|
উপদেষ্টাদের বিদায়: অপসারন না পদত্যাগ?
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
কথা ও ছবি: রাসেল মাহমুদ
বাংলাদেশ সংলাপের গত ১২ই জানুয়ারী ২০০৮ আয়োজনের প্যানেল সদস্যরা ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটি কর্তৃক নিযুক্ত অস্থায়ী মহাসচিব হাফিজউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সী ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মিলনায়তনে প্রবেশের সময় আমন্ত্রিত দর্শকদের করা বিভিন্ন প্রশ্ন থেকেই এই অনুষ্ঠানের জন্য কিছু প্রশ্ন বাছাই করে নেয়া হয়। এসব প্রশ্নের উপর প্যানেল সদস্যরা এবং আমন্ত্রিত দর্শকরা মতামত দেন। অনুষ্ঠানের প্রথম প্রশ্ন করেন মো. জহিরুল হক। তার প্রশ্ন ছিলো সম্প্রতি চার জন উপদেষ্টার পদত্যাগ করা নিয়ে। তিনি জানতে চান, এই পদত্যাগ কি রাষ্ট্রীয় স্বার্থে, নাকি ব্যক্তি স্বার্থে, নাকি চাপের মুখে?
প্রথম উত্তর দেন রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন এই ধরনের পদত্যাগ করা হলে সব সময়ই তাকে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ হিসেবে দেখা হয়। তবে তাঁর নিজের মত হিসেবে তিনি বলেন বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যে শাসন সংকট চলছিল এটি তারই বহি:প্রকাশ এবং সেই সংকট থেকে উত্তরনের জন্যই সেই উপদেষ্টাদের অপসারন করা হয়েছে। এটিকে চাপের মুখে না হলেও নির্দেশিত হয়ে পদত্যাগ বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মতিয়া চৌধুরী ফ্রান্সে প্রত্নসম্পদ প্রদর্শর্নীর জন্য পাঠানো নিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টার পদত্যাগের প্রসঙ্গও এখানে এনে বলেন তিনি সেই স্ক্যান্ডালের কারনে ভদ্রজনোচিত ভাবে পদত্যাগ করেছেন। আর বাকী উপদেষ্টাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি রাশেদ খান মেননের বক্তব্যের সাথে একমত প্রকাশ করেন। আর সেই পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এই উপদেষ্টারা ১০ জনের একটি টিমেরই অংশ, তাঁরা সরকারের একটি স্পর্শকাতর জায়গায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাবধানতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারেন নি। আর এতে সরকারের পারফর্মেন্স প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মি হাফিজউদ্দিন আহমেদ চার উপদেষ্টা পদত্যাগের কারনকে ব্যক্তিগত বলেই মেনে নিয়ে তাদের ‘প্রাইভেসীর’ প্রতি সম্মান জানাতে চাইলেন।
তবে তিনিও মন্তব্য করেন মনে হচ্ছে যে তাদের নিয়োগ কর্তারা তাদের উপরে সন্তুষ্ট ছিলেন না সেকারনেই তারা পদত্যাগ করেছেন।
এসময় ‘নিয়োগকর্তারা’ শব্দটির প্রতি তাঁর দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন এটি একটি টিমওয়ার্ক। আর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা আইয়ুব কাদরীর পদত্যাগকে তিনি দৃষ্টান্তমুলক বলে মন্তব্য করেন। এসময় একজন দর্শক বলেন একজন উপদেষ্টা পদত্যাগ করে বিদেশে চলে গিয়েছেন। এভাবে চলে যাওয়াটা ঠিক হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। অন্য এক দর্শক বলেন সরকারের ৫০ শতাংশই পদত্যাগ করলেন। আরো এক দর্শক বলেন এরকম চাপে চাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কতদিন থাকবে সেটাই দেখার বিষয়। মি. ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন তারা জনস্বার্থে পদত্যাগ করেছেন কিংবা করতে বলা হয়েছে। তিনি একে বাংলাদেশ সরকার পরিচালনায় একটি ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখতে চান। আর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন কিনা এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন সরকারের পক্ষ থেকেই এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরের প্রশ্ন করেন শিব শংকর রায়। তিনি একজন সাবেক সেনাশাসক জেনারেল হুসেন মুহাম্মদ এরশাদের একটি মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করেন। তিনি বলেছেন সেনাবাহিনীকে সরকারে সম্পৃক্ত করা উচিত। মি. রায় জানতে চান এই বক্তব্যের পেছনে মি এরশাদ এর কোন উদ্দেশ্য আছে কি না? তিনি নিজে মনে করেন যেহেতু মি এরশাদ একজন প্রাক্তন সেনা সদস্য সেহেতু তিনি বিশেষ উদ্দেশ্যেই এই মন্তব্য করেছেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রথমেই বলেন যারা দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে ছিলেন হয়তো তারা সেনাশাসন থাকলে আরাম বোধ করেন। তবে তিনি মনে করেন না যে এমন করার কোন প্রয়োজন আছে। সাবেক সেনা সদস্য হিসেবে সেনাশাসন থাকলে তারও ভালো লাগে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে তিনি সেনাবাহিনীতে ছিলেন আট বছর আর সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন ২০ বছর। আর সাবেক সেনা সদস্য হিসেবে তিনি মনে করেন কোনভাবেই সেনাবাহিনীর বিতর্কিত হওয়া উচিত না। আর রাষ্ট্র পরিচালনায় এভাবে ডেকে সেনাবাহিনীর আনার কোন প্রয়োজন নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আর মতিয়া চৌধুরী মন্তব্য করেন বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে, তাই যে যার জায়গায় থাকাই বাঞ্চনীয়। আর জে এরশাদ কেন এ কথা বলেছেন এবিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে পারবেন না বলে জানান। এক দর্শক এসময় জানতে চান বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার কি সেনা নিয়ন্ত্রিত নাকি সেনাবাহিনী সরকার নিয়ন্ত্রিত? তিনি বলেন সরকার নিয়ন্ত্রিত সেনাবাহিনী থাকলে এরশাদের কোন মনোবাঞ্ছাই পুরন হবে না। আরো এক দর্শক বলেন তিনি চান সেনাবাহিনী তার জায়গাতেই থাকুক এমনটা তারা চান। রাশেদ খান মেনন এরশাদ সাহেবের এই মন্তব্যকে নতুন নয় বলে জানান। তিনি বলেন ১৯৮১ সালেও তিনি এই মন্তব্য করেছেন। এছাড়াও ১৯৮৩ সালেও এমন মন্তব্য করা হয়েছিল বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন এই প্রশ্নটির সমাধান এতো সহজ না বলে মন্তব্য করে বলেন গনতন্ত্রের সংকটের উত্তর অধিকতর গনতন্ত্রই, এর বাইরে নয়। তবে সেনাবাহিনীকে সরকারেরই অংশ বলে মত দেন মি ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন বিশেষ অবস্থায় সেনাবাহিনীকে সরকার যা করতে বলবে সেটা
তাদের করতে হবে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে কারো মতামতের মাঝে তাঁর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য নিহিত থাকতে পারে।
পরের প্রশ্ন করেন মাসুমা আক্তার দিনা। তিনি জানতে চান সরকারের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের দাবী থাকলেও সেটি এত বিলম্বিত হচ্ছে কেন? মি মেনন বলেন এই সরকারকে যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দেখা হয় তাহলে তাদের কাজ হচ্ছে নির্বচান অনুষ্ঠান করা। তিনি বলেন যে প্রেক্ষাপটে এই সরকার এসেছে তাতে উচিত ছিলো রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ করা। তিনি বলেন এমন সংলাপ না করে দেশ পরিচালনার পরিনতি কি হতে পারে তা এখন দেখা যাচ্ছে। এখন সরকারের তরফ থেকে সংলাপের আমন্ত্রন জানানো হলে তারা কোন শর্ত দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন তাদের তরফ থেকে কোন শর্ত নেই কিন্তু দেখার বিষয় হলো এই যে সরকারের তরফ থেকে কোন শর্ত আসে কি না। মি আহমেদ বলে শুভস্য শীঘ্রম। তিনি আরো বলেন এই আলাপ আলোচনা নি:শর্ত হওয়া উচিত। আর গনতন্ত্রের জন্য সংলাপের কোন বিকল্প নেই বলেও তিনি মত দেন। মতিয়া চৌধুরীও বলেন তাদের দলও মনে করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন হওয়া উচিত এবং সংলাপের ক্ষেত্রে তাদের পক্ষ থেকেও কোন শর্ত দেয়া হবে না বলেই তিনি জানান। তবে সেই সাথে রাজনীতির উপর থেকে নিষেধজ্ঞার ব্যাপারে তিনি মনে করেন যে এটি উন্মুক্ত করে দেয়া উচিত। হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এসময় বলেন সরকার তো এখনো বলেন নাই সংলাপে যোগ দিতে হলে এই এই বিষয় পুরন করতে হবে তাই আগেই এমন আলোচনা না করাই ভালো। দর্শকদের একজন এসময় বলেন রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ও দেখা গেছে বিরোধী দল বিভিন্ন শর্ত দিয়ে সময় ক্ষেপন করেছে এমনটা আবারো হবে এমন শংকাই প্রকাশ করেন তিনি। ইফতেখারুজ্জামান শর্তের বিষয়টিকে আলোচনার লক্ষ্য হিসেবে দেখতে চান। তিনি বলেন আলোচনায় যদি একটি লক্ষ্য থাকে যেগুলো মৌলিক, এবং
সবাই প্রত্যাশা থাকবে সেই লক্ষ্য পুরনের। তাহলে ব্যাপারটি শর্তের মতোন কঠিন হয়ে যাবে না।
পরের প্রশ্ন করেন উম্মে কুলসুম রুমা। তিনি জানান বিভিন্ন পত্রিকার খবরে দেখা যাচ্ছে খাদ্যদ্রব্যের মুল্য নিয়ন্ত্রনে এসেছে কিন্তু বাজারে গিয়ে তার উল্টোটা দেখা যাচ্ছে কেন? ড ইফতেখারুজ্জামান বলেন এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাজারে সার্বিকভাকে একটি স্ফীতি তৈরী হয়েছে যা জনজীবনে অস্থিতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। তিনি আরো বলেন এটি এখনো নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়নি, আর এর কারন কি তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়াও তিনি বলেন দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের কারনে বাজারে দাম বাড়ার কোন কারন নেই। মি মেনন প্রথমেই বলেন দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রন হয়নি। যেসব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেগুলো যথেষ্ট নয় এবং মুক্তবাজার অর্থনীতিতেও বাজার নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ থাকে। এ প্রসঙ্গে তিনি ভারতের উদাহরন দিয়ে বলে সেখানেও রেশনিং এর ব্যবস্থা চালু আছে। তিনি মনে করেন এমন অবস্থায় সরকারের যা করনীয় সরকার তা করছে না। দর্শকদের একজন জানান যে তিনি মনে করেন বাজার নিয়ন্ত্রন যারা করে তারা সরকারকে সাহায্য করতে চাইছে না বলেই হয়তো এমন লাগামহীন ভাবে মুল্য বাড়ছে। মতিয়া চৌধুরী বলেন এই সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তার পর দুটি ধানের মৌসুম গেছে বোরো এবং আমন। যখন বোরো মৌসুম ছিলো তখনই কৃষকরা সার পায়নি। সেই অবস্থায় সার এবং পানি না দিতে পারলে পুরো বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে যায়। তারপরেই বন্যা এবং ঘুর্নিঝড়ের কারনে আরো সমস্যা বেড়েছে। সবাই এদিকে নজর দেয়ার আহবান জানালেও সরকার নির্বিকার ছিলো বলে তিনি জানান। হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন আমাদের দেশে বাজার নিয়ন্ত্রন অনেক কঠিন কাজ। তিনি আরো বলেন সরকারের উচিত ছিলো খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। কিন্তু তারা অনেক শ্লথ গতিতে কাজ করেছে।
পরের প্রশ্ন করেন নুর মোহাম্মদ। তিনি জানতে চান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্দী শিক্ষকদের মুক্তির দাবী ইস্যুকে কেন্দ্র করে আবারো যদি কোন অনাকাংখিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তার দায়িত্ব কি সরকারের হবে কি না? মতিয়া চৌধুরী শিক্ষকরা ছাত্রদের জ্ঞানচক্ষু উন্মীলনের পথপ্রদর্শক এবং ছাত্ররা তাদের সন্তানতুল্য। ছাত্ররা বিপদে পড়লে তারা বিচলিত হবেনই। আর এখনকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন এখনো সময় আছে, সরকারের অহেতুক জেদ করার কোন কারন নেই। মি মেনন বলেন শিক্ষকরা ছাত্রদের পাশে যদি না দাঁড়ান সেটাই অপরাধ হতো। তিনি এপ্রসঙ্গে বলেন আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনেও শিক্ষকরা ছিলেন এবং সেজন্য তাদের কারাবরন করতে হয়নি। তিনি মনে করেন এখন সরকার প্রতিশোধ মুলক আচরন করছেন। এখন কোন ঘটনা ঘটলে অবশ্যই সরকার দায়ী হবেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন ছাত্রদের শাস্তি দেয়াকে তিনি সমর্থন করেন না। এছাড়া শিক্ষকদের রাজনীতি করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন শিক্ষকদের কাজ শিক্ষা দেয়া এবং তাদের উচিত জাতীয় রাজনীতি অংশ না নেয়া। আর এখনকার পরিস্থিতিতে কোন অনাকাংখিত ঘটনা ঘটলে সে দায়িত্ব সরকারের হবে বলেও তিনি মত দেন। এসময় এই ব্যাপারে আমন্ত্রিত দর্শকদের কাছে এব্যাপারে ভোট চাওয়া হলে প্রায় সবাই হাত উচিয়ে এবং কন্ঠভোটের মাধ্যমে জানান এমন ঘটনার সার্বিক দায়িত্ব সরকারের হবে। মি ইফতেখারুজ্জামান এসময় বলেন আগুন নিয়ে খেলা যথেষ্ট হবে। তিনি মনে করেন এই ব্যাপারে একটি জেনারেল এমনেষ্টি অনেক আগেই করা উচিত ছিলো এবং এখন যত তাড়াতাড়ি করা সম্ভব করা উচিত। অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয় ১৩ই জানুয়ারী, ২০০৭ বিবিসি বাংলার ‘প্রবাহ‘ অধিবেশনে৻ বাংলাদেশ সংলাপ প্রযোজনা করছেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ৻ |
স্থানীয় লিংকস্
ত্রাণ অর্থের উৎস কী প্রশ্নের মুখে?20 অগাস্ট, 2007 | বিশেষ আয়োজন
নেতারা বন্যার্তদের পাশে নেই কেন?20 অগাস্ট, 2007 | বিশেষ আয়োজন
নেতৃত্ব শূণ্যতা নিয়ে আতংক 11 জুন, 2007 | বিশেষ আয়োজন
দলপতি ও সেনাপতি আলোচনার শীর্ষে04 জুন, 2007 | বিশেষ আয়োজন
বিদেশীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন29 মে, 2007 | বিশেষ আয়োজন
রাজনৈতিক দলের সংস্কার কেমন হবে?18 মে, 2007 | বিশেষ আয়োজন
আবারো আলোচনায় ড: ইউনুস10 মে, 2007 | বিশেষ আয়োজন
প্রশ্নের মুখে সরকার ও দলগুলো 01 মে, 2007 | বিশেষ আয়োজন
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||