BBC navigation

সিরিয়ার বিরোধীদের জন্য ব্রিটেনের বাড়তি সাহায্য

সর্বশেষ আপডেট শুক্রবার, 10 অগাষ্ট, 2012 13:25 GMT 19:25 বাংলাদেশ সময়
rebel_afp

সিরিয়ার বিদ্রোহীরা (ছবি : রয়টার্স)

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ আজ সিরিয়ার বিরোধীদের প্রায় আশি লক্ষ ডলারের অতিরিক্ত সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন, তবে এর মধ্যে কোনও অস্ত্রশস্ত্র থাকছে না।

তিনি যুক্তি দিচ্ছেন, সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট আসাদ সরকারের পতন প্রায় অনিবার্য – ফলে তার পরে কী হবে সে নিয়ে সে দেশের বিরোধীদের সঙ্গে কাজ করাটা জরুরি।

এই কারণেই ব্রিটেন সিরিয়ার মানুষ ও রাজনৈতিক বিরোধীদের প্রতি সহায়তার পরিমাণ এতটা বাড়াচ্ছে বলে মি হেগের বক্তব্য।

সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিরূপণে যেহেতু অন্যদের সাথে ফ্রি সিরিয়ান আর্মির একটা বড় ভূমিকা থাকবে বলে ব্রিটেন মনে করছে, তাই তাদের নেতৃত্বর সাথে ব্রিটেন যোগাযোগ বাড়াচ্ছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান।

মি হেগ আরও বলেন, ‘যেহেতু কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি হচ্ছে না, তাই ব্রিটেন আরও বেশি কিছু করতে চাইছে। সিরিয়ার মানুষ ও বিরোধীদের প্রতি আমরা যে সহায়তা সম্প্রসারিত করছি, তাতে অস্ত্র নয় এমন খাতে বাড়তি পঞ্চাশ লক্ষ পাউন্ড আমরা বরাদ্দ করেছি।’

William Hague

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়. ‘এর মাধ্যমে সহিংসতা যেথানে সবচেয়ে তীব্র, সেখানে নিরস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠী, মানবাধিকার কর্মী বা বেসামরিক মানুষরা রক্ষা পাবেন।’

তবে সিরিয়াতে ঠিক কোন কোন বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে ব্রিটেন এখন আলোচনা চালাচ্ছে তা জানাতে মি হেগ অস্বীকার করেন – কারণ তাদের নাম প্রকাশিত হলে সিরিয়াতে তাদের জীবন বিপন্ন হতে পারে।

তিনি অবশ্য এটাও জোর দিয়ে বলেন যে ব্রিটেন কোনওভাবেই বিদ্রোহীদের সামরিক পরামর্শ দেবে না বা অস্ত্র জোগাবে না।

কিন্তু তারা যে সব সহায়তা দিচ্ছে তার মধ্যে থাকবে সুরক্ষা-বর্ম, প্যারামেডিক ট্রমা কিট এবং আহতদের শুশ্রূষার সরঞ্জাম এবং অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট ফোন-সহ অন্যান্য যোগাযোগ উপকরণ।

ব্রিটেনের যুক্তি, এর ফলে সিরিয়ার মানুষের জীবন সে দেশের সরকারের দয়ার ওপর শুধু নির্ভর করবে না – এবং এতে বহু প্রাণ হয়তো বাঁচানো যাবে।

rebel_afp

লড়াই চলছে আলেপ্পোতে

এদিকে ব্রিটেন যেদিন তাদের এই বাড়তি সহায়তার কথা ঘোষণা করল, সেদিনই জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, সিরিয়ার সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীর সংখ্যা যেভাবে ক্রমশই বাড়ছে তাতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদের বেশির ভাগই আসছেন দেশের বৃহত্তম নগরী, যুদ্ধবিধ্বস্ত আলেপ্পো শহর থেকে - যেখানে এদিনও তীব্র লড়াই চলছে।

সিরিয়ার প্রতিবেশী চারটি দেশে ইউএনএইচসিআরের নথিভুক্ত সিরিয়ান শরণার্থীর সংখ্যাই এখন দেড় লক্ষ – এর বাইরেও আছেন আরও বহু।

এদিকে এ মাসের শেষে সিরিয়া সঙ্কটের জন্য জাতিসংঘ ও আরব লীগের নিযুক্ত শান্তিদূত কোফি আনান যখন সরে যাবেন, তখন সেই পদে তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে বর্ষীয়ান আলজিরিয়ান কূটনীতিক লাখদার ব্রাহিমি দায়িত্ব পেতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

সম্পর্কিত বিষয়

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻