
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আজ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে৻
আজ একই সময়ে বাংলাদেশ প্রান্তে এর উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, এবং ভারতীয় প্রান্তে ফুলবাড়ি সীমান্তে উদ্বোধন করেন ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি৻
বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলায় সীমান্তসংলগ্ন এই স্থলবন্দর দিয়ে এখন থেকে দু-দেশের পণ্যবাহী ট্রাকগুলো এ পথ দিয়ে বাংলাবান্ধা ও ফুলবাড়িতে পণ্য ওঠানো-নামানো করতে পারবে৻ শুনুন বিবিসি বাংলার আকবর হোসেনের প্রতিবেদন>
আপনার ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের ভার্সনটি সঠিক নয়
বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের গুরুত্ব শুধু ভারতের সাথে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নয়, নেপাল এবং ভুটানের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে৻ বাংলাদেশের মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য গত বছর বাংলাদেশ ও নেপাল যে চুক্তি করেছে তাতে সড়কপথে মংলা বন্দরকে প্রবেশদ্বার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে৻
প্রদানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলছেন, নেপাল ও ভুটান মংলা বা চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের জন্য এই স্থলবন্দরটি ব্যবহার করতে পারবে৻ তবে সেটা হতে সময় লাগবে৻
পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ী সমিতির নেতা ইকবাল হাসান মিন্টু আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন, তিনি বলছেন এ বন্দরকে নিয়ে তিনি ভারতের বিশেষত শিলিগুড়ির ব্যবসায়ীদের মধ্যেও যথেষ্ট উতসাহ দেখেছেন৻

বাংলাদেশ,ভারত, নেপাল ও ভুটান
নেপাল এবং ভুটানের সাথে ভারতের ভেতর দিয়ে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়ে ভারতের সম্মতির পরই এই বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর চালু হলো৻ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলছেন, ভারতের নীতিগত সম্মতি পাওয়া গেলেও এর বাস্তবায়নের নানা দিক নিয়ে এখন আলোচনা চলছে৻
১৯৯৭ সালে বাংলাবান্ধা দিয়ে নেপাল-বাংলাদেশ ট্রানজিটের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়৻ এর পর ২০০৪ সালে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর উদ্বোধন করা হয়৻
বাংলাবান্ধা দিয়ে চারটি দেশের মধ্যে স্থলপথে বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন এবং মংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক ব্যবহারের পথ খুলে যাবার অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্বেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় চুক্তির অভাবে এর অনেককিছুই বাস্তবায়িত হয়নি৻
বাংলাবান্ধা থেকে নেপালের কাঁকরভিটা ট্রানজিট পয়েন্টের দুরত্ব ৬১ কিলোমিটার, ভারতের শিলিগুড়ির দুরত্ব মাত্র ৭ কিলোমিটার এবং ভুটান সীমান্তের দুরত্ব ৬৮ কিলোমিটার৻











