BBC navigation

সোনা জয়ের অনুপ্রেরণা

সর্বশেষ আপডেট মঙ্গলবার, 7 অগাষ্ট, 2012 15:49 GMT 21:49 বাংলাদেশ সময়

সোনা জয়ের অনুপ্রেরণা

  • লন্ডন, ২০১২
    লন্ডন অলিম্পিকের একটি লক্ষ্য হলো পরবর্তী প্রজন্মের অ্যাথলিটদের অনুপ্রেরণা দেয়া। এখানে আমরা দেখবো যারা স্বর্ণপদক জিতেছেন, তাদের উৎসাহ যুগিয়েছেন কে?
  • প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের সাথে ভেনাস এবং সেরেনা উইলিয়ামস
    ১৯৯০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের সাথে ভেনাস এবং সেরেনা উইলিয়ামস। সে সময় তারা বিলি জিন কিংস এবং পিট স্যাম্প্রাসের মহা ভক্ত ছিলেন। লন্ডন অলিম্পিকে এই দু'বোন তাদের খ্যাতির ইতিহাসে আরও একটি অধ্যায় যোগ করেছেন। তারাই প্রথম জুটি যারা পর পর তিনবার মহিলাদের ডাবল্‌স জিতেছেন। সেরেনাও তার প্রথম সিঙ্গেল্‌স শিরোপা জেতেন। অলিম্পিকের সোনা এবং চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন যে চার টেনিস তারকা, তিনি তাদের মধ্যে একজন।
  • অ্যান্ডি মারে, অগাষ্ট ১৯৯৯
    ১৯৯৯ সালে অ্যান্ডি মারে। তাঁর অনুপ্রেরণা ছিল ৮ বার গ্র্যান্ড স্ল্যাম বিজয়ী ও অলিম্পিকে সোনা জয়ী আন্দ্রে আগাসি। চার বার প্রচেষ্টার পর লন্ডন অলিম্পিকে রজার ফেদারারকে হারিয়ে তিনি স্বর্ণপদক জিতেছেন। আর এই ঘটনা ঘটেছে উইম্বল্ডনে ফেদারারের কাছে পরাজয়ে মাত্র এক মাস পর।
  •  মাইকেল ফেল্পস্‌, মার্চ ২০০০
    ২০০০ সালে ১৪ বছর বয়সী মাইকেল ফেল্পস্‌। তরুণ এই সাঁতারু ছিলেন এনবিএ তারকা মাইকেল জর্ডানের ভক্ত। লন্ডনে আসার আগেই অলিম্পিকের ইতিহাসে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন। অলিম্পিকের ইতিহাসে এত বেশি স্বর্ণপদক আর কেউ জিততে পারেননি। তাঁর মোট পদক সংখ্যা ২২, এর মধ্যে ১৮টিই সোনা।
  • জেসিকা ইনেস, জুলাই ২০০৩
    ব্রিটেনের হেপ্টাথলিট জেসিকা এনিস। ছবিটি ২০০৩ সালে তোলা। তখন তাঁর বয়স ১৭। তাঁর অনুপ্রেরণা ছিল ২০০০ সালের অলিম্পিকস চ্যাম্পিয়ান ডেনিস লুইস, যার ব্রিটিশ রেকর্ড তিনি পরে ভঙ্গ করেন। লন্ডন অলিম্পিকে তিনি ছিলেন স্বাগতিক দেশের 'গোল্ডেন গার্ল'। শেফিল্ডের এই স্প্রিন্টার ইতিমধ্যেই বিশ্ব এবং ইওরোপীয় চ্যাম্পিয়ানশীপ শিরোপা জিতেছেন।
  • ব্র্যাডলি উইগিন্স, জুলাই ২০০৩
    তরুণ ব্র্যাডলি উইগিন্স। ২০০৩ সালে তাঁর বয়স ছিল ২৩ বছর। পাঁচ বার ট্যুর দ্য ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ান স্পেনের মিগেল ইন্ডুরিন ছিলেন তাঁর অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর পথ ধরেই ব্র্যাডলি উইগিন্স চলতি বছর ট্যুর জেতেন এবং লন্ডন অলিম্পিকে পুরুষদের সাইক্লিং-এ স্বর্ণপদক অর্জন করেন। এটি ছিল অলিম্পিকে তাঁর ৪র্থ সোনা।
  • মো ফারাহ্‌, জুন ২০০২
    লন্ডন অলিম্পিকে ১০,০০০ মি. চ্যাম্পিয়ান মো ফারাহ্‌। ২০০২ সালে এই ছবি যখন তোলা হয় তখন তাঁর বয়স ১৯। লন্ডনের ফুটবল ক্লাব আর্সেনাল এবং ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকার ইয়েন রাইটের অন্ধ ভক্ত। জন্ম সোমালিয়ায়, কিন্তু ৮ বছর বয়সে চলে আসেন ব্রিটেনে। ৫০০০মি. বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান মো লন্ডন অলিম্পিকে ১০,০০০ মিটারে ইথিওপিয়ানদের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।
  • বেন এইনস্লি, জুলাই ১৯৯৬
    তরুণ বেন এইনস্লি। ১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিকে রুপো জেতার পর। তাঁর অনুপ্রেরণা ছিল বাবা রড, যিনি ছিলেন ব্শ্বি পরিভ্রমণকারী ইয়ট্‌সম্যান। ২০১২ অলিম্পিকের মধ্য দিয়ে পর পর চারটি অলিম্পিকে তিনি স্বর্ণপদক জয়ের এক ঈর্ষণীয় ইতিহাস তৈরি করেছেন।
  • উসেইন বোল্ট
    উসেইন বোল্ট। পর পর দু'বার ১০০মি. অলিম্পিকস চ্যাম্পিয়ান। ছবিটি ২০০২ সালে তোলা। তাঁর স্বপ্ন চারবার অলিম্পিকে সোনা বিজয়ী মাইকেল জনসনের রেকর্ড ভঙ্গ করা। জ্যামাইকার এই স্প্রিন্টার ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে ১০০মি, ২০০মি এবং ৪x১০০মি. দৌড়ে জয়ী হয়ে হৈচৈ ফেলে দেন। ২০১২ অলিম্পিকে তিনি ৯.৬৩ সেকেন্ডে নতুন রেকর্ড তৈরি করে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন।
  • টম ড্যালে, মার্চ ২০০৮
    টম ড্যালে। ২০০৮ সালে তাঁর বয়স ছিল ১৩। তাঁর অনুপ্রেরণা ১৯৯৮ সালে কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়ান আলেকজান্ডার ডেসপাতি এবং ব্রিটিশ ডাইভার লিয়ন টেলর। লন্ডন অলিম্পিকে তিনি তরুণ অ্যাথলিটদের প্রতীক।

Multimedia

BBC © 2014 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়

কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻