লন্ডন অলিম্পিকসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরের দিন অর্থাৎ শনিবার শুরু হয় শ্যুটিং।
শুরুতেই ছিল মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল, যে ইভেন্টে লড়তে বাংলাদেশের শ্যুটার শারমিন আক্তার রত্না গত তিন মান ধরে লন্ডনের কাছে একটি রেঞ্জে অনুশীলন করেছেন।
কিন্তু ফাইনালের জন্য কোয়ালিফাইং রাউন্ডে অংশ নেওয়া ৭০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে রত্নার জায়গা হয় ২৭।
চল্লিশটি শট মেরে মোট ৪০০ পয়েন্টের মধ্যে তার স্কোর দাঁড়ায় ৩৯৩।
"অজুহাত দিতে আর ভালো লাগেনা"
শারমিন আক্তার রত্না
প্রতিযোগীদের অনেকেই পুরো ৪০০ স্কোর করেছেন।
তার ফলাফলে শারমিন আক্তার রত্নাকে হতাশ দেখিয়েছে।
কেন ফলাফল এমন হল? রয়্যাল আর্টিলারি ব্যারাকের শ্যুটিং অডিটোরিয়ামে কণ্ঠে হতাশা নিয়ে তিনি বিবিসি বংলার শাকিল অনোয়ারকে বলেন, "জানি না কেন হল"।
"অজুহাত দিতে আর ভালো লাগেনা।"
হতাশ শুনিয়েছে রত্নার কোচ শোয়েব-উজ-জামানকেও।
"মানসিক চাপটা সে বোধ সামলাতে পারেনি"
শোয়েব উজ জামান, কোচ
"গত তিন মাসে অনুশীলনের সময় রত্না নিয়মিতভাবে ৩৯৭ স্কোর করেছে। অথচ আজ সে করল ৩৯৩। এত খারাপ সে অনুশীলনের সময়ও করেনি।"
কারণ কি হতে পারে, জানাতে চাইলে কোচ মি জামান বলেন, "শুরুতেই মানসিক চাপটা সে বোধ হয় সামলাতে পারেনি।"
কোচ জানান, চাপ সামলানোর কায়দা যাতে রত্না করতে পারে তার জন্য বেশ কিছুদিন ধরে একজন ইংরেজ মনস্তত্ববিদ তাকে পরামর্শ দিয়েছেন।
ইংল্যান্ডে অনুশীলনের সময় বিশ্বমানের কোন কোচ নিয়োগে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। দেশের কোচই এখানে তাকে অনুশীলন করিয়েছেন।
ফলে এতদিন বিদেশে রেখে প্রশিক্ষণ দিয়ে কতটা লাভ হয়েছে, শনিবারের ফলাফলের পর তা নিয়ে হয়ত প্রশ্ন উঠবে।



















