BBC navigation

লিবিয়ার নির্বাচনের প্রশংসায় পর্যবেক্ষকরা

সর্বশেষ আপডেট রবিবার, 8 জুলাই, 2012 02:40 GMT 08:40 বাংলাদেশ সময়
লিবিয়া নির্বাচন

বিভিন্ন রং-এর পতাকা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসেন অনেকে

প্রায় ৫০ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া লিবিয়ার প্রথম জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে। ভোট চলাকালীন সময়ে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে কিছু অস্থিরতার খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে আজদাবিয়া শহরে বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকায় পূর্বাঞ্চলে বেশ কিছু ভোটকেন্দ্র বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

তবে সার্বিকভাবে নির্বাচনে বেশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার ভোট দিয়েছে। কিছু সংঘাত সত্ত্বেও লিবিয়ার এই নির্বাচনকে প্রশংসা করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ।

কিছু জায়গায় অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও, লিবিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন ৯৪ শতাংশ ভোটকেন্দ্র স্বাভাবিকভাবেই খোলা হয়েছিল।

বহু ভোটার লাল , কালো এবং সবুজ রংয়ের পতাকা নিয়ে ভোটকেন্দ্র ভোট দিতে গিয়েছিল। তবে বন্দরনগরী রাসলানুফে বন্দুকধারীরা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাঁধা দিয়েছে।

ব্রেগা এবং আজদাবিয়া শহরেও ভোট গ্রহন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ভোট গ্রহন শুরু হলেও ভোটারেদের দীর্ঘ লাইনের কারণে নির্ধারিত সময়ের পরও অনেক জায়গায় ভোট নেয়া হয়েছে।

লিবিয়া বিষয়ক জাতিসংঘের দূত ইয়েন মার্টিন বলেছেন পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোল হলেও সেটি সার্বিকভাবে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেবে না ।

লিবিয়া নির্বাচন

ভোট গ্রহন শেষে গনণার প্রস্তুতি

মি: মার্টিন বলেন যেসব জায়গায় ভোট নেয়া সম্ভব হয়নি সেখানে পুনরায় ভোট গ্রহন কবে হবে সেটি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়।

তবে যেসব জায়গায় সমস্যা হয়েছে সেটি মোট ভোটকেন্দ্রের তুলনায় খুবই নগন্য বলে উল্লেখ করেন মি: মার্টিন।

লিবিয়ার নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে গিয়েছিলেন মার্কিন সেনেটর জন ম্যাককেইন। তিনি বলছিলেন নির্বাচন নিয়ে লিবিয়ার জনগনের যে দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সেটি প্রশংসাযোগ্য।

মি: ম্যাককেইন বলেন, তারা সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে গিয়েছিলেন এবং দেখেছেন মানুষ বেশ উৎসাহ নিয়ে ভোট দিতে এসেছে।

মি: ম্যাককেইন বলেন লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে কিছু সমস্যা হয়েছে এবং সেগুলো পরবর্তীতে সমাধান করা হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন ।

এই নির্বাচনের মাধ্যমে লিবিয়ায় বর্তমান ক্ষমতাসীন ন্যাশানাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের জায়গায় নতুন এক অস্থায়ী পরিষদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিন হাজারের বেশি প্রার্থী।

নয় মাস আগে মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ক্ষমতাসীন ন্যাশানাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিল গঠিত হয়েছিল। নব নির্বাচিত পরিষদ একটি অর্ন্তবর্তী সরকার নিয়োগ করবে এবং নতুন সংবিধান রচনা করবে।

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻