BBCBengali.com
BBCHindi.com
BBCNepali.com
BBCSinhala.com
BBCTamil.com
BBCUrdu.com
 
সর্বশেষ আপডেট: 10 নভেম্বর, 2009 - প্রকাশের সময় 12:57 GMT
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন   ছাপার উপযোগী সংস্করণ
প্রচলিত আইনের বিকল্প ক্রসফায়ার?
 
panelsist

প্যানেল সদস্যরা (বাঁ থেকে): শাহজাহান খান, আসিফ সালেহ্, উপস্থাপক মিথিলা ফারজানা, সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ।

কথা: কাজল আব্দুল্লাহ্, ছবি: রাসেল মাহমুদ

এবারের বাংলাদেশ সংলাপের আয়োজন ছিলো ঢাকায় গত ৩রা অক্টোবর, ২০০৯ তারিখে। মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বঙ্গব্ন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এবারের সংলাপের প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, সামাজিক সংগঠন দৃষ্টিপাতের কার্যনির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী।

আমন্ত্রিত দর্শকরা মিলনায়তনে প্রবেশের সময় যে লিখিত প্রশ্নগুলো জমা দেন প্রতিবারের মতো তা থেকেই বাছাই করে নেয়া হয় এবারের বাংলাদেশ সংলাপের প্রশ্ন সমূহ। প্যানেল সদস্যরা উত্থাপিত প্রশ্নের উপর তাৎক্ষনিকভাবে তাদের বক্তব্য কিংবা মতামত দেন। সেই সাথে উপস্থিত অন্য দর্শকরাও সেইসব প্রশ্নের উপর বিভিন্ন মতামত প্রদানের এবং সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ পান।


অনুষ্ঠানের প্রথম প্রশ্ন করেন মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী। তিনি জানতে চান বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড সন্ত্রাস বন্ধের উপায় হিসেবে থাকতে পারে কিনা?

বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই বলেন শাহজাহান খান। তিনি জানান, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড কারো কাম্য না হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর প্রচলন আছে।

তিনি এ প্রসংগে তিনি উদাহরণ দিতে গিয়ে জানান, ব্রিটেনের মতো উন্নত দেশে আল-কায়েদা সন্দেহে একজন নিরাপরাধ ব্রাজিলীয়কে বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, দেশের প্রচলিত আইনে সবক্ষেত্রে সন্ত্রাস দমন করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড সংঘটিত হচ্ছে। একইসাথে তিনি মনে করেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের মাধ্যমে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ক্রমান্বয়ে নির্মূল করে এই বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করা উচিত।

আসিফ সালেহ্ এ প্রসংগে শাহজাহান খানের মন্তব্য শুনে আশংকা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ব্রিটেনে বিচার বহির্ভূতভাবে ব্রাজিলীয়কে নাগরিককে হত্যা করা হলেও এই হত্যাকান্ডের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে।

একইসাথে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে একের পর এক বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড সংঘটিত হলেও সেগুলির কোন বিচার হচ্ছে না। তিনি বলেন, প্রচলিত বিচার ব্যবস্থা দিয়ে দেশের সকল জনগনের মানবাধিকার সংরক্ষণ করা সরকারের দায়িত্ব।

এসময় একজন দর্শক শাহজাহান খানের কাছে জানতে চান, বর্তমান সরকার পরিকল্পনা মাফিক বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড চালাচ্ছে কিনা?

দর্শকদের মধ্যে আরেকজন নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, দেশে কবে নাগাদ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নির্মূল করা সম্ভব হবে?

আরেকজন দর্শক প্রশ্ন করেন, সন্ত্রাস দমনের জন্য সরকারের কি বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড চালানো উচিত নাকি দেশের বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা উচিত?

আরেকজন দর্শক মনে করেন, কোন প্রকার হত্যাকান্ডই সমর্থন যোগ্য না হলেও দেশের জনগনের নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনা করাও সরকারের দায়িত্ব।

দর্শকদের আরেকজন মতামত দিতে গিয়ে বলেন, সন্ত্রাসীদের মদদদাতা গডফাদারদের আগে ক্রসফায়ারে দেয়া উচিত।

শাহজাহান খান
shahjahan khan
 এরশাদ শিকদার ছাড়া কোন সন্ত্রাসীকে এ পর্যন্ত প্রচলিত আইনে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে?
 
সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী এ প্রসংগে মনে করেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড কখনই দেশের প্রচলিত আইনের বিকল্প ব্যবস্থা হতে পারে না। একইসাথে তিনি মনে করেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড অন্যান্য অপরাধের উৎস।

তিনি প্রশ্ন তোলেন বিগত সময়ে এরশাদ শিকদারের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসীকে দেশের প্রচলিত আইনে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হলে বর্তমানে কেন সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না?

ইকবাল হাসান মাহমুদ বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে মনে করেন, বর্তমানে দেশের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিপক্ষে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ পর্যাপ্ত নয়। তিনি আরও মনে করেন, সন্ত্রাস দমনে একটি বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা গেলে সেটি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

আসিফ সালেহ্ এ প্রসংগে আরও যোগ করে বলেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড রোধে সরকার আন্তরিক হলে সরকার দলীয় সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী উত্থাপিত বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড এবং নির্যাতন প্রতিরোধ বিলটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হওয়া উচিত।

শাহজাহান খান এ প্রসংগে আরও যোগ করতে গিয়ে মনে বলেন, গনসচেতনতা ছাড়া সন্ত্রাস মোকাবেলার আর কোন বিকল্প নেই। দর্শকদের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে কেউ কেউ সন্ত্রাসীদের মদদ দিতে পারেন কিন্তু এজন্য ঢালাওভাবে সকল রাজনীতিবিদদের অভিযুক্ত করা ঠিক নয়।

এসময় একজন দর্শক বলেন, নিরাপত্তার অভাব থেকে দেশের সাধারণ জনগণ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করার সাহস পায় না।

সাইদুল ইসলাম ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তিনি জানতে চান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঋণখেলাপীদের অংশগ্রহন করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে কেন?

audience
প্রশ্নকর্তা একজন দর্শক

প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মি. মাহমুদ। তিনি বলেন, ঢালাওভাবে সকল ঋণখেলাপীদের নির্বাচনে অংশগ্রহনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না করে শুধুমাত্র চিহ্নিত এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণখেলাপীদের নির্বাচনে অংশগ্রহনের অযোগ্য ঘোষনা করা উচিত।

ঢালাওভাবে সকল ঋণখেলাপীদের নির্বাচনে অংশগ্রহনের অযোগ্য ঘোষনা করা হলে অনেকক্ষেত্রে যোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে তিনি উল্লেখ করেন৻

মি. সালেহ্ এ প্রসংগে মনে করেন, কোন প্রকার ঋণখেলাপীদেরই নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে দেয়া উচিত নয়।

এ সময় একজন দর্শক মনে করেন, সরকারী দলের অনুসারীদের মধ্যেই সচারচর ঋণখেলাপের প্রবণতা বেশী দেখা যায়। তিনি জানতে চান সমর্থকদের তুষ্ট রাখতেই কি সরকার ঋণখেলাপীদের নির্বাচনে অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়?

আরেকজন দর্শক বলেন, ঋণখেলাপীদের নির্বাচনে অংশগ্রহনের করতে দেয়া উচিত নয়।
আরেকজন জানান, তিনি মনে করেন নির্বাচনে অংশগ্রহনে প্রার্থীর যোগ্যতা, অযোগ্যতা নির্ধারনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে জনগনের মতামত নেয়া উচিত।

দর্শকদের একজন মনে করেন, যে দেশে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আছে সে দেশে ঋণখেলাপী থাকা খুবই স্বাভাবিক।

এ বিষয়ে মি. খান বলতে গিয়ে মনে করেন, ব্যবসায়ীদের যেমন রাজনীতিতে আসা উচিত নয় তেমনি রাজনীতিবিদদেরও রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেয়া ঠিক নয়। সেই সাথে তিনি মনে করেন, ঋণখেলাপীদের নির্বাচনে অংশগ্রহন করার সুযোগ দেয়া উচিত নয়।

আসিফ সালেহ্
asif saleh
 মানবাধিকার লংঘন তাকেই বলে যখন রাষ্ট্র নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়।
 

সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী এ প্রসংগে ঋণ পরিশোধকে একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা বলে উল্লেখ করেন। একইসাথে তিনি মনে করেন, ঋণখেলাপীদের কোনভাবেই নির্বাচনে অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়া উচিত নয়।

এরপর মি. মাহমুদ মি. খানের কাছে জানতে চান, রাজনীতি যদি কোন পেশা না হয়ে থাকে তাহলে রাজনীতিবিদরা কি করে জীবিকা র্নিবাহ করবে?

চৌধুরী গোলাম রসুল ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তিনি সরকারের কাছে জানতে চান সরকার জনগনকে চালের পর্যাপ্ত মজুদের আশ্বাস দিলেও বর্তমানে কেন চালের দাম বাড়ছে?

প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মি. খান। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের কিছু আসাধু ব্যবসায়ী চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও এসব দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির পেছনে দায়ী।

তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের কাছে চালের পর্যাপ্ত মজুদ আছে এবং ভবিষ্যতে চালের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

বিষয়টি নিয়ে মি. মাহমুদ মনে করেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তিনি মনে করেন, সরকার টিসিবিকে কার্যকর করে ব্যবসায়ীদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারলে দ্রব্যমূল্য জনসাধারনের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকতো।

এসময় একজন দর্শক জানতে চান, মন্ত্রীর আশ্বাসের পরও যদি চালের দাম বাড়ে তাহলে কি হবে?
দর্শকদের মধ্যে আরেকজন মি. খানের কাছে জানতে চান, গুটি কয়েক অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে সরকার জিম্মি কিনা?

সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী
sabrina sultana chowdhury
 দলীয় সংস্কারের কথা তখনই এসেছে যখন দুই নেত্রী জেলে।
 
আরেকজন দর্শক জানতে চান, এখন না বাড়লেও আবার কতদিন পর চালের দাম বাড়বে?
দর্শকদের একজন জানতে চান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ কিনা?

সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী এ প্রসংগে বলতে গিয়ে সরকার দলীয় মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাচনের আগে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার অঙ্গীকার করলেও বর্তমানে দ্রব্যমূল্য
নিয়ন্ত্রণের জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহন করেছে?

তিনি মনে করেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হলে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব।

এ প্রসংগে মি. সালেহ্ বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে দ্রব্যের মূল্য নির্ধারিত হয় বিধায় সরকারের হাতে বাজার নিয়ন্ত্রণের কোন ক্ষমতা নেই।

তিনি পরামর্শ দেন দ্রব্যমূল্য কমাতে হলে সরকারের পণ্যের যোগান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি পণ্যের মজুদ সুসংহত করা উচিত।

এরপর প্রশ্নকারী ছিলেন জামিল বিন খলিল। তিনি বলেন, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলিতে দলীয় প্রধানের সমালোচনা করাকে অন্যায় হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি জানতে চান ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ?

এ প্রশ্নের জবাবে প্রথমেই মি. খান বলেন, একটি গনতান্ত্রিক দেশে সকলেরই মত প্রকাশের সমান অধিকার আছে। তিনি আরও বলেন, দেশের জনগনই নির্ধারন করে দেবে কে দেশকে নেতৃত্ব দিবে।

মি. মাহমুদ এই প্রসঙ্গে জানান, দলকে খাঁটো করে কোন বক্তব্য দেয়া হলে দলীয় বিধি-বিধান ভঙ্গ করা হয়। তিনি মনে করেন, কোন রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে দলের কোন সদস্যের অভিযোগ থাকলে তিনি দলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সভায় বিষয়টি তুলতে পারেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ
iqbal hassan mahmud
 মুক্তবাজার অর্থনীতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ বলে কিছু নেই।
 

এসময় একজন দর্শক জানতে চান, রাজনীতিবিদরা আর কতদিন ‘ট্রায়াল এ্যান্ড এরর ফর্মূলা’ দিয়ে সাধারণ জনগনকে বিভ্রান্ত করবে?

দর্শকদের মধ্যে একজন মি মাহমুদের মন্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন।

এ প্রসংগে সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী মনে করেন, রাজনীতিবিদরা সুবিধা বঞ্চিত হয়ে সংস্কারের ধোঁয়া তুলেন। তিনি মনে করেন, দলে সংস্কারের প্রয়োজন থাকলে বিষয়টি সবার আগে দলের কার্যনির্বাহী সভায় উত্থাপিত হওয়া উচিত ছিলো।

মি. সালেহ্ এ প্রসংগে মনে করেন, একটি দলের মধ্যে মতভেদ থাকতেই পারে। একইসাথে তিনি দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কোন সংসদ সদস্যের ভোট দিতে না পারার (অনুচ্ছেদ-৭০) আইনটিকে অগণতান্ত্রিক বলে অভিহিত করেন।

সবশেষে মি. খান এ প্রসঙ্গে আরও যোগ করতে গিয়ে বলেন, প্রধান দুই রাজনৈতিক নেতা কারাগারে যাওয়ার পরে যারা সংস্কারের কথা বলেছেন তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিলো।

অনুষ্ঠানটি বিবিসি বাংলায় প্রচারিত হয় গত ৪ঠা অক্টোবর, ২০০৯ প্রবাহ অধিবেশনে।

বাংলাদেশ সংলাপ প্রযোজনা করেছেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ।

 
 
সর্বশেষ সংবাদ
 
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন   ছাপার উপযোগী সংস্করণ
 
  RSS News Feed
 
BBC Copyright Logo ^^ পাতার শুরুতে
 
  প্রথম পাতা | বিশেষ আয়োজন | অনুষ্ঠান| বেতার তরঙ্গ | আবহাওয়া
 
  BBC News >> | BBC Sport >> | BBC Weather >> | BBC World Service >> | BBC Languages >>
 
  আমাদের সম্পর্কে | যোগাযোগ | সাহায্যের বোতাম | গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিবৃতি