BBCBengali.com
BBCHindi.com
BBCNepali.com
BBCSinhala.com
BBCTamil.com
BBCUrdu.com
 
সর্বশেষ আপডেট: 10 মে, 2007 - প্রকাশের সময় 16:30 GMT
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন ছাপার উপযোগী সংস্করণ
আবারো আলোচনায় ড: ইউনুস
 
panelists at 29h Sanglap in Dhaka
প্যানেল সদস্যরা, বাঁ দিক থেকে: এ. এইচ. এস. কে. সাদেক, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীম, উপস্থাপক মাসুদ হাসান খান, আয়েশা খানম ও ওসমান ফারুক

কথা ও ছবি: রাসেল মাহমুদ

বাংলাদেশ সংলাপের ২৯তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। মাসুদ হাসান খান এর সঞ্চালনায় এবারের আয়োজনে প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এ.এস.এইচ.কে. সাদেক, বিএনপি নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রহিম এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আয়েশা খানম।

অনুষ্ঠানের প্রথম প্রশ্ন করেন খালেদা পারভীন। তিনি জানতে চান ড ইউনুস একবার দল গঠনের ঘোষনা দিলেন এবং তা থেকে সরে আসলেন, জাতীয় সরকার গঠনে সুবিধার জন্যই কি তিনি এমনটা করলেন?

জে. ইব্রাহিম মনে করেন এর সবচেয়ে ভালো উত্তর ড. ইউনুসই দিতে পারবেন। তবে তিনি বলেন জাতীয় সরকার নামক বিষয়টিই এখনো অস্পষ্ট। এ প্রসঙ্গে সেনাপতি মানসিংহের একটি উক্তি স্মরন তিনি করেন ‘যে দেশে নদীর পানি সকাল বিকাল স্রোত পাল্টায় সেদেশের মানুষের মতিগতি কি হবে বলা মুস্কিল। ’ এ দেশের মানুষ কাউকে গাছে তুলে দিয়ে মই সরিয়ে নিতে খুব ভালো পারে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন ‘সেই মই’ সরে যাবার চিহ্ন দেখেই ড. ইউনুস রাজনীতি থেকে সরে গেছেন। দেরীতে হলেও সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য তিনি ড. ইউনুসকে অভিনন্দন জানান।

audience at the sanglap in Dhaka
প্রশ্ন করছেন একজন দর্শক

তবে আয়েশা খানম মনে করেন ড. ইউনুস নিজেই এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তবুও ড. ইউনুসের আর একটু দেখা উচিত ছিলো বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাজনীতিতে একটু অভিজ্ঞতার দরকার হয় এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন ‘রাজনীতি করা এবং না করার অধিকার ড. ইউনুস এর আছে’।

দর্শকদের একজন বলেন তিনি মনে করেন না যে জাতীয় সরকার গঠনের সুবিধার জন্য ড ইউনুস রাজনীতি থেকে সরে এসেছেন। অন্য এক দর্শক অবশ্য মনে করেন এমন ঘটনার পেছনে অবশ্যই কোন কলকাঠি নাড়াচাড়া হয়েছে।

ড. ইউনুস কেন রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেন তার ব্যাখ্যা তিনি করেননি বলে মত দেন প্যানেল সদস্য মি. সাদিক। জাতীয় সরকার গঠনের জন্য এমনটা করা হলো কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জাতীয় সরকার বিষয়টি পরিস্কার নয়। তবে তিনি মনে করেন জাতীয় সরকার বলে কিছু এ মুহুর্তে হতে পারে না। সেক্ষেত্র, বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বাদ দিয়ে নতুন একটি সরকার গঠনের কথা হলে সেটি অন্য কথা।

মি. ফারুক অবশ্য মনে করেন একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ড. ইউনুস দল গঠনের কথা ঘোষনা করেছিলেন। তবে তিনি এটি মনে করেন না যে ড. ইউনুস জাতীয় সরকার গঠনের সুবিধার জন্য দল গঠনের ঘোষনা থেকে সরে এসেছেন। আর জাতীয় সরকার বিষয়ে তিনি মি. সাদিকের কথার সাথে একমত পোষন করেন।

পরের প্রশ্ন করেন তৃষিতা চাকমা। তিনি জানতে চান জরুরী অবস্থার মধ্যেও জঙ্গি হামলা কিভাবে ঘটলো? ১লা মে জরুরী অবস্থার মধ্যেও তিনটি রেল ষ্টেশনে বোমা হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি এ প্রশ্ন করেন।

জে. ইব্রাহিম বলেন বোমা হামলাকারীদের সাথে জরুরী অবস্থার কোন সম্পর্ক নেই। বোমা হামলাকারীরা জরুরী অবস্থা হিসেব করে বোমা হামলা করেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন জঙ্গী নেতাদের ফাঁসি দেয়ার পর কেউ যদি আত্মতৃপ্তিতে ভোগে তাহলে ভুল করা হবে কারন যাদের নেতা মারা গেছে তারা তো বসে থাকবে না।

মেজর জেনারেল (অব:) সৈয়দ ইব্রাহিম

জে. ইব্রাহিম প্রশ্ন করেন যখন কয়েক বছার আগে এই জঙ্গী নেটওর্ক ভাঙ্গা উচিত ছিলো তখন সরকার মিডিয়ার উপর এই দোষ চাপিয়ে ছিল, তখন সেই জঙ্গীবাদকে বড় হবার যে সুযোগ দেয়া হয়েছিল তার নেতিবাচক প্রভাব এখন পড়ছে। তবে এ ঘটনাকে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যর্থতা বলে মনে করেন না, কারন চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষের ব্যাগপত্র তল্লাশি করা সম্ভব না। তবুও তিনি জানান নিরাপত্তা বাহিনীর উচিত ছিলো এমন ঘটনার আশংকা করা।

আয়েশা খানম জঙ্গী সমস্যার মুলের দিকে গিয়ে বলেন, আমরা ধর্মীয় জঙ্গী মৌলবাদকে একসময় পরিচর্যা করেছি। তবে তিনি বলেন অতীতে ভুল করেছি বলেই যে তার জের টানতে হবে এমনটা হতে পারে না। এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব অনেক বেশী জটিল বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন অনেকদিনের পুঞ্জিভুত ময়লা তাদের পরিস্কার করতে হবে।

বিগত সরকার জঙ্গী বিষয়ে গনমাধ্যমকে দোষ দিয়েছিল এটি ভুল ছিলো কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি নেতা ড. ফারুক বলেন পরবর্তীকালের কার্যক্রমে মনে হচ্ছে এটি ভুল ছিলো তবে তিনি সাথে যোগ করে বলেন পরবর্তীতে সেই সরকারই তাদের গ্রেফতার করেছে। তবে তিনি বলেন মুক্ত স্বাধীন দেশে অনেক কিছু এড়িয়ে জঙ্গী তৎপড়তা চালানো সম্ভব আর তাই এটি রোধ করতে নিরাপত্তা বাহিনী সহ জনগনকেও সচেতন হতে হবে।

দর্শকদের একজন বলেন জঙ্গীবাদ যে ইসলাম সম্মত নয় এ বিষয়টি সবাইকে বোঝাতে হবে যাতে কেউই জঙ্গীবাদে উদ্ধুদ্ধ না হয়।

দর্শকদের একজন হোসনে আরা লোমা, বলেন দেশে যত বোমা হামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ প্রসংগে তিনি ২০০১ সালের বোমা হামলার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জঙ্গীবাদ রোধে দারিদ্র বিমোচনের উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান।

ahsk sadeque
এ. এইচ. এস. কে. সাদেক

মি. সাদেক এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন জনগনকে কে সচেতন করবে? তিনি বলেন এর জন্য সব জায়গায় কাজ করতে হবে। সেখানে নেতৃত্ব দরকার আর তার জন্য রাজনীতি দরকার। তিনি বলেন শুধু পুলিশ দিয়ে এটি হবে না সেই সাথে জনগনকেও সাথে নিতে হবে সেই সাথে পুলিশ বাহিনীকে আরো প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

আয়েশা খানম অভিযোগ করেন জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকার গুলো সবসময়ই উদাসীন এবং ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করেছে। যে পদক্ষেপ গুলো সেসময় নেয়া হয়েছে তাও আন্তর্জাতিক চাপের কারনে।

আসমা চিশিম প্রশ্ন করেন দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল এখন সংস্কারের কথা বলছেন, বর্তমানে নেতৃত্বে রয়েছেন এমন কোন পরিবারের সদস্য ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার করা সম্ভব কি না?

ড. ফারুক সংস্কারের সংজ্ঞা দেয়ার প্রয়োজনের কথা বলেন। নেতৃত্ব পরিবর্তন ছাড়া সংস্কার হবে না এমনটা ঠিক না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি মনে করেন রাজনৈতিক দলের সংস্কার হতে হবে স্বপ্রনোদিত এবং বাইরে থেকে চাপিয়ে দিলে সংস্কার হবে না। তিনি বলেন পরিবার তন্ত্র বাংলাদেশের সব দলেই আছে। তিনি বলেন দক্ষতা ব্যাতিরেকে পরিবারের পরিচয়ে রাজনীতিতে এগিয়ে যাওয়াটা কখনোই গ্রহনযোগ্য নয়।

মি. সাদেক বলেন তাঁর দলের একটি গঠনতন্ত্র আছে, তিন বছর পরপর কাউন্সিল হয় এবং ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হন। তিনি বলেন ১৯৭৫ এ বঙ্গবন্ধু হত্যার পর শেখ হাসিনা সভানেত্রী হন নি বরং তাঁর দলের নেতারাই ডেকে এনে তাঁকে সভানেত্রী বানিয়েছে।

দর্শকদের একজন বলেন তিনি মনে করেন দুই নেত্রীকে কেউ সরাতে চাইছে না কারন তাঁদের প্রভাবিত করে অনেকেই অনেক অর্থ কামিয়েছে আর তারাই সংস্কার চাইছে না।

osman faruk
ওসমান ফারুক

অন্য এক দর্শক প্রশ্ন তোলেন দলের ভেতর নেতৃত্ব ধরে রাখতেই খালেদা জিয়া তাঁর ভাইকে বিএনপির সহসভাপতি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন এটি কি রাজনৈতিক সংস্কার?

ড. ফারুক বলেন কি জন্য খালেদা জিয়া তাঁর ভাইকে সহ-সভাপতি করেছেন তা বিভিন্ন জন বিভিন্ন অনুমান করতে পারে। কিন্তু তিনি মনে করেন এই ধরনের নিয়োগের পদ্ধতি আরো স্বচ্ছ হওয়া উচিত ছিলো।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে একসময় যা সঠিক ছিলো সেটা বর্তমানেও একই হবে তা মনে করেন না আয়েশা খানম । তিনি বলেন এখানে পরিবর্তন দরকার। তিনি প্রশ্ন করেন পাঁচ দিন কাউন্সিল করে শেষ দিনে কিভাবে সব ক্ষমতা নেত্রীর হাতে তুলে দেয়া হয়? তিনি বলেন রাজনৈতিন সংস্কার এবং রাজনৈতিন দুর্বৃতায়ন বন্ধ করা দরকার।

জে. ইব্রাহিম বলেন এতিম বলে একটি কথা আছে এবং এতিমের সম্পদ রক্ষা করা সবার কর্তব্য। তিনি বলেন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি যখন এতিম হয়ে গিয়েছিলো তখন তাদের জন্য একজন রক্ষাকারী আনা হয়েছিল। কিন্তু এখন দলদুটি এতিন নয় বলে তিনি মত দেন। তিনি বলেন দল দুটি এখন আর এতিম না। তিনি মনে করেন দুই দলের মধ্যেই এমন কিছু অবস্থা আছে যাতে দলের ভেতর থেকে সংস্কার করা কঠিন।

পরের প্রশ্ন করেন মনোয়ারা বেগম। তিনি জানতে চান দ্রব্যমুল্য বাড়ার জন্য সিন্ডিকেট দায়ি নাকি সরকারের অব্যবস্থাপনা দায়ি।

আয়েশা খানম বলেন এটি তাঁর নিজেরও প্রশ্ন। তিনি বলেন দ্রব্যমুল্য, জঙ্গী, নিরাপত্তা এগুলো জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন। দুর্নীতি দমনের বিষয়টি যেভাবে দেখা হচ্ছে সেভাবেই দ্রব্যমুল্য বিষয়টিকেও দেখা উচিত।

ayesha khanam
আয়েশা খানম

ড. ফারুক বলেন মুক্তবাজারে চাহিদা এবং সরবরাহ বলে একটি বিষয় আছে। তিনি মনে করেন যেহেতু সরকার বিভিন্ন ধরনের মজুতদারী, কালোবাজারী, দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চালিয়েছে সেহেতু প্রথম দিকে ব্যাবসায়ীরা একটু নিরুৎসাহিত হয়েছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন জিনিসের দাম বাড়ার বিষয়টিও তিনি সামনে নিয়ে আসেন।

দর্শকদের একজন বলেন নতুন উদ্দ্যোক্তাদের সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে না বলেই দ্রব্যমুল্য বাড়ছে। অন্য একজন দর্শক বলেন দোকানে কখনোই কোন দ্রব্যের ঘাটতি দেখা যা না সেহেতু তিনি মনে করেন সমস্যাটা যোগানের ক্ষেত্রে নয় বরং অন্য কোথাও।

মি. সাদিক বলেন গত সরকারের দুইজন মন্ত্রী সিন্ডিকেটের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছিলেন। তিনি মনে করেন এখনো এমন একটি সিন্ডিকেট রয়ে গিয়েছে যারা বাজার নিয়ন্ত্রন করছে।

জে. ইব্রাহিম বলেন বাজার নিয়ন্ত্রনের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি বাংলাদেশে বিদ্যমান এবং এটি আমদানীর ক্ষেত্রেও ঘটে থাকে। সরকারের উপদেষ্টাদের এত কাজ যে তারা সম্ভবত এই দিকে নজর দিতে পারছেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

২৭তম বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে পরের প্রশ্ন করেন মিরপুরের শাহিন আক্তার। তিনি জানতে চান এই পরীক্ষায় উত্তীর্ন প্রার্থীদের উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার শেষ হবে কবে?

মি. সাদেক বলেন তিনি শুনেছেন যে এই পরীক্ষায় অনেক অনিয়ম হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন সরকার এ বিষয়টি দেখে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।

ড. ওসমান ফারুক এবিষয়ে তাঁর চিন্তার কথা উল্লেখ করে বলেন অনেক সময় অনিয়ম গুলি বলার সময় অনুমানের উপর নির্ভর করা হয়। তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন সুনির্দিষ্ট অনিয়ম না হয়ে থাকলে দ্রুত বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করতে।

আয়েশা খানম এ বিষয়ে সরকারের বাস্তবমুখী এবং দ্রুত পদক্ষেপ আশা করেন।

জে. ইব্রাহিমও একই কথা উল্লেখ করেন বলেন কোন কিছু ঝুলিয়ে রাখা ভালো না।

অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয় ৫ই মে বিবিসি বাংলার ‘প্রবাহ‘ অধিবেশনে

বাংলাদেশ সংলাপ প্রযোজনা করছেন ওয়ালিউর রহমান মিরাজ

 
 
স্থানীয় লিংকস্
নির্বাসন প্রচেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ
24 এপ্রিল, 2007 | বিশেষ আয়োজন
নেতৃত্বে বদল নিয়ে বিতর্ক
16 এপ্রিল, 2007 | বিশেষ আয়োজন
সেনা প্রধানের মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক
10 এপ্রিল, 2007 | বিশেষ আয়োজন
সেনা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
03 এপ্রিল, 2007 | বিশেষ আয়োজন
ক্ষমতার অন্তরালে সেনাশাসন?
26 মার্চ, 2007 | বিশেষ আয়োজন
সর্বশেষ সংবাদ
 
 
বন্ধুকে ইমেইল করুন ছাপার উপযোগী সংস্করণ
 
  RSS News Feed
 
BBC Copyright Logo ^^ পাতার শুরুতে
 
  প্রথম পাতা | বিশেষ আয়োজন | অনুষ্ঠান| বেতার তরঙ্গ | আবহাওয়া
 
  BBC News >> | BBC Sport >> | BBC Weather >> | BBC World Service >> | BBC Languages >>
 
  আমাদের সম্পর্কে | যোগাযোগ | সাহায্যের বোতাম | গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিবৃতি