|
যানজট সমস্যার সমাধান কোথায়?
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
প্যানেল সদস্যরা (বাঁ থেকে): এ.বি. তাজুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন, উপস্থাপক মিথিলা ফারজানা, ত্রপা মজুমদার এবং জাফরুল ইসলাম চৌধুরী।
কথা : কাজল আব্দুল্লাহ্ , ছবি: রাসেল মাহমুদ এবারের বাংলাদেশ সংলাপের আয়োজন ছিলো ঢাকায় গত ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ তারিখে। মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এবারের সংলাপের প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এ.বি. তাজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বেলায়েত হোসেন এবং অভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার।
অনুষ্ঠানের প্রথম প্রশ্ন করেন মো. জাভেদ হোসেন ভূঁইয়া। তিনি জানতে চান, সংসদে ফিরে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রধান বিরোধী দলীয় নেতাকে যে আহবান জানিয়েছেন; বিরোধী দলের সে আহবানে সাড়া দেয়া উচিত কিনা? জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিরোধীদল সংসদে যেতে চায়। একইসাথে তিনি জানান, সংসদে সামনের সারির আসন বন্টন সমস্যার সমাধান না করা পর্যন্ত বিএনপি সংসদে যাবে না। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সংসদের স্পিকার বিএনপিকে সম্মানজনক আসন প্রদানের আশ্বাস দিলেও সেটির বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি ৮ম সংসদের মত বিরোধী দলের জন্য সংসদে আসন বিন্যাসের দাবি জানান। এ.বি. তাজুল ইসলাম এ প্রসংগে জানান, বিরোধী দলে থাকাকালীন সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৫৬ জন সাংসদের বিপরীতে সামনের সারিতে ৭টি আসন পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলে থাকাকালীন সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যে সংসদে সামনের সারিতে যে কয়টি আসন পেয়েছিলো বিএনপিকে সেই অনুপাতেই ৪টি আসন দেয়া হয়েছে।
এসময় একজন দর্শক মন্তব্য করেন, বিরোধী দলকে সংসদে আনতে সরকারী দলের উদার ভূমিকার পরিচয় দেয়া উচিত। আরেকজন দর্শক বলেন, বিরোধী দলের উচিত সংসদে গিয়ে তাদের সমস্যা নিয়ে সরকারী দলের সাথে আলোচনা করা। আরেকজন দর্শক বলেন, জনগনের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে বিরোধী দলের সংসদে যাওয়া উচিত। ত্রপা মজুমদার এ বিষয়ে বলেন, কোন ইস্যু ছাড়া বিরোধী দলের সংসদ বর্জন এদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে গেছে। তিনি জানান যে তিনি মনে করেন, নির্বাচিত সাংসদরা সংসদে যেতে জনগনের নিকট দায়বদ্ধ। একইসাথে তিনি মনে করেন, জনগনের উচিত বিরোধী দলের উপর চাপ সৃষ্টি করে জনগনের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া। এই বিষয়ে বেলায়েত হোসেন বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং দায়িত্বশীলতার উপর শ্রদ্ধা রেখে বিরোধী দলের সংসদে যাওয়া উচিত। একইসাথে তিনি মনে করেন, বিরোধী দলকে সংসদে আনতে সরকারী দলকেই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, জনগনের কল্যাণের জন্যই সংসদকে প্রাণবন্ত করা উচিত। সংসদে অংশগ্রহন প্রশ্নে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিএনপি সংসদে আসন বিন্যাসের সম্মানজনক সমাধানের পাশাপাশি সংসদে গিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করতে চায়। এ.বি. তাজুল ইসলাম যোগ করেন, বিরোধী দলের আসন বিন্যাসের সম্মানজনক সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী আহবান সাড়া দিয়ে বিএনপির সংসদে যাওয়া উচিত। প্যানেল সদস্যের মতামত শুনে প্রশ্নকর্তা জাভেদ হোসেন ভূঁইয়া মনে করেন, জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সরকারকে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড়
করানোর জন্যই বিরোধী দলের সংসদে আসা উচিত।
এরপর প্রশ্ন করেন মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। তিনি জানতে চান, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি রোধে সরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেন? প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মি. ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব কঠোর হস্তে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবজি দমন করা। তবে তিনি মনে করেন, টেন্ডারবাজি রাতারাতি রোধ করা সম্ভব নয়। তিনি জানান, টেন্ডারবাজি রোধে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এ প্রসংগে মি. হোসেন মনে করেন, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবজি রোধে সরকারের আন্তরিকতা রয়েছে। একই সাথে তিনি মনে করেন, টেন্ডারবাজি সম্পূর্ণ দমন করতে হলে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টেন্ডারবাজদের রাজনৈতিক প্রশ্রয় দেয়া বন্ধ করতে হবে। এসময় একজন দর্শক মি. ইসলামের কাছে জানতে চান, সরকার কেন টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না? আরেকজন দর্শক বলেন, টেন্ডারবাজির সময় আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে। তিনি মনে করেন, আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সক্রিয় করলে টেন্ডারবাজি দমন করা সম্ভব। দর্শকদের একজন জানতে চান, টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে সরকারের প্রচারণা এবং বাস্তবায়নের মধ্যে পার্থক্য থাকার কারণ কি? আরেকজন দর্শক মনে করেন, সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে টেন্ডারবাজদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। টেন্ডারবাজি নিয়ে ত্রপা মজুমদার বলেন, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি রোধে সরকারের ব্যর্থতার কারণ তার কাছে স্পষ্ট নয়। তিনি মনে করেন, টেন্ডারবাজি প্রতিরোধে প্রশাসনে দলীয় নিয়োগের সংস্কৃতির পরিবর্তন হওয়া দরকার।
মি. চৌধুরীও এ বিষয়ে মনে করেন, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়া দরকার এবং এর জন্য সরকারের সদিচ্ছা প্রয়োজন। তিনি আরও যোগ করেন এই বলে যে, টেন্ডারবাজি দমনে সরকারের সদিচ্ছার কমতি নেই। এসময় একজন দর্শক বলেন, দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সক্রিয় করতে হবে। আরেকজন দর্শক জানতে চান, টেন্ডারবাজি রোধে সরকার এ পর্যন্ত কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে? দর্শকদের একজন মনে করেন, রাজনৈতিক প্রশ্রয়ের কারণে অপরাধীরা অপরাধে উৎসাহী হয়। মি. ইসলাম বলেন, টেন্ডারবাজদের রক্ষায় সরকারের কোন কর্তাব্যক্তি যাতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর প্রভাব বিস্তার না করে, সে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। খালেদা আক্তার ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত সফর শেষে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন টিপাইমুখ বাঁধ সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হবে না। তিনি জানতে চান কিসের ভিত্তিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন? প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মি. ইসলাম। তিনি জানান, টিপাইমুখ এলাকায় কোন প্রকার নির্মাণ চলছে না। তিনি দাবি করেন, টিপাইমুখ এলাকায় বাঁধ নির্মাণের ব্যাপারে ভারত নিজেও সন্দিহান। তিনি জানান, ভারত যেহেতু বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে বাংলাদেশের ক্ষতি করে তারা কোন কিছু করবে না তাই তাদের আশ্বাসের উপর আস্থা রেখে এবং টিপাইমুখ এলাকায় কোন বাঁধ নির্মাণের আলামত না পেয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন। মি. চৌধুরী এ প্রসংগে তার মতামত দিতে গিয়ে মনে করেন, টিপাইমুখে বাঁধ হলে দেশ মরুভূমি হয়ে যাবে। তিনি জানান, টিপাইমুখ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে তিনি আশ্বস্ত হতে পারেন নি। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, অতীতে বাংলাদেশের সাথে পানি বন্টন চুক্তি ভারত সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে নি।
এসময় একজন দর্শক জানতে চান, সরকারের এন্টি-ফারাক্কা কোন ব্যবস্থা নেয়ার পরিকল্পনা আছে কিনা? আরেকজন দর্শক মনে করেন, টিপাইমুখের বাঁধ সংক্রান্ত আশ্বাসে আশ্বস্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। দর্শকদের একজন বলেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল টিপাইমুখ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন না করে শুধু ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের প্রেক্ষিতে জনগনকে আশ্বস্ত করেছেন। আরেকজন দর্শক মনে করেন, টিপাইমুখের বাঁধ নিয়ে ভারত বাংলাদেশের জনগনকে অনিশ্চায়তায় রেখেছে। মি. হোসেন বিষয়টি নিয়ে মনে করেন, টিপাইমুখ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সেটির ফলাফল বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ হবে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে টিপাইমুখ প্রকল্প সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সংসদের মাধ্যমে সেগুলি জনগনের কাছে তুলে ধরা উচিত। তিনি জানান, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশকে দেয়া ভারতের আশ্বাসে তিনি আশ্বস্ত বোধ করছেন না। মি. ইসলাম টিপাইমুখ নিয়ে আরও যোগ করতে গিয়ে বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে দেশবাসীর আশ্বস্ত হওয়া উচিত। তিনি জানান, সরকার বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যেকোন পদক্ষেপ সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করবে। মো. আব্দুস সালাম ছিলেন পরবর্তী প্রশ্নকর্তা। তিনি তেল-গ্যাস-কয়লা-বন্দর রক্ষা কমিটির ডাকা হরতালের প্রেক্ষিতে জানতে চান, হরতালের সংস্কৃতি সমর্থনযোগ্য কিনা? প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন ত্রপা মজুমদার। তিনি এ বিষয়ে মনে করেন, হরতাল অধিকার আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হলেও বাংলাদেশে এটির অপপ্রয়োগ হচ্ছে। তিনি বলেন, মানুষকে হরতাল পালনে বাধ্য না করে অধিকার আদায়ের জন্য বিকল্প কোন পন্থা খোঁজা উচিত।
একইসাথে তিনি উল্লেখ করেন, জনগনের তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করা না গেলে দিনের পর দিন হরতাল ডেকেও কোন লাভ হবে না। মি. চৌধুরী এ প্রসংগে জানান, বিএনপি হরতাল সমর্থন না করলেও অধ্যাপক আনু মুহম্মদ সহ তেল-গ্যাস-কয়লা-বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্যদের উপর পুলিশী হামলার প্রতিবাদে এ হরতালকে সমর্থন দিয়েছে। এসময় একজন দর্শক বলেন, জনগন সরকারের কাছে তাদের দাবি আদায়ের প্রত্যাশা করে কিন্তু সেটি হরতাল দিয়ে নয়। আরেকজন দর্শক মনে করেন, অর্থনীতিবিদ আনু মুহম্মদের উপর পুলিশী হামলার প্রতিবাদ হিসেবে জনগন এই হরতালকে সমর্থন করবে। দর্শকদের মধ্যে একজন মনে করেন, অধিকার আদায়ে সংগ্রামরত জনগনের উপর পুলিশী হামলা কোনভাবেই একটি গণতান্ত্রিক দেশে মেনে নেয়া যায় না। তিনি এ ব্যাপারে সরকারের জবাবদিহি কামনা করেন। দর্শকদের মধ্যে আরেকজন জানতে চান, হরতালে কেন ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হয়? এ প্রসংগে মি. হোসেন বলেন, তেল-গ্যাস-কয়লা বন্দর রক্ষা কমিটির দাবি যৌক্তিক হলেও সাধারণ জনগনের কথা মাথায় রেখে রমজান মাসে হরতালের বিকল্প কোন প্রতিবাদ কর্মসূচী বিবেচনা করা উচিত ছিলো। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে হরতালের কারণেই বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। মি. ইসলাম জানান, তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের যে চুক্তির বিরুদ্ধে বর্তমানে যে প্রতিবাদ কর্মসূচী চলছে সেটি এদেশে ১৯৮৮ সাল থেকে প্রচলিত। তিনি আরও জানান, যারা বিদেশী কোম্পানির সাথে চুক্তির প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচী দিচ্ছেন তাদের শীর্ষ নেতাদের বিষয়ে একটু খোঁজখবর নিলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মি. ইসলাম। তিনি মনে করেন, অফিস সময়সূচী নিয়ন্ত্রণ করে যানজট নিরসনে সাময়িক কিছু সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। তবে তিনি মনে করেন, সার্বিকভাবে যানজট সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। মি. হোসেন মনে করেন, যানজট নিরসনে অফিসের সময়সূচী পরিবর্তন সাময়িকভাবে কার্যকর হবে। একইসাথে তিনি মনে করেন, যানজট নিরসনে সরকারের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, জনসচেতনতা তৈরীসহ দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। সবশেষে মি. চৌধুরী এ প্রসংগে মনে করেন, যানজট নিরসনে অফিসের সময়সূচী পরিবর্তনের পাশাপাশি জনগন যাতে এটি মেনে চলে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। এসময় একজন দর্শক মনে করেন, যানজট নিরসনে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দিকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। দর্শকদের মধ্যে আরেকজন মনে করেন, সময় পরিবর্তন করে যানজট নিরসনে সুবিধা পেতে হলে সকলেরই নিয়মটি মেনে চলতে হবে। ত্রপা মজুমদার এ প্রসংগে বলেন, যানজটে সময়ের একটি ভূমিকা আছে। একইসাথে তিনি মনে করেন, অফিসের সময় পরিবর্তন যানজট নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে। সবশেষে তিনি উল্লেখ করেন, জনগনের আইন-শৃংখলা মেনে চলার জন্য সরকারের সচেতনতামূলক প্রচারণা এই মুহুর্তে ভীষণ দরকার। (অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয় গত ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিবিসি বাংলার ‘প্রবাহ’ অধিবেশনে৻) বাংলাদেশ সংলাপ প্রযোজনা করেছেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ। |
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||