BBC navigation

ইতিহাসের সাক্ষী

সর্বশেষ আপডেট মঙ্গলবার, 10 ডিসেম্বর, 2013 09:58 GMT 15:58 বাংলাদেশ সময়

মেডিয়া প্লেয়ার

কিভাবে তৈরি হয়েছিল টিভি সিরিজ 'বেওয়াচ'

শুনুনmp3

আপনার ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের ভার্সনটি সঠিক নয়

বিকল্প মিডিয়া প্লেয়ারে বাজান

baywatch

১৯৮৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকান টিভিতে প্রথম প্রদর্শিত হয়েছিল বেওয়াচ সিরিয়ালের প্রথম পর্ব। যে সিরিয়াল চলেছিল প্রায় ১২ বছর ধরে এবং পরিণত হয়েছিল পৃথিবীর সবচাইতে জনপ্রিয় টিভি শো-তে।

কিভাবে তৈরি হয়েছিল এই বেওয়াচ?

সেটা ১৯৮৮ সালেল গ্রীষ্মকাল। লস এঞ্জেলেসের দুই তরুণ টিভি প্রযোজক মাইকেল বার্ক আর ডগ শোয়ার্জ চেষ্টা করছেন একটা টিভি অনুষ্ঠানের আইডিয়া বের করতে। কিন্তু কিছুতেই যেন যুৎসই একটা ভাবনা মাথায় আসছে না।

এর আগেও তারা অন্য কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে এখানে-ওখানে গিয়েছিলেন, কিন্তু সবগুলোই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এই দুই তরুণ তখন ছিলেন একটা নতুন ভাবনার খোঁজে।

বিবিসির লুসি বার্ণস কথা বলেছেন সিরিজটির নির্বাহী প্রযোজক মাইকেল বার্কের সাথে। মাইকেল বার্ক বলছিলেন, "আমাদের ভাবনা ছিল সমুদ্র সৈকত নিয়ে একটা টিভি শো করা যায় কিনা। তারই একটা আইডিয়ার খোঁজে আমরা আক্ষরিক অর্থেই একটি বিচে গিয়েছিলাম।"

"বিচে আমরা দেখলাম লাইফগার্ডরা তাদের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে নামছে, সাগরের দিকে ছুটে যাচ্ছে। বিচের ওপর দিয়ে ট্রাক যাচ্ছে সাইরেন বাজিয়ে, জীবনরক্ষীরা হয়তো নৌকায় করে সাগর থেকে কাউকে টেনে তুলছে। তাকে বিচের ওপর শুইয়ে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস দেয়া হচ্ছে। তাদের চার পাশে উৎসুক লোকের ভিড় জমে যাচ্ছে। তারা এই উদ্ধারকারীদের আমেরিকান বীর হিসেবে দেখছে - কারণ এটা জীবন-মৃত্যুর ব্যাপার। আর সবাই তারা সাঁতারের পোশাকে। এ নিয়ে কিছু করার ভাবনা এতদিন কারো মাথায় আসেনি কেন, এটাই বিস্ময়ের ব্যাপার।"

তারা একটা প্রস্তাব খাড়া করে ফেললেন - সাগর সৈকতের এই জীবনরক্ষী বা লাইফগার্ডদের নিয়ে একটা গল্প নিয়ে নাটক তৈরির।

"আমরা তখন বুঝিনি যে, বেওয়াচে মেয়েদের স্লো-মোশনে দৌড় একটা স্মরণীয় দৃশ্যে পরিণত হবে। এমন নয় যে আমরা দৃশ্যটার যৌন আবেদনের দিকটা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করেছিলাম।"

মাইকেল বার্ক, বেওয়াচের প্রযোজক

কিন্তু স্টুডিওগুলো এই প্রস্তাবকেও পাত্তা দিলো না।

"তারা বললো - এইসব বিচবয়দের নিয়ে ছবি, এটা কে দেখবে? সেই একই জিনিস - জল থেকে লোককে উদ্ধার করা , কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস দেয়া, এটা কি লোকে বার বার দেখতে চাইবে? তো আমরা শেষ পর্যন্ত ওদের রাজি করালাম যে আমাদের একটা মিউজিক ভিডিও বানাতে দেয়া হোক - শোর জন্য একটা ট্রেইলারের মতো। তার পর আমরা এক ছুটির দিনে তিনটে ক্যামেরা নিয়ে বিচে গেলাম। লাইফগার্ডরা যেসব কাজ করছে তার ছবি তুললাম। তুললাম বিচে আসা নানা রকমের লোকের ছবি। তার পর সেগুলো সম্পাদনা করে জুড়ে দিলাম ডন হেনলির একটা গানের সাথে - যে গানটা হচ্ছে বয়েজ অব সামার।"

এই বিচ ভিডিওর ভিত্তিতে স্টুডিও শেষ পর্যন্ত একটা টিভি কাহিনীচিত্র প্রযোজনায় রাজী হলো। তার নাম দেয়া হলো: বেওয়াচ : প্যানিক এট মালিবু পিয়ার।

"প্রথম যে মেয়েটিকে আমরা নায়িকা হিসেবে নিয়েছিলাম, সে প্রথম দিনের শুটিংএ এলো।দেখলাম সে জলে নামতে ভয় পাচ্ছে। তাকে আমরা একজন লাইফগার্ডের চরিত্রে নিয়েছি - অথচ সে নিজেই সাঁতার জানতো না। আমরা তক্ষুণি আমাদের দ্বিতীয় পছন্দ যে ছিল তাকে ডাকলাম। সে ওই দিনেই এসে হাজির হলো। তার পর সব অভিনেতা-অভিনেত্রীর একটা পরীক্ষা নিলাম - যে সবাই সাঁতার জানে কিনা। কারণ আমাদের জন্য এটা ছিল বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন, তা ছাড়া আমরা এলএ কাউন্টির লাইফগার্ডদের সহযোগিতা নেবার জন্য তাদের সাথে একটা চুক্তিও করেছিলাম। তারা তাদের হেডকোয়ার্টারের কাছেই আমাদের শুটিং করার অনুমতি দিয়েছিল।"

সেই প্রথম পাইলট থেকেই অবশ্য অনুষ্ঠানের কিছুই নির্ধারিত হয়ে গেছে। তার মধ্যে একটা হলো বিচের ওপর দিয়ে স্লো-মোশনে নায়ক- নায়িকার দৌড়ে যাওয়া।

"যেটা হয়েছিল যে আমাদের পার্টনারদের একজন তখন সদ্যসমাপ্ত অলিম্পিকের চিত্রগ্রহণ করে ফিরেছে। সে স্প্রিন্টারদের ১০০ মিটার দৌড়েরও চিত্রগ্রহণ করেছিল। সে দৌড় তো ১০ সেকেন্ডে শেষ হযে যায়। তাই সেটা করা হয়েছিল স্লো-মোশনে। সেই ভাবেই আমরাও মিউজিক ভিডিওতে লাইফগার্ডদের বিচের ওপর দিয়ে ছুটে যাওয়াটা স্লো-মোশনে করেছিলাম। তাদের কাজের যে এথলেটিক দিকটা - সেটাই তুলে ধরার জন্য। আমরা তখন বুঝিনি যে , যখন বেওয়াচে মেয়েদের ওই রকম স্লো-মোশনে দৌড়ে যেতে দেখা যাবে - তা একটা স্মরণীয় দৃশ্যে পরিণত হবে।"

"এটা এমন নয় যে আমরা দৃশ্যটার যৌন আবেদনের দিকটা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করেছিলাম। আমরা আসলে কখনোই অনুষ্ঠানটির যৌন আবেদনের ওপর জোর দিই নি। খেয়াল রেখেছিলাম যেন ব্যাপরটা ওই দিকে না চলে যায়। আমরা সবসময়ই যা চেয়েছিলাম তা হলো একটা ভালো গল্প বলা, এবং আমার মতো সে জন্যই বেওয়াচ এতদিন চলতে পেরেছে।"

"দ্বিতীয় বছর শেষ হতে হতে আমরা গিনেস বুকে জায়গা পেলাম, ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দর্শক পাওয়া অনুষ্ঠান হিসেবে। টিভি গাইডে একটা ম্যাগাজিন বেরিয়েছিলো - যাতে বলা হলো - বে ওয়াচ হচ্ছে প্রথম অনুষ্ঠান যা এক বিলিয়ন বা একশ কোটি দর্শক দেখেছে।"

মাইকেল বার্ক, বেওয়াচের প্রযোজক

এখানেই বোধ হয় ছিল বেওয়াচের সাফল্যের চাবিকাঠি। ক্যালিফোর্নিয়ার রোদ ঝলমল বিচের ওপর সংক্ষিপ্ত সাতারের পোঁশাকে সুদর্শন যুবক-যুবতীদের ছুটোছুটি।

"বেওয়াচই স্প্রে-ট্যানিং আবিষ্কার করেছে। আসলে আমাদের এত বেশী সংখ্যক এক্সট্রা ছিল - যাদের আবার গায়ের চামড়া রোদে-পোড়া বা ট্যান থাকতে হবে। আমাদের একটি মেয়ে ছিল - যার কাজ ছিল সারা গায়ের মেক-আপ করা। তার কাজে এত সময় লাগতো যে আমাদের বহু সময় অপেক্ষা করতে হতো। তখন আমরা তাকে বললাম - ওই এক্সট্রাদের গায়ে স্প্রে করে তাদের চামড়া ট্যান করার একটা উপায় বের করতে। তখনআমরা একটা মিশ্রণ উদ্ভাবন করলাম - যেটা অভিনেতা অভিনেত্রীদের গায়ে একটা স্প্রে-মেশিন দিয়ে ছড়িয়ে দেয়া হতো। এখন এই স্প্রে ট্যানিং তো সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে গেছে।তবে এটা আমরাই আবিষ্কার করেছি।"

প্রথম প্রচারের দিন থেকেই প্যানিক এট মালিবু পিয়ার হিট অনুষ্ঠানে পরিণত হলো। প্রচারের পর প্রথম সপ্তাহে এটা ছিল সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া মুভি। শুধু এনবিসি-তে নয় সবগুলো টিভি চ্যানেল মিলিয়ে। শীর্ষ রেটিং পাওয়া দশটি মুভির মধ্যেও ঠাই করে নিলো বেওয়াচ।

এই টিভি চলচ্চিত্রের ভিত্তিতে বেওয়াচকে পরিণত করা হলো একটি টিভি ধারাবাহিকে। ১৯৮৯ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর প্রচারিত হলো প্রথম পর্ব 'ইন ডিপ' । প্রথম মৌসুমেই পাওয়া গেলো দর্শকদের ব্যাপক সাড়া। কিন্তু পর্দার অন্তরালে দেখা দিল চাপা উত্তেজনা।

"প্রচার শুরু হবার পর প্রথম মৌসুমের অর্ধেকটা না পেরুতেই আমি ওই অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে গেলাম। বেওয়াচ কি ধরণের অনুষ্ঠান হবে তা নিয়ে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলো। এর ফলে যেটা হলো যে এনবিসিতে এক মওসুম চলার পরই বেওয়াচ বন্ধ হয়ে গেল - কারণ স্টুডিওটাই লাটে উঠলো।"

কিন্তু মাইকেল বার্ক আর ডগ শোযার্জ -এর তখনও বিশ্বাস ছিল বেওয়াচ একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প। তাই তারা চেষ্টা করতে লাগলেন অন্য কোন নেটওয়ার্কের কাছে তা বিক্রি করার। সব স্টুডিওই আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো। আজ সেই সব লোকেরাই বলে, কিভাবে তারা বেওয়াচের মতো অনুষ্ঠানকে ফিরিয়ে দিয়েছিল তা এখনো তাদের বিশ্বাস হয় না।

স্টুডিও যখন পাওয়াই গেল না, তখন বার্ক আর শোযার্জ ঠিক করলেন, তারা নিজেরাই প্রযোজনা করবেন।

"আমি আর আমার অংশীদার ১০ ডলার দিয়ে বেওয়াচের স্বত্ব আবার কিনে নিলাম। ডেভিড হ্যাসেলহফকেও আবারো নিয়ে এলাম অনুষ্ঠানে। ওই মওসুমেই আমরা পামেলা এন্ডারসন আর অন্যসব যৌনআবেদনময় পাত্রপাত্রীদের আনলাম। এক বছরের মধ্যেই বেওয়াচ পরিণত হলো পৃথিবীর সবচাইতে জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে।"

তখন স্টুডিওর বিধিনিষেধ আর থাকলো না। বেওয়াচ টিমের সামনে দরজা খুলে গেল - তাদের নিজেরা যেমন করে ভেবেছিলেন সে ভাবেই বেওয়াচকে এগিয়ে নেবার। তাদের ফরমূলাই সঠিক বলে প্রমাণিত হলো।

"বেওয়াচের আবেদন নারীপুরুষ সবার মধ্যেই আছে। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, বেওয়াচের ভক্তদের মধ্যে কিন্তু মেয়েদের সংখ্যাই বেশি। কারণ মেয়েরাও অন্য মেয়েদের দেখতে ভালোবাসে এবং বেওয়াচে তা ছাড়া সুদর্শন পুরুষেরা তো আছেই।"

মাইকেল বার্ক, বেওয়াচের প্রযোজক

"দ্বিতীয় বছর শেষ হতে হতে আমরা গিনেস বুকে জায়গা পেলাম, ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দর্শক পাওয়া অনুষ্ঠান হিসেবে। টিভি গাইডে একটা ম্যাগাজিন বেরিয়েছিলো - যাতে বলা হলো - বে ওয়াচ হচ্ছে প্রথম অনুষ্ঠান যা এক বিলিয়ন বা একশ কোটি দর্শক দেখেছে। তারা আমাজনের জঙ্গলে ক্যামেরাম্যান পাঠালো - তার তোলা দৃশ্যে দেখা গেল সেই জঙ্গলের মধ্যে আদিবাসীরা নৌকায় করে একটা কুটিরে জড়ো হচ্ছে, একটা জেনারেটর চালিয়ে বেওয়াচ দেখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে । আমরা আরো খবর পেলাম যে কিছু আরব দেশে বেওয়াচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে - কিন্তু লোকজন স্যাটিলাইট ডিশ কিনে জেল হবার ভয় তুচ্ছ করে বে ওয়াচ দেখছে।"

কারণটা কি ছিল?

"আমরা কিছু জরিপ করিয়েছিলাম। এবং লোকজন প্রথম কারণ হিসেবে যেটা বলেছিল তা হলো নীল আকাশ, সাগর আর ক্যালিফোর্নিয়ার জীবন। লোকজন এটা খুবই পছন্দ করেছিল।"

বার্ককে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনি যদি ইরানে থাকেন তাহলে বিকিনি পরা সুন্দরী মেয়েদের দেখার খুব বেশি সুযোগ আপনার হবে না। এটা কি একটা কারণ হতে পারে?

"হ্যাঁ তা তো ঠিকই, বেওয়াচের আবেদন নারীপুরুষ সবার মধ্যেই আছে। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, বেওয়াচের ভক্তদের মধ্যে কিন্তু মেয়েদের সংখ্যাই বেশি। কারণ মেয়েরাও অন্য মেয়েদের দেখতে ভালোবাসে এবং বেওয়াচে তা ছাড়া সুদর্শন পুরুষেরা তো আছেই। আর পোশাকের ব্যাপারে বলতে হবে যে এটা আরোপিত ছিল না, কারণ বিচে লোকজন এটাই পরে, এবং লাইফগার্ডরাও এ পোশাকই পরে।"

প্রশ্ন ছিল, এটা ভেবে কি তাদের অস্বস্তি হয় না যে বেওয়াচ অনুষ্ঠানটা এ্যাকশন-নাটকীয়তার চাইতে বরং সাতারের পোশাকপরা পাত্রপাত্রীদের জন্য বেশি আলোচিত হয়েছে।

"আপনি বলতে পারেন যে এই অস্বস্তির নানা রকম স্তর আছে। একটা স্তরে এটা হেসে উড়িয়ে দেয়া যায়। কারণ আমরা জানতাম এতে কি আছে, কেন এটা লোককে আকৃষ্ট করছে। আবার আরেক দিক থেকে দেখলে - আমি এর আগে কয়েকটা চিত্রনাট্য লিখেছি যা এমি এওয়ার্ড পেয়েছে। এটা আমার জন্য হতাশাজনক যে লোকে বলে - 'ও আপনি বেওয়াচ লিখেছেন!' এবং তার পর আমার চিত্রনাট্যগুলোর যে সম্মান প্রাপ্য তা দেয় না।"

২০০১ সালে বন্ধ হয়ে যাবার আগে পর্যন্ত বেওয়াচ চলেছিল ২৪৩ পর্ব ধরে। এটি দেখানো হয়েছে ১৪৮টি দেশে, অনুদিত হয়েছে ৪৪টি ভাষায়। মাইকেল বার্কের জন্য বেওয়াচ এখনো একটি চলমান প্রকল্প।

"আসলে আমি তখন থেকেই বেওয়াচ ব্র্যান্ডের সাথেই রয়ে গেছি। বেওয়াচ সংক্রান্ত নানা কিছু, যেমন এর লাইসেন্সিং, মিউজিক্যাল, চলচ্চিত্র, এগুলো তো আছেই , এখন আবার আমি একটি নতুন বেওয়াচ সিরিজের ওপর কাজ করছি। তাই আমার কাছে হয়তো বেওয়াচের কখনোই মৃত্যু হবে না।"

Multimedia

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻