মাঠে ময়দানে

২১ ডিসেম্বর ২০১৩ শেষবার আপডেট করা হয়েছে ২৩:৫৯ বাংলাদেশ সময় ১৭:৫৯ GMT

বরখাস্ত হলেন টটেমহ্যামের ম্যানেজার ভিলাস বোয়াস

ইউরোপের পেশাদার ফুটবলে পয়সা যত আসছে, ক্লাব ম্যানেজারদের ওপর চাপ তত বাড়ছে। পরপর কটি ম্যাচে ফলাফল ভালো না হলে ক্লাব মালিকদের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। রাতারাতি তাদের বিকল্প খোঁজা হচ্ছে।

ইংলিশ প্রিমিয়ারশিপে এই প্রবণতা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি করে চোখে পড়ছে। উচ্চাভিলাষী মালিকদের সর্বশেষ শিকার হয়েছেন লন্ডনের টটেনহ্যাম ক্লাবের পর্তুগিজ ম্যানেজার অন্দ্রে ভিলাস বোয়াস। দুটো ম্যাচে বড় ধরণের পরাজয়ের পর মাত্র দেড় বছরের মাথায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ভিলাস বোয়াসের প্রস্থানের খবর যেতে না যেতেই এখন শোনা যাচ্ছে প্রিমিয়িারশিপের আরেক ক্লাব কার্ডিফ সিটির মালয়েশিয়ান মালিক তার ম্যানেজারকে বলেছেন পদত্যাগ করতে নইলে তিনি তাকে বরখাস্ত করবেন।

ফুটবল ম্যানেজাররা কি অহেতুক চাপে পড়ছেন, অবিচার হচ্ছে তাদের ওপর?

বিবিসির সাবেক স্পোর্টস এডিটর মিহির বোস বলছেন ইউরোপে ফুটবল এখন প্রধানত ব্যবসা। মালিকদের প্রধান লক্ষ্য ক্লাব থেকে পয়সা কামানো। ক্লাব না জিতলে ক্লাবের আয় কমে যায়। মি বোস বলেন সে কারণে, সাফল্য না আনতে পারলেই কোপ পড়ছে ম্যানেজারদের ওপর।

মাহসঙ্কটে ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল

ইউরোপের ফুটবলে যখন টাকার ছড়াছড়ি, কোটি কোটি ডলারে বিক্রি হচ্ছেন ফুটবলাররা, সে সময় ইন্দোনেশিয়ার প্রিমিয়ার ডিভিশনের একটি ক্লাবের একজন আফ্রিকান ফুটবল মাসের পর মাস পারিশ্রমিক না পেয়ে সম্প্রতি একরকম বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন। অভিযোগ, ক্যামেরুনের সলোমন বোগান্ডোকে তার ইন্দোনেশীয় ক্লাব বেতন পর্যন্ত দিত না। থাকা খাওয়ার খরচ মেটাতে গ্রামের ফুটবলে ভাড়ায় খেলতে হয়েছে, এমনকি জাকার্তার রাস্তায় ভিক্ষা পর্যন্ত করতে হয়েছে।

বছর খানেক প্রায় একই ধরণের পরিস্থিতিতে প্যারাগুয়ের আরেক ফুটবলার ইন্দোনেশিয়ায় মারা যায়।

ঢাকার ফুটবল লীগেও এখন উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বিদেশী ফুটবলার খেলছে, বিশেষ করে আফ্রিকা থেকে আসা।

এরা নিয়মিত চুক্তির পয়সা কি পাচ্ছে? বাংলাদেশে ফুটবলার কল্যাণ সমিতির প্রেসিডেন্ট ইকবাল হোসেন বলছেন বছর পাঁচেক ধরে দেনা-পাওনা নিয়ে তেমন কোন সঙ্কট বাংলাদেশের ফুটবল লীগে হয়নি।