে।

উপকুলীয় ভোলা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের জেলা কর্তৃপক্ষ বলছে, যদিও সেখানে আগে থেকেই তিন নম্বর সতর্কবার্তা ছিল, কিন্তু একটি ঝড় আসতে যাচ্ছে এরকম কোন তথ্য তাদের কাছে ছিল না।

কর্তৃপক্ষ বলছে, তিনটি জেলায় ঝড়ে ২০ হাজারের মতো বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অনেক জেলে।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার বাসিন্দা ফিরোজ উদ্দিন বিবিসিকে জানান, রাত দুটা থেকে ঝোড়ো বাতাস বইতে শুরু করে। এর কিছু পর থেকে ঝড়টি এসে আঘাত করতে শুরু করে।

আক্রান্ত তিনটি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে নোয়াখালী জেলা। কর্তৃপক্ষ বলছে, আগাম তথ্য না থাকার কারণে সেখানকার বাসিন্দাদের সতর্ক করার কোন সুযোগই তারা পাননি।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম বিবিসিকে বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝড়ে তার জেলাতেই ১৬জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ১৫০০০ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

এখনো অনেক জেলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, এরকম একটি শক্তিশালী ঝড় সেখানে আঘাত করতে যাচ্ছে, তাদেরকে এর ওপর কোন সতর্কবার্তা কোন দপ্তর বা সংস্থার পক্ষ থেকেই জানানো হয়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, সাগরে একটি লঘুচাপ মঙ্গলবার থেকেই তারা পর্যবেক্ষণ করে আসছিলেন। কিন্তু এটি বুধবার রাতে নিম্নচাপে পরিণত হয়।

তাদের দাবি, এই সতর্কবার্তাও তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বিবিসিকে বলেন, বর্ষাকাল শেষ হওয়ার সময়ে এরকম ঝড়ের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

সাগরে একটি লঘুচাপ শনাক্ত করে মঙ্গলবার থেকেই তারা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছিলেন।

এই ঝড়টিই উপকুলের কাছাকাছি এসে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻