
সিরিয়ার হমস শহরে বোমাবর্ষণ চলছেই
সিরিয়ার চলমান সঙ্কট নিয়ে আলোচনার জন্য তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে, যেখানে যোগ দিচ্ছেন আরব এবং বেশ কিছু পশ্চিমী দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
তবে সিরিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র চীন এবং রাশিয়া এই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক রেডক্রস জানিয়েছে, তারা মানবিক ত্রাণ সাহায্য পৌঁছানোর লক্ষ্যে সিরিয়ার সরকারের প্রতি যুদ্ধবিরতির যে আহ্বান জানিয়েছিল, সেব্যাপারে এখনো কোন সাড়া পায়নি।
পশ্চিমী কূটনীতিকরা আশা করছেন তিউনিসের এই বৈঠক থেকে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের প্রতি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার জন্য খোলাখুলি একটা আহ্বান জানানো যাবে৻
তাদের বক্তব্য, সেটা যদি হয় তাহলে সিরিয়ার যে সব প্রান্তে বেসামরিক মানুষজন আক্রান্ত সেখানে মানবিক ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে৻
এছাড়া সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার প্রক্রিয়াকে কীভাবে আরও সুসংহত করা যায় বৈঠকে তা নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে৻

সিরিয়ার বিরোধী নেতারা (ফাইল চিত্র)
সিরিয়ার নেতাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে যে সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে, সম্মেলন থেকে তাদের প্রতি সেই বার্তাও দেওয়ার চেষ্টা করা হবে৻
এছাড়া সিরিয়ার বিরোধী গোষ্ঠীগুলির একটি, সিরিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এখানে সেই সব শক্তির একটি বলেও স্বীকৃতি পেতে চলেছে যারা সে দেশে শান্তিপূর্ণ পথে গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনতে চায়৻
তবে তার মানে কখনওই অবশ্য এটা নয় যে প্রেসিডেন্ট আসাদ ক্ষমতা ছাড়লে তারাই হবে সিরিয়াতে বিকল্প সরকার গড়ার প্রধান দাবিদার৻
সম্মেলনে কোনও কোনও দেশ সিরিয়ার বিরোধীদের হাতে অস্ত্র জোগানোর প্রস্তাবও দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে৻
তবে বেশির ভাগ পশ্চিমী দেশই মনে করে সেরকমটা হলে সিরিয়ার শোচনীয় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে৻










