BBCBengali.com
BBCHindi.com
BBCNepali.com
BBCSinhala.com
BBCTamil.com
BBCUrdu.com
 
সর্বশেষ আপডেট: 28 মে, 2008 - প্রকাশের সময় 18:46 GMT
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন   ছাপার উপযোগী সংস্করণ
‘ভদ্রলোকের সমঝোতা‘ প্রয়োজন
 
Sanglap panelists May 24 2008
প্যানেল সদস্যরা (বাঁ থেকে): রফিকুল হক, শামসুজ্জামান দুদু, উপস্থাপক কামাল আহমেদ, সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এবং মেজর (অবসরপ্রাপ্ত ) আব্দুল মান্নান

কথা ও ছবি: রাসেল মাহমুদ

বাংলাদেশ সংলাপে গত ২৪শে মে’র আয়োজন ছিলো ঢাকায় বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। আর এবারের আয়োজনে প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক এটর্নী জেনারেল রফিকুল হক, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল মান্নান, বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু এবং আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সহ সম্পাদিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি।

বরাবরের মতোই আমন্ত্রিত দর্শকরা মিলনায়তনে ঢোকার সময় যে লিখিত প্রশ্ন জমা দেন সেগুলো থেকেই বাছাই করে নেয়া হয় এবারের অনুষ্ঠানের প্রশ্ন সমুহ। প্যানেল সদস্যরা এবং উপস্থিত দর্শকরা উত্থাপিত প্রশ্নের উপর তাদের মতামত জানান। সেই সাথে দর্শকরা প্রশ্নের উপর বিভিন্ন সম্পুরক প্রশ্ন করাও সুযোগ পান।

আনুষ্ঠানের প্রথম প্রশ্ন করেন সারোয়ার নুসরাত আফরোজ। তিনি জানতে চান, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের যে অভাব দেখা যাচ্ছে তাতে সংলাপ সফল হওয়ার সম্ভবনা কতটুকু?

আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন যে তারা মনে করেন জাতীয় সমস্যা সমাধানের প্রধান পথ সংলাপ আর তাই তারা সংলাপকে গুরুত্ব দিয়ে সংলাপে গিয়েছিলেন। সরকারেরও আন্তরিকতা তারা সেখানে দেখেছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন৻ তিনি মনে করেন যে সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য সম্ভব।

Rafiqul Huq
রফিকুল হক

সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী বলেন ভিন্ন মত প্রকাশের মানে অনৈক্য নয়। ভিন্ন মত দলীয় পর্যায়ে থেকে আসতেই পারে। তিনি আরো বলেন সংলাপের বিকল্প নেই বলেই সব দলই এটি চেয়েছে আর সে কারনেই সংলাপ এসেছে।

মিস এওমলী আরো বলেন যে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্যই সংলাপ, কিন্তু তার জন্য যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রয়োজন, তা এখনো তৈরী হয়নি। তিনি ইতিহাসের উদাহরন তুলে ধরে বলেন সংলাপ সফল করতে হলে রাজনীতিকে মুক্ত করে দিয়েই করতে হবে।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন ভিন্ন মত আছে বলেই ভিন্ন ভিন্ন দল হয়েছে। তিনি মনে করেন নির্বাচনের জন্য অনেক আগে থেকেই বিএনপি তৈরী ছিলো। এখন যে সংলাপ হচ্ছে তা সফল হবে কি না সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এখানে সবচেয়ে বড় হলো সরকার কি করতে চায়। তিনি তাদের মুখ্য আলোচ্য বিষয় হিসেবে নির্বাচকেই তুলে ধরেন। আর জাতীয় ঐকমত্যের ব্যাপারে তিনি সরকারের সদিচ্ছাই মূল বলে উল্লেখ করেন।

দর্শকদের একজন বলেন বিকল্প ধারার সাথে হওয়া সংলাপে তারা দেখেছেন প্রধান উপদেষ্টা তাদের কাছে স্পষ্ট হয়নি। অন্য এক দর্শক বলেন সংলাপের যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে তাদের মনে হয়েছে এ সংলাপ এক ধরনের ভাঁওতাবাজি মাত্র।

এসময় সম্পুরক প্রশ্ন করেন মো মোশারফ হোসাইন। ‘নির্বাচন হবে কি না, তা নির্ভর করছে সংলাপের সাফল্যের উপর‘ -- গাজীপুরে গত ২১শে মে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এ উক্তি ১৯৬৯ হতে ২০০৭ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংলাপ সফল না হওয়ার কথাই কি মনে করিয়ে দেয় না?

রফিকুল হক বিষয়গুলি নিয়ে বলেন, সংলাপ যারা করছেন তাদের পেছনের কথা সবাই জানেন। আর তিনি মনে করেন যে বড় দুই দলের উপরই সংলাপের সফলতা নির্ভর করছে। তিনি সেই সাথে সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন কোন এক অদৃশ্য শক্তি চায়না যে নির্বাচন হোক। তাই তিনি মনে করেন সেই কারনেই বড় দুই দলের উচিত সংলাপে যাওয়া।

সরকারের স্বার্থে সংস্কার
Shamsuzzaman Dudu
 এগারোই জানুয়ারীর পরে 'সংস্কার' এতো বেশী আলোচিত শব্দ . . . তাতে মনে হচ্ছে সংস্কার মানেই হলো সরকারের পক্ষে লোক যোগাড় করা
 
শামসুজ্জামান দুদু

মি হক আরো বলেন যে দুই নেত্রীকে রাজনৈতিকভাবেই মুক্ত করতে হবে, আর সে কারনেই দলগুলোর সংলাপে বসা উচিত ৻

মি মান্নান বিষয়টি নিয়ে আবারো বলেন সব দলেরই সংলাপে বসা উচিত এবং দেখা উচিত কি হয়। তিনি বলেন সংলাপ সফল না হলে আরো অনেক পথ খোলা আছে।

মি দুদু বলেন সংলাপ সফল না হওয়ার সম্ভবনা থেকে যাচ্ছে কারন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা একেক সময় একেক কথা বলছে। তবে তিনি সেই সাথে আরো বলেন তার দল সংলাপে যেতেই চায় তবে সেই সাথে তারা চান চেয়ারপার্সনকে নিয়েই সংলাপে যেতে।

একই কথা বলেন সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী।

পরের প্রশ্ন করেন মো সোহেল রানা আকন্দ। তিনিও সংলাপ বিষয়েই তাঁর প্রশ্ন করেন। নির্বাচনের পর দেশ কিভাবে পরিচালিত হবে , জাতীয় সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তা লিখিত নেয়া উচিত কি না? এ বিষয়ে তিনি নিজের মন্তব্য জানাতে গিয়ে বলেন, দেশের সংবিধান অনুসারে কোন রাজনৈতিক দলই চলে না, যখন যে বিরোধীদল থাকে তারাই সংসদে না গিয়ে রাজপথে থাকে।

মি দুদু মনে করেন আগের চাইতে এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে তাই এখন লিখিত কিছুর দরকার নেই। আর নির্বাচনের ফলাফল অনুসারে বিরোধী দল সংসদে গিয়েওছে। এছাড়াও তিনি মনে করেন সংসদ বর্জনের যৌক্তিক কারন থাকতেই পারে। আর তিনি মনে করেন এখানে এমন কিছু করা উচিত হবে না যেটি ঐক্যের চাইতে বিভেদ বাড়বে।

মি মান্নান মনে করেন জাতীয় স্বার্থে একটি ঐকমত্য প্রয়োজন। তিনি বলেন নির্বাচনের আগেই একটি ঐকমত্যে পৌছানো প্রয়োজন তবে সেটি লিখিতভাবেই নিতে হবে এমন নয়।

দর্শকদের একজন এসময় বলেন সংলাপ ব্যর্থ হলে আবার এগারোই জানুয়ারীর পরিস্থিতি তৈরী হবে কি না? আরো এক দর্শক বলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক সংলাপ হয়েছে এবং তা ব্যর্থ হয়েছে এবং আন্দোলনই তার সমাধান করতে পেরেছে। এক দর্শক রাজনীতিবিদদের মানসিকতার পরিবর্তনের কথা বলেন।

Audience member at Sanglap debate
একজন দর্শক প্রশ্ন করছেন

সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী বলেন ১৯৭২ সালের সংবিধান অনেক পরিবর্তন হয়েছে অনেক পরিমার্জন হয়েছে তেমনি পরিবর্তন রাজনীতিবাদদের হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

মি হক বলেন জাতীয় সনদ হলো কি হলো না তা বড় কথা নয় বরং এখানে বড় কথা হলো সবাই মিলে মিশে একটি ঐক্যে পৌছানো। তিনি জানান সংবিধানের উপরে আর কিছু হতে পারে না, এখানে দরকার ভদ্রলোকের সমঝোতা।

পরের প্রশ্ন করেন মো আশরাফুজ্জামান। তিনি জানতে চান রাজনৈতিক দলের যে সংস্কারের উদ্দ্যেশে ত্ত্ত্বাবধায়ক সরকার এতো সময় নিলো সে সংস্কার কি আদৌ হয়েছে? এ বিষয়ে তাঁর মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন এইপ্রশ্নের উত্তরে রাজনৈতিক দলগুলো ঘরোয়া রাজনীতি উন্মুক্ত না থাকার কথা বলবে, কিন্তু সংস্কারের নামে এখন যা চলে তা তাঁর নিজের মনে কোন আশা জাগায় না।

সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী বলেন এ বিষয়ে মনে করেন, সরকারের উচিত ছিলো একটি বিধিমালা তৈরি করে দেয়া। দলীয় কাউন্সিল কতদিনে হবে সেখানেও নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ থাকা উচিত বলে তাঁর মত। এখানে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার প্রয়োজন বলেন তিনি মনে করেন। তাতে দলগুলি ক্রমাগত সংস্কার করতে বাধ্য থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মি দুদু মনে করেন এগারোই জানুয়ারীর পরে সংস্কার এতো বেশী আলোচিত শব্দ তাতে তাঁর কাছে মনে হয়েছে সংস্কার মানে হলো সরকারের পক্ষে লোক যোগাড় করা। তিনি বলেন যে তাঁদের দলের গঠনতন্ত্র চেয়াপার্সন কেন্দ্রিক এবং দলের স্থায়ী কমিটির মিটিং ডাকতে হলে চেয়াপার্সনের উপস্থিতি দরকার। তবে তিনি মনে করেন যে তাদের দলের সংস্কার তারপরেও অনেকটাই এগিয়েছে।

নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ
Shagufta Yasmin Emily
 এই সরকার এসেইছে জাতীয় নির্বাচন করার জন্য . . . আগামী সাত মাসের মধ্যে সরকার নির্বাচন বিষয়ে কি করতে পারবে?
 
সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলি

দর্শকদের একজন বলেন রাজনৈতিক সংস্কার সঠিক পথে এগুতে পারছেনা। আরেক দর্শক বলেন দলীয় নেত্রীর কাছে ক্ষমতা না থাকলে অনেক সময়ই দল অসুবিধায় পড়ে। আরো এক দর্শক নেতাদের মানসিক পরিবর্তন হওয়া উচিত বলে মনে করেন।

মি হক বিষয়টি নিয়ে বলেন গণতন্ত্র মানে এমন নয় যে একজনের সিদ্ধান্তই সব। তিনি মনে করেন একজন নেতার মনোনয়ন হওয়া উচিত তৃণমুল পর্যায় থেকে, কিন্তু বাংলাদেশে তা হয় দলের উচ্চ পর্যায় থেকে। তিনি মনে করেন এটি কোন গণতন্ত্র নয়। তিনি একই সাথে দ্রুত নির্বাচনের কথা বলেন। আর সংস্কার করার জন্য দল গুলো যথেষ্ট সময় পায়নি এবং সেটি করার জন্য নেতাদের মানসিকতার পরিবর্তন হওয়া দরকার বলেও তিনি মনে করেন।

মি মান্নান স্বীকার করেন যে একটি রাজনৈতিক দলে সংস্কার খুবই প্রয়োজন আর এতোদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার খেসারত দিচ্ছে দেশ। তিনি বলেন সংস্কার নিয়মিত হলে দল গতিশীল হয়। তিনি আরো বলেন এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে সংস্কার খুব একটা হয়নি বলেন তিনি মনে করেন।

পরের প্রশ্ন করেন সৈয়দ আহমেদ মামুন। তিনি জানতে চান বর্তমান সরকার দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রীকে মামলা দায়েরের সাথেই গ্রেফতার করলেও জামায়াতে ইসলামীর আমীরকে গ্রেফতার করতে দেরী করলো কেন?

মি মান্নান এখানে আইনী প্রক্রিয়ার কারন থাকতে পারে বলে জানান। তিনি আরো বলেন এটি আইন শৃংখলা বাহিনীই ভালো জানতে বলেন তিনি জানান।

সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী বলেন এই প্রশ্ন সারা বাংলাদেশের মানুষেরও।

দর্শকদের একজন বলেন তিনিও এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান। আরো এক দর্শক জানতে চান এই প্রশ্নের উত্তর জামায়াতের নেতাদের কাছে জানতে চান। অন্য এক দর্শক বলেন এ থেকে এটাই প্রমান হয় যে বাংলাদেশে প্রগতিশীল শক্তির চাইতে মৌলবাদীরা অনেক বেশী শক্তিশালী এবং তাদেরকে সবাই এখনো ভয় পায়।

Major (retd) Abdul Mannan
মেজর (অব:) আব্দুল মান্নান

মি দুদু বলেন জামায়াতের আমীর আগে হোক পরে হোক জেলে তো গিয়েছে!

মি হক বলেন কোন নেতাকেই গ্রেফতার করা ঠিক হয়নি কারন তাঁরা তো আর পালিয়ে যেতেন না। পৃথিবীর কোথাও এমন নিদর্শন নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন নিজামীর ক্ষেত্রে মামলা দায়ের হয়েছে অনেক পরে এবং নিজামী যখন হাইকোর্টে জামিন চেয়েও পেলেন না তখনই তাকে গ্রেফতার করা উচিত ছিলো এবং নিয়ম সেটাই। তবে তিনি বলেন দুদিন কিংবা তিন দিন কোন ব্যাপার নয় আর শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো মাইনাস টু বাস্তবায়নের জন্য তবে এখন তারা দেখেছে যে এটি সম্ভব নয়।

পরের প্রশ্ন করেন শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন। বর্তমান অস্থিরতার মধ্যে জাতীয় নির্বাচন যখন হুমকীর মুখে তখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন কতটুকু ফলপ্রসু হবে?

মি মান্নান নির্বাচন চান, সেটি যে নির্বাচনই হোক না কেন।

সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী বলেন এই সরকার এসেইছে জাতীয় নির্বাচন করার জন্য। তবে কোন নির্বাচনই এতো দিনে হয় নি। তার মনে সন্দেহ আছে যে আগামী সাত মাসের মধ্যে সরকার নির্বাচন বিষয়ে কি করতে পারবে?

মি দুদু মনে করেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জাতীয় নির্বাচন দিয়ে দেয়া উচিত। তিনি আরো বলেন এটি করা হলেই একটি স্থিতিশীল পরিবেশ আসবে।

মি হক সংবিধান অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একমাত্র কাজ হলো জাতীয় নির্বাচন দেয়া। তিনি বলেন অন্য নির্বাচন দিতে চাইলে দিক কিন্তু আসল নির্বচানটাকেই পিছিয়ে দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ষংলাপ প্রযোজনা করেছেন ওয়ালিইর রহমান মিরাজ

 
 
স্থানীয় লিংকস্
রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনা
27 মে, 2008 | বিশেষ আয়োজন
জরুরী অবস্থা আর কতদিন?
15 মে, 2008 | বিশেষ আয়োজন
সেনাবাহিনী কোন পক্ষ?
06 মে, 2008 | বিশেষ আয়োজন
খাদ্য সংকট কী নীরব দূর্ভিক্ষ?
09 এপ্রিল, 2008 | বিশেষ আয়োজন
নির্বাচন নিয়ে মুক্ত আলোচনা ?
06 ফেব্রুয়ারী, 2008 | বিশেষ আয়োজন
সর্প দংশন আর ওঝার ঝাড়
28 জানুয়ারী, 2008 | বিশেষ আয়োজন
সর্বশেষ সংবাদ
 
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন   ছাপার উপযোগী সংস্করণ
 
  RSS News Feed
 
BBC Copyright Logo ^^ পাতার শুরুতে
 
  প্রথম পাতা | বিশেষ আয়োজন | অনুষ্ঠান| বেতার তরঙ্গ | আবহাওয়া
 
  BBC News >> | BBC Sport >> | BBC Weather >> | BBC World Service >> | BBC Languages >>
 
  আমাদের সম্পর্কে | যোগাযোগ | সাহায্যের বোতাম | গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিবৃতি