২০১৭ সালের মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বর্তমান জনবল প্রায় এক লাখ কমিয়ে আনা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন পেনেট্টা।
দেশটির সামরিক বাহিনীর বাজেটও আগামী ১০ বছরে কয়েকশ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে আনার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করছেন তিনি।
তিনি বলেছেন, কয়েক দশক ধরে যুদ্ধের পর মার্কিন সামরিক বাহিনী এখন এক পরিবর্তনের দোড় গোঁড়ায় রয়েছে।
এছাড়া চলমান বাজেট ৫৩১ বিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে নতুন বছরে তা ৫২৫ বিলিয়নে নামিয়ে আনা হবে।
জনবল কমিয়ে আনার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র স্পেশাল ফোর্সেস বা বিশেষ বাহিনীর সংখ্যা বাড়াবে এবং মনুষ্যবিহীন পদ্ধতির ব্যবহারের মাধ্যমে স্থলপথে শত্রু দমনের শক্তি ও সামর্থ্য বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখবে।
মি: পেনেট্টা এশিয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে ইংগিত দেন কারণ এই অঞ্চলে চীনের অব্যাহত সমর শুক্তি বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি উদ্বেগের কারণ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে লিও পানেট্টা স্বীকার করেন এত বড় কাটছাঁট খুবই কঠিন কাজ হবে এবং তাতে ঝুঁকিও রয়েছে।
তিনি বলেন কৌশলগত দিক থেকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এই পরিবর্তন জরুরি ছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন গত একদশকের যুদ্ধ কেবল মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে এসেছে।
ইরাক ও আফগানিস্তানে যখন যুদ্ধ শেষের বাতাস বইছে তখনই বিশ্বের সবচেয়ে প্রতাপশালী এই সেন্যবাহিণী তার আকার ও কাঠামো পরিবর্তন করতে মনোযোগী হলো।
তবে কংগ্রেসের অনেক সদস্যই এই বাজেটে শক্তিশালী সৈন্যবাহিনী পরিচালনা করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন।
টেক্সাসের সিনেটর জন কার্নিন যেমন বলছেন, নাইন-ইলেভেন পূর্ব সময়ের সামরিক কাঠামোতে ফিরে গেলে সেটা হবে দেশের জন্য ভয়াবহ বিপদজনক।
তবে কাটছাঁটের মধ্যেও এই বাজেটে ২০১৩ সালের জন্য সামরিক খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫২৫ বিলিয়ন ডলার যা নাইন ইলেভেন পূর্ব সময়ের চেয়ে এখনো বেশি।











