24 জুন, 2009 - প্রকাশের সময় 19:21 GMT
প্যানেল সদস্যরা (বাঁ থেকে): টিপু মুন্সি, মো আব্দুল জলিল মিঞা, উপস্থাপক মিথিলা ফারজানা, মুশফেকা রাজ্জাক এবং মোজাফ্ফর হোসেন।
কথা : কাজল আব্দুল্লাহ্ , ছবি: রাসেল মাহমুদ
এবারের বাংলাদেশ সংলাপের আয়োজন ছিলো রংপুরে গত ৬ই জুলাই, ২০০৯ তারিখে। বাংলাদেশ সংলাপের সঞ্চালনায় ছিলেন মিথিলা ফারজানা এবং প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য টিপু মুন্সি, রংপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজাফ্ফর হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আব্দুল জলিল মিঞা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন আইভিএস এর দলনেতা মুশফেকা রাজ্জাক।
আমন্ত্রিত দর্শকরা মিলনায়তনে প্রবেশের সময় যে লিখিত প্রশ্নগুলো জমা দেন প্রতিবারের মতো তা থেকেই বাছাই করে নেয়া হয় এবারের বাংলাদেশ সংলাপের প্রশ্ন সমূহ। প্যানেল সদস্যরা উত্থাপিত প্রশ্নের উপর তাৎক্ষনিকভাবে তাদের বক্তব্য, মতামত অথবা মন্তব্য প্রদান করেন, সেই সাথে উপস্থিত অন্য দর্শকরাও প্রশ্নের উপর বিভিন্ন মতামত প্রদানের এবং সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানের প্রথম প্রশ্ন করেন প্রতিভা রঞ্জন গোস্বামী বাবু। তিনি বলেন ধানের উৎপাদন খরচ হয়েছে অনেক বেশী, কিন্তু দাম কমে যাওয়ায়
কৃষকেরা এখন দিশেহারা। তিনি জানতে চান এ সমস্যার সমাধান কি?
![]() |
|
প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মুশফেকা রাজ্জাক। তিনি বলেন ধানের উৎপাদন খরচের সাথে সরকার নির্ধারিত মূল্যের সামঞ্জস্য আছে। তার মতে বর্তমানে সার ও ডিজেলের দাম কমে যাওয়ার কারণে ধানের উৎপাদন খরচও কমে যাবে।
তিনি কৃষকের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে দায়ী করেন মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের।
এ প্রসংগে মো. আব্দুল জলিল মিঞা বর্তমান সময়কে ক্রান্তিকাল উল্লেখ করে বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রি করলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তার মতে এ সমস্যা থেকে উত্তোরণের জন্য অপেক্ষার বিকল্প নেই।
এসময় একজন দর্শক জানান সরকার কর্তৃক ধানের নির্ধারিত মূল্য এবং বাজার মূল্যের মধ্যে বিস্তর ফারাক এবং আমাদের দেশের বেশীরভাগ কৃষকই দরিদ্র বর্গাচাষী। তিনি জানতে চান এই দরিদ্র কৃষকেরা কিভাবে অত্যধিক উৎপাদন মূল্যের ধাক্কা সামাল দেবে?
আরেকজন দর্শক জানতে চান কৃষকেরা এ বছর যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে সেটি নিরসনে সরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা?
দর্শকদের মধ্যে থেকে আরেকজন জানান, আমাদের দেশের দরিদ্র কৃষকেরা যদি ধান উৎপাদন করতে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে তাদের উৎপাদনের সাধ থাকলেও সাধ্য থাকবে না। তার মতে কৃষকের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকারের আরও গুরুত্ব দেয়া উচিত।
এ ব্যাপারে মোজাফ্ফর হোসেন মনে করেন সরকারের ভুল নীতিকুশলতা কৃষকের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তির অন্তরায় হতে পারে। তিনি পরামর্শ দেন কৃষকেরা যদি মধ্যস্বত্ত্বভোগী বাদে সরাসরি সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পারে তাহলে এই সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান করা সম্ভব।
তিনি মনে করেন সকল দলমত নির্বিশেষে একটা সম্মিলিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত যাতে কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পেতে পারে।
টিপু মুন্সিও ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তির মূল প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেন মধ্যস্বত্ত্বভোগীদেরকে। তিনি জানান সরকারের সিদ্ধান্তগত কোন ভুল না থাকলেও প্রয়োগজনিত কিছু কৌশলগত সমস্যা বিদ্যমান।
তিনি আরও জানান প্রয়োগজনিত এই কৌশলগত সমস্যা নিরসনের জন্য সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে যার সুফল খুব শীঘ্রই পাওয়া যাবে।
পরবর্তী প্রশ্নকর্তা ছিলেন এস. এম. বাহাদুর আলম। তিনি জানতে চান টিপাইমুখের বাঁধ নিয়ে আসলেই কি রাজনীতি হচ্ছে?
এ প্রশ্নের জবাবে মি. মিঞা মনে করেন টিপাইমুখের বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে যাতে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ একটা লাভজনক সমাধানে আসতে পারে।
মি. হোসেন টিপাইমুখের বাঁধ প্রসংগে বলেন সম্মিলিতভাবে জাতীয় চেতনা নিয়ে এটি নির্মাণের প্রতিবাদ করা উচিত। তিনি বলেন এ সংকট নিরসনে বিএনপি সরকারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে যেটি গ্রহন করার দায়িত্ব সরকারের।
তবে তিনি মনে করেন বলেন টিপাইমুখের বাঁধ ইস্যু এবং বাজেট অধিবেশনের জন্য বিএনপির সংসদে যাওয়া উচিত।
এসময় একজন দর্শক বলেন টিপাইমুখের বাঁধ নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে এ কথা জানা গেছে একজন বিদেশী রাষ্ট্রদূতের কাছ থেকে। তিনি জানতে চান একজন বিদেশী রাষ্ট্রদূতের পক্ষে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কতটুকু কথা বলার অধিকার আছে?
আরেকজন দর্শক জানান টিপাইমুখের বাঁধ আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের জন্য ক্ষতিকর। তিনি মনে করেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে এ বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতা করা উচিত।
আরেকজন দর্শক জানান টিপাইমুখের বাঁধ বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য একটা বড় ইস্যু। তিনি জানতে চান দেশীয় স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দরা কতটা জোরালো ভূমিকা রাখছে?
মুশফেকা রাজ্জাক বলেন টিপাইমুখের বাঁধের মত জাতীয় ইস্যুতে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। তিনি মনে করেন সকল দেশেরই কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে চলা প্রয়োজন।
তিনি মনে করেন সকল রাজনৈতিক দলেরই জনগনকে সঙ্গে নিয়ে এ বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতা করা উচিত।
মি. মুন্সি বলেন একজন রাষ্ট্রদূত একটি দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কতটুকু বলতে পারেন এটা নির্ধারণ করবে সরকার। তিনি মনে করেন টিপাইমুখের বাঁধের প্রভাবে আমাদের দেশের সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিরূপণে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা উচিত।
তিনি আরও বলেন বিশেষজ্ঞ দল যদি মনে করে এই বাঁধ আমাদের জন্য ক্ষতিকর তাহলে সর্বসম্মতভাবে সমস্ত দেশবাসীর এ বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
এর পরের প্রশ্ন করেন মো. আব্দুল হাই। তিনি জানতে চান বড়পুকুরিয়া ও খালাস পীরের কয়লা তথা উত্তরবঙ্গের খনিজ সম্পদ দেশীয় ব্যবস্থাপনায় উত্তোলনের ব্যবস্থা করা যায় কিনা?
মি. মিঞা এ প্রসংগে সর্বাগ্রে দক্ষ জনশক্তি তৈরীতে গুরুত্ব আরোপ করেন।
মুশফেকা রাজ্জাক এ প্রসংগে মনে করেন খনিজ সম্পদ উত্তোলনের আগে অসম কোন চুক্তিতে সরকারের যাওয়া ঠিক নয় এবং এ বিষয়ে নিজ দেশের স্বার্থ সর্বাগ্রে বিবেচনা করা উচিত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন এর (বিদেশী ব্যবস্থাপনায় খনিজ উত্তোলন) বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের আন্দোলনের পাশাপাশি খনিজ সম্পদ উত্তোলনের সর্বোত্তম বিকল্পগুলোও প্রদান করা উচিত।
দর্শকদের মধ্যে থেকে একজন ফুলবাড়ী কয়লাখনি আন্দোলনে নিহতদের প্রসংগ টেনে মি. হোসেনের কাছে জানতে চান জানতে চান বিগত জোট সরকারের আমলে খনিজ সম্পদ আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছে তাদের জন্য তৎকালীন সরকার তাদের জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছিল?
আরেকজন দর্শক মন্তব্য করেন বাংলাদেশকে কৃষি নির্ভর না করে খনিজ সম্পদ নির্ভর করা উচিত।
মি. হোসেন এ ব্যাপারে বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় খনিজ বিশেষজ্ঞদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগ গ্রহনের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।
এছাড়া ফুলবাড়ী কয়লাখনি আন্দোলন সংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান কোন সরকারই হত্যাকান্ড সমর্থন করে না। তিনি আরও জানান ফুলবাড়ী হত্যাকান্ডের আইনি প্রক্রিয়া চলছে এবং অপরাধী যেই হোক তার বিচার হবে।
মি. মুন্সি জানান কয়লা উত্তোলনের জন্য যে দু’টি খনন পদ্ধতি (উন্মুক্ত পদ্ধতি এবং বদ্ধ পদ্ধতি) ব্যবহার করা হয় এদের মধ্যে বদ্ধ খনন পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করলে পরিবেশগত কিছু ক্ষতির পাশাপাশি মোট কয়লার মাত্র ১৫ শতাংশ উত্তোলন করা যায় অন্যদিকে উন্মুক্ত খনন পদ্ধতি উত্তোলনে পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ একটু বেশী হলেও কয়লা উত্তোলনের হার অনেক বেড়ে যায়।
তিনি বাস্তবসম্মতভাবে বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে সবচেয়ে উপযোগী এবং কার্যকর পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়া তিনি আরও জানান অতিশীঘ্র এ দেশে কয়লানীতি প্রণীত হতে যাচ্ছে।
এসময় একজন দর্শক জানতে চান খনিজ সম্পদ উত্তোলনের চুক্তি খনিজ সম্পদ বন্টনের মাধ্যমে না করে পারিশ্রমিকের মাধ্যমে করা যায় কিনা?
এ সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মি. মুন্সি জানান রয়ালটির মাধ্যমে খনিজসম্পদ উত্তোলনের চুক্তি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং গৃহীত।
এরপর প্রশ্নকারী ছিলেন মো. খালেদুর রহমান শাহীন। তিনি উল্লেখ করেন রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের সরকারি ঘোষণার সুযোগ নিয়ে বড় অনেক অপরাধী মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচেছ। তিনি জানতে চান এভাবে চলতে থাকলে দেশে অপরাধ কমবে কি?
প্রথমেই এ প্রশ্নের জবাব দেন মি. হোসেন। বিষয়টিকে তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ব্যর্থতা অভিহিত করে বলেন যে সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপর অবিচার করা হয়েছে শুধুমাত্র তারাই যখন ছাড় পায় তখনই জনগনের ভোট দেয়ার প্রকৃত উদ্দেশ্য সার্থক হয়।
মি. মুন্সি এ প্রসংগে মনে করেন কেউ রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা ফেঁসে গেলে তার পার পাওয়া উচিত কিন্তু কোন সত্যিকারের অপরাধীর এ সুযোগ পাওয়া উচিত নয়।
সত্যিকার অর্থে দোষী কোন ব্যক্তি যেন এই আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে না যায় এব্যাপারে তিনি সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।
এসময় একজন দর্শক মনে করেন এদেশে মামলাগুলোকে যথাযথভাবে বিচার বিশ্লেষণ না করে এবং ক্রিয়াক্রম না মেনেই বিশেষ ব্যক্তির সুপারিশে রাজনৈতিক মামলা বিবেচনায় ছাড় দেয়া হয়।
তাঁর মতে সরকারের উচিত প্রকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলোকে সঠিক উপায়ে যাচাই বাছাই করে চিহ্নিত করা, নাহলে রাজনৈতিক মামলার নামে অনিয়ম চলতেই থাকবে।
মি. মিঞা এ প্রসংগে মি. মুন্সির সাথে একমত পোষণ করে বলেন ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি রাজনৈতিক মামলা যাচাই বাছাই করার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।
মুশফেকা রাজ্জাক এ প্রসংগে মনে করেন রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে করা উচিত। তার মতে রাজনৈতিক মামলার মাধ্যমে বিচার বিভাগকে প্রভাবিত কর হয়।
অনুষ্ঠানের সর্বশেষ প্রশ্ন করেন শিক্ত সরকার। তিনি জানতে চান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে রংপুর কবে বিভাগ হবে?
মি. মিঞা এ প্রসংগে মতামত দিতে গিয়ে বলেন তার জানা মতে রংপুরকে বিভাগ করার কাজ চলছে এবং এ ব্যাপারে অতিদ্রুত সরকারি ঘোষণা আসবে।
মুশফেকা রাজ্জাক এ প্রসংগে বলেন রংপুরকে বিভাগ করা অতিজরুরী এবং এটি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ওয়াদা। তিনি মনে করেন রংপুরকে বিভাগ করা হলে এর প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হবে।
আরেকজন দর্শক সরকারের কাছে দাবি জানান রংপুরকে বিভাগ করার পাশাপাশি রংপুরে গ্যাস এবং রেলপথ সংযোগ দেয়া হোক।
দর্শকদের মধ্য থেকে আরেকজন ১৬টি জেলার সমন্বয়ে গঠিত হলেও এখনও রংপুরকে কেন বিভাগে রূপান্তরিত করা হয়নি এই বলে বিস্ময় প্রকাশ করেন।
আরেকজন দর্শক বর্তমান সরকারের মেয়াদের প্রথমভাগেই রংপুর বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি জানান।
দর্শকদের একজন রংপুর বিভাগের পাশাপাশি রংপুর শিক্ষা বোর্ডের জোর দাবি উত্থাপন করেন।
মি. হোসেন এই বছরের মধ্যেই রংপুরকে বিভাগ করার জোর দাবি জানান।
মি. মুন্সি এ প্রসংগে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের সূত্র ধরে জানান রংপুরকে বিভাগে রূপান্তরের কাজ চলছে এবং তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এটি এই বছরের মধ্যেই আলোর মুখ দেখবে।
(অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয় গত ৭ই জুলাই, ২০০৯ বিবিসি বাংলার ‘প্রবাহ’ অধিবেশনে৻)
বাংলাদেশ সংলাপ প্রযোজনা করেছেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ।