ঢাকা ত্যাগ করলেন হিলারি ক্লিন্টন

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন বলেছেন, বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড যাতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হতে পারে সেটা নিশ্চিত করা জরুরী।

মিসেস ক্লিন্টন চব্বিশ ঘণ্টারও কম সময়ের বাংলাদেশ সফর শেষে কোলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করার আগে একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় অনুষ্ঠানে একথা বলেছেন।

তিনি আরো বলেছেন, এমন কোনো কাজ করা ঠিক হবে না যাতে সেটা গ্রামীণ ব্যাংকের এগিয়ে চলাকে ব্যাহত করে।

ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেনীপেশার কয়েকশো মানুষ যোগ দেয় এবং মিসেস ক্লিন্টন তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

এর আগে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডি. মজিনা'র বাসভবনে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদের সঙ্গে দেখা করেন মিসেস ক্লিন্টন।

উল্লেখ্য, কয়েকমাস আগে, বাংলাদেশে যখন ড. ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণ করা হয়, তখন বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মিসেস ক্লিন্টন।

বিরোধী নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

এমন কোনো কাজ করা ঠিক হবে না যাতে সেটা গ্রামীণ ব্যাংকের এগিয়ে চলাকে ব্যাহত করে

হিলারি ক্লিন্টন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শনিবার রাতে বিরোধী নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন।

এসময় বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তারা আলাপ করেন।

অনিবার্য সংঘাত এড়াতে প্রধান দুই দলকে আলোচনার টেবিলে বসার যে আহ্বান জানিয়েছেন মিসেস ক্লিন্টন, খালেদা জিয়াকেও ওই একই বার্তা দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলন

সফরের শুরুতেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির সাথে একটি 'যৌথ অংশীদারিত্ব' চুক্তি স্বাক্ষর করেন মিসেস ক্লিন্টন।

এর পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের কল্যাণের জন্য আমরা সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই। শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আমরা সবাই যেহেতু একই নৌকার যাত্রী, তাই আমাদের সবাইকে একই দিকেই দাঁড় বাইতে হবে'।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর ব্যাপারে একটি নিরপেক্ষ তদন্তেরও আহ্বান জানান তিনি।

শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আমরা সবাই যেহেতু একই নৌকার যাত্রী, তাই আমাদের সবাইকে একই দিকেই দাঁড় বাইতে হবে

হিলারি ক্লিন্টন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিসেস ক্লিনটন আরো বলেন, 'বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে যেমন সহনশীল আচরণ করতে হবে তেমনি নাগরিক সমাজের ভূমিকা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।'

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশে মিসেস ক্লিন্টনের এটিই প্রথম সফর।

এর আগে ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্ষ্ট লেডি হিসেবে তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম দেখতে বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

অডিও খবর

ছবিতে সংবাদ

বিশেষ আয়োজন

BBC navigation

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻