আপনার ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের ভার্সনটি সঠিক নয়
মুষ্টিযুদ্ধের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা হিসাবে খ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা মুহাম্মদ আলি বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ১৯৭৮ সালে।
১৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮- মহম্মদ আলি দ্বিতীয়বারের মত বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাশ্পিয়ানশীপের টাইটেল হারান লিয়ন স্পিংকসের কাছে।
সারা জীবনে যে পাঁচবার তিনি হেরেছিলেন তার একটি ছিল এটি।

১৯৭৮ সালে ঢাকায় বক্সার আব্দুল হালিমের সঙ্গে ফটো সেশনে বিশ্ববন্দিত মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলি
এর ঠিক তিনদিন পর মিঃ আলি যান ঢাকায়। ৫ দিন তিনি ছিলেন বাংলাদেশে।
ওই সফরে তিনি বক্সিংয়ের একটি প্রদর্শনী লড়াইয়ে অংশ নেন। লড়াই হবার কথা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের হয়ে বক্সিংয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক পদক জেতা আব্দুল হালিমের সাথে।
বর্তমানে বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সেক্রেটারি, মিঃ হালিম বলছিলেন মিঃ আলি তখন কিছুটা আহত থাকার কারণে প্রদর্শনী মুষ্টিযুদ্ধে লড়েছিলেন সেসময় সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া বক্সার মহম্মদ গিয়াসউদ্দিনের সাথে। মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন তখন মাত্র ১২ বছরের কিশোর।
সেই লড়াই হয়েছিল তৎকালীন ঢাকা স্টেডিয়ামে ১৯শে ফেব্রুয়ারি।
মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন বারো মিনিটের সেই লড়াইয়ের বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা, যা তাঁর জন্যে অবশ্যই ছিল অসম এক লড়াই। বিশ্বের এক নম্বর বক্সিং তারকার সঙ্গে লড়াইয়ের সেই স্মৃতি মিঃ গিয়াসউদ্দিনের জন্য আজও রোমাঞ্চকর এক অভিজ্ঞতার স্মৃতি হয়ে রয়েছে।
আব্দুল হালিম বলেছেন প্রবাদপ্রতিম এই মুষ্টিযোদ্ধার সঙ্গে অবিস্মরণীয় এক ছবি তোলার আনন্দময় অভিজ্ঞতার কথা- যে ছবিতে মুহাম্মদ আলি একহাতে মিঃ হালিমের গলা জড়িয়ে ধরে তাঁর অন্য মুষ্টিবদ্ধ হাতটি তুলে ধরেছিলেন মিঃ হালিমের মুখের সামনে।
অনুষ্ঠানটি পরিবেশন করেছেন বিবিসি বাংলার আহরার হোসেন।
BBC © 2012 বাইরের ইন্টারনেট সাইটের বিষয়বস্তুর জন্য বিবিসি দায়ী নয়
কাসকেডিং স্টাইল শিট (css) ব্যবহার করে এমন একটি ব্রাউজার দিয়ে এই পাতাটি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে৻ আপনার এখনকার ব্রাউজার দিয়ে এই পাতার বিষয়বস্তু আপনি ঠিকই দেখতে পাবেন, তবে সেটা উন্নত মানের হবে না৻ আপনার ব্রাউজারটি আগ্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কিংবা ব্রাউজারে css চালু কতে পারেন৻