দক্ষিণ সুদানে মানবিক বিপর্যয়ের সংকেত

দক্ষিণ সুদান মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে, জাতিসংঘের মানবিক সহযোগিতা বিষয়ক সমন্বয়ক ব্যারোনেস ভ্যালোরি আমোস দক্ষিণ সুদানে সফরকালে এই সতর্কবাণী দিলেন।

তার ভাষ্যমতে নতুন স্বাধীন হওয়া দেশটি নিজেরই সমস্যার অন্ত নেই উপরন্তু পাশের দেশ সুদান থেকে প্রায় ৮০ হাজারের মতো শরণার্থী দেশটিতে প্রবেশ করেছে এবং তাদের প্রবেশ এখনো অব্যাহত আছে।

এই বাড়তি চাপ সামাল দেবার মতো সামর্থ্য বিশ্বের সবচাইতে নতুন দেশটির নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

darfur_

ব্যারোনেস আমোস বলেন শরণার্থীদের পালিয়ে আসার পেছনে উত্তর সুদানের জাতিগত দাংগা যেমন একটি কারন, সেই সাথে দক্ষিণ সুদানের অভ্যন্তরেই জাতিগত সহিংসতার কারনে দেশের ভেতরেই কয়েকটি এলাকা থেকে মানুষজন তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছে।

দক্ষিণ সুদান নতুন দেশ হিসেবে আত্ম প্রকাশ করার পর থেকে তাদেরকে সীমান্তের ওপার থেকে জাতিগত সহিংসতার ভয়ে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের সামাল দিতে হচ্ছে।

এদের মধ্যে খুব কমই ফেরত যাচ্ছে বলে ব্যারোনেস আমোস উল্লেখ করেন।

সেখানে মানবিক সহযোগিতার কাজে নিয়োজিত জাতিসংঘের কর্মিদের উপর প্রচুর চাপ রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

মাত্র গতবছরই সুদান দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে দক্ষিণ সুদান নামের নতুন দেশটির জন্ম হয়।

দেশটিতে ছোট ছোট জাতি গুলোর মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই আছে।

এসব কিছুর মাঝেই মাত্র গত সপ্তাহে দক্ষিণ সুদান ঘোষণা দেয় তারা তাদের তেল ক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন বন্ধ রাখবে।

কারন সুদানের সীমান্ত ব্যাবহার করে পাইপলাইনের মাধ্যমে তারা তেল রপ্তানিতে বাধ্য আর সেই সুযোগে সুদান ট্রানজিট ফি বাড়িয়ে দিয়েছে।

যা দক্ষিণ সুদানের জনগণের উপর বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়াবে বলে ব্যারোনেস আমোস উল্লেখ করেন।

এরকম পরিস্থিতিতে তিনি আরো সংকেতবানি দিলেন যে দেশটিতে এই পরিমাণ শরণার্থীদের ঢল সামাল দেবার সামর্থ্য জাতিসংঘের এই মুহূর্তে নেই।

সর্বশেষ সংবাদ

অডিও খবর

ছবিতে সংবাদ

বিশেষ আয়োজন

bbc.co.uk navigation

BBC © 2012 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻