
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে আজ সব সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে এক শান্তি মিছিল বের করা হয়। স্থানীয় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে যোগ দেন কয়েক হাজার মানুষ।
পাহাড়ি ও বাঙ্গালিদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে মিছিল সমাবেশ নিষিদ্ধ করে যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল, তা সোমবার সন্ধ্যায় তুলে নেয়া হয়। এরপর শহরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ।
উল্লেখ্য দুজন কলেজ ছাত্রের মধ্যে মারামারির জের ধরে রাঙামাটি শহরে পাহাড়ি ও বাঙ্গালিদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছিল। এরপর গত কদিন ধরে রাঙামাটির পরিস্থিতি ছিল খুবই উত্তেজনাপূর্ণ।
মঙ্গলবার শহরে যে শান্তি মিছিল হয় তাতে সব রাজনৈতিক দলের নেতারাই অংশ নেন। এই মিছিল শেষে রাঙামাটির জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বৈঠক হয়।
ঐ বৈঠকে শহরে শান্তি বজায় রাখতে প্রতিটি মহল্লায় সব সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে শান্তি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়।
এ ছাড়া গত কয়েকদিনের ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করেছে।
শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এখনো নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমতল থেকে আসা বাঙ্গালিদের মধ্যে সংঘাত নতুন নয়। পাহাড়িদের একটি সংগঠন জনসংহতি সমিতি এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে সশস্ত্র সংগ্রামও চালিয়েছে।
১৯৯৭ সালে জনসংহতি সমিতি সরকারের সঙ্গে এক শান্তি চুক্তির পর অস্ত্র সমর্পন করে। কিন্তু জনসংহতি সমিতির নেতারা অভিযোগ করে আসছেন যে সরকার সেই চুক্তির অনেক অংশই এখনো পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি।
















